‌এবার গুজরাটেও নিষিদ্ধ ‘‌পদ্মাবতী’‌
‌এবার গুজরাটেও নিষিদ্ধ ‘‌পদ্মাবতী’‌

‌এবার গুজরাটেও নিষিদ্ধ ‘‌পদ্মাবতী’‌

নয়া দিগন্ত অনলাইন

মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের পর এবার গুজরাটেও নিষিদ্ধ হলো পদ্মাবতী। ভারতীয় এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানী জানিয়েছেন, ‘‌আমরা কোনো ভাবেই ইতিহাসের বিকৃতি মেনে নিতে রাজি নই। বনশালীর পদ্মাবতী রাজপুত সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই রয়েছে কিন্তু তার মানে এই নয় যে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ইতিহাস নিয়ে ছেলেখেলা করা হবে।’‌

১৯০ কোটি রুপির বাজেটের এই ফিল্ম ঘিরে প্রথম থেকে শুরু হয়েছিল গণ্ডগোল। যত দিন এগিয়েছে তত বিক্ষোভ প্রতিবাদ বেড়েছে। করনি সেনার আন্দোলন রং পেয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থনে। করনি সেনার অভিযোগ পরিচালক সঞ্জয়লীলা বনশালী তার ছবিতে রাজপুত রানি পদ্মিনীর যে ছবি তুলে ধরেছেন তার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। ইতিহাসের বিকৃতি করছেন তিনি। ১ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক চাপ আর প্রবল বিরোধিতার জেরে ছবি মুক্তির দিন পিছিয়ে দিতে হয়েছে পরিচালককে। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ সরকার আগে থেকেই ছবি নিষিদ্ধ করে দিয়েছে তার রাজ্যে। সেই পথে হাঁটল গুজরাট সরকারও। এর নেপথ্যে নাকি একটাই কারণ। বিধানসভা নির্বাচন। ‌


‌এ বছর মুক্তি নয় ‘‌পদ্মাবতী’‌র
এ বছর হয়ত মুক্তি না-ও পেতে পারে সঞ্জয় লীলা বনশালির ‘‌পদ্মাবতী’‌। সেরকমই আশঙ্কা করছেন ছবির পরিচালক থেকে অভিনেতা–অভিনেত্রী সবাই। কারণ এখন পর্যন্ত সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে ‘‌পদ্মাবতী’‌কে ছাড়পত্র দেয়া হয়নি। কথা ছিল ১ ডিসেম্বরই ভারতজুড়ে এই ছবিটি মুক্তি পাবে।

সূত্র মারফত জানা গেছে, সেন্সর বোর্ডের কর্মকর্তারা এখনো ছবিটি দেখে উঠতে পারেননি। ছবিটি দেখার পর তাদের ছাড়পত্র তৈরি করতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। তাই হয়ত আগামী বছরই মুক্তি পাবে ‘‌পদ্মাবতী’‌।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগামী বছর ছবি মুক্তি হবে বলেই ছবির প্রচার কাজও থামিয়ে দেয়া হয়েছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই ছবি মুক্তির দিন নির্ধারণ করা হবে। ‘‌পদ্মাবতী’‌ নিয়ে এমনিতেই ভারতজুড়ে বিতর্ক কম নয়। রাজস্থানের করণি সেনারা এই ছবি মুক্তি বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। ইতিহাসকে বিকৃত করে এ ছবি বানানো হচ্ছে বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ ছিল পরিচালকের বিরুদ্ধে। যার জেরে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি ও ‘‌পদ্মাবতী’‌র চরিত্রে দীপিকা পাড়ুকোনের মাথা কাটা করবে বলেও হুমকি দেয়া হয়েছিল। মধ্যপ্রদেশে এই ছবিটি মুক্তি পাবে না বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

মালিক মোহাম্মদ জয়সির কাহিনী অবলম্বনে সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ঘটনা নিয়ে ছবিটি তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.