২ রান তুলতেই অলআউট নাগাল্যান্ড
২ রান তুলতেই অলআউট নাগাল্যান্ড

২ রানেই অলআউট

ক্রিকইনফো

ক্রিকেটে ভারতের রয়েছে একাধিক রেকর্ড। সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি, হাজার হাজার রান, শত শত উইকেট। ব্যক্তিগত কিংবা দলীয়। এবার লজ্জার একটি রেকর্ডও হলো অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপে। চলমান এই টুর্নামেন্টে কেরালা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ১৭ ওভারে নাগাল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল অলআউট হলো মাত্র ২ রানে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনা সত্য। ১১ ব্যাটসম্যানের মধ্যে ৯ জনের পাশেই শূন্য। ১ জনের পাশে লেখা ১ রান। বাকিটি ওয়াইড।

মোট দলীয় সংগ্রহ ২। প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩ রান। বল করতে নেমেও নাগাল্যান্ড বৈধ বল করতে পারল মাত্র ১টি। তাতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গেল কেরালা যুবা দল।

ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য, সবচেয়ে কম স্কোরের ম্যাচের রেকর্ড জন্ম হলো ভারতে। যে লজ্জার রেকর্ড ভাঙা হয়তো পৃথিবীর ইতিহাসে আর সম্ভব হবে না। ইতিহাসে কোনো পর্যায়ের ক্রিকেটেই এর আগে মাত্র ২ রানে কোনো দল অলআউট হয়নি।

নাগাল্যান্ডের ওপেনার মেনকার ব্যাট থেকেই এসেছে একমাত্র রানটি। অন্যটি ওয়াইড। শেষ রানটি এসেছিল ষষ্ঠ ওভারের শুরুতেই। এরপর বিনা উইকেটে ২ রান থেকে নাগাল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মেয়েরা পরের ১১.৪ ওভারেই অলআউট সেই ২ রানেই।

কেরালা অনুর্ধ্ব-১৯ দল

 

কেরালার পাঁচ বোলারের মধ্যে চারজনই কোনো রান দিতে হয়নি। শুধু আলিনা সুরেন্দ্রনই একমাত্র বোলার, যিনি রান দিয়েছেন। মিন্নু মানি ৪ ওভারে কোনো রান না দিয়ে ৪ উইকেট নেন। ১১তম ওভারেই নেন ৩ উইকেট। নাগাল্যান্ডের ইনিংস শেষে তার বোলিং ফিগার ৪-৪-০-৪।

তবে এটিকে প্রস্তুতি নিতে না পারার কারণ হিসেবে ক্রিকইনফোতে উল্লেখ করেন নাগাল্যান্ড দলের কোচ এবং রঞ্জি ট্রফিতে খেলা হোকাইতো জিমোমি, ‘এই দলটি গত সেপ্টেম্বরেই প্রথম প্রস্তুতি শুরু করে। তুমুল বৃষ্টির কারণে বলতে গেলে কোনো প্রস্তুতিই নিতে পারেনি। ইনডোরেও কোনো সুযোগ সুবিধা ছিল না তাদের সামনে।’

অপরদিকে এত সহজে ম্যাচ জিতে যাওয়ায় রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কেরালার কোচ সুমন শর্মা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য মেয়েদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘এটা খুবই বড় জয়। আমরা প্রতিটি ম্যাচেই দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছি কিন্তু এদিনের ম্যাচে মেয়েরা দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। নাগাল্যান্ড প্রতি ম্যাচেই ২০, ৩০, ৪০ রানের মধ্যে অলআউট হয়ে যাচ্ছিল। তবে ২ রানে তাদের অলআউট করাটা দুর্দান্ত ব্যাপার। অধিনায়ক মিন্নু এবং অন্যান্যরা প্রশংসার যোগ্য।’

নাগাল্যান্ডের স্কোরকার্ড

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.