ঢাকা, শনিবার,১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

বিবিধ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে শি জিনপিংয়ের সাড়া

পার্সটুডে

২২ নভেম্বর ২০১৭,বুধবার, ১৮:১৭


প্রিন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে শি জিনপিংয়ের সাড়া

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে শি জিনপিংয়ের সাড়া

চীনা বিমান সংস্থা এয়ার চায়না উত্তর কোরিয়ার সাথে বিমান চলাচল স্থগিত করেছে। চীন বলেছে, এ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কারণে নয়, ব্যবসায়িক কারণে নেয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সাম্প্রতিক চীন সফরের সময় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে আরো কিছু করার আহ্বান জানানোর পর পরই এয়ার চায়নার ঘোষণাটি এলো।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাং আজ বলেছেন, ‘এয়ার চায়না তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমান চালনা করে থাকে।এয়ার চায়নার এক কর্মী বার্তা সংস্থাকে বলেন, বুধবার থেকে উত্তর কোরিয়ার সাথে বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

গত এপ্রিল মাসেও এয়ার চায়না উত্তর কোরিয়ায় বিমান চলাচল স্থগিত করেছিল। তবে কয়েকদিন পর পুনরায় তা চালু করে।

 

২০৫০ সাল : যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে চীন শীর্ষে

২০৫০ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে তিনে হটিয়ে এক ধাপ উঠে দ্বিতীয় বড় অর্থনীতির দেশ হবে ভারত, তবে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক দেশের স্থানে বহাল থাকবে চীন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান প্রাইস ওয়াটারহাউজ কুপারসের (পিডব্লিউসি)‘সুদূরপ্রসারী: ২০৫০ সাল নাগাদ কীভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে’ শীর্ষক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

পিডব্লিউসির গবেষণায় দেখা যায় ২০৫০ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সেরা তিন দেশের দ্বিতীয় বড় অর্থনীতির দেশ হবে ভারত। অর্থাৎ শীর্ষে থাকবে চীন, দুইয়ে ভারত এবং তিনে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের অর্থনীতি ছাপিয়ে যাবে জার্মানি, রাশিয়া আর জাপানের মতো দেশকে। তখন ভারতের ঠিক নিচেই থাকবে ইন্দোনেশিয়া।

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির নেতৃত্ব জি সেভেনভুক্ত সাতটি দেশের হাত থেকে ‘ইমার্জিং সেভেন’ভুক্ত সাতটি দেশের হাতে চলে আসবে। অর্থাৎ উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বিশ্ব অর্থনীতির ভরকেন্দ্র এশিয়ায় চলে আসবে ।

ইমার্জিং সেভেনভুক্ত সাতটি দেশ হলো চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, রাশিয়া, মেক্সিকো ও তুরস্ক। আর জি সেভেনভুক্ত সাতটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, কানাডা ও ইতালি।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ও www.pwc.com

সুপার কম্পিউটারে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে চীন
সুপার কম্পিউটারের সংখ্যার বিচারে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেল চীন। বিশ্বে ৫০০টি দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের মধ্যে চীনে রয়েছে ২০২টি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ৫৯টি বেশি সুপার কম্পিউটার রয়েছে চীনের।

সারা বিশ্বের দ্রুততম ৫০০ সুপার কম্পিউটার নিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়। জরিপ অনুযায়ী, বিশ্বে ৫০০ সুপার কম্পিউটারের মধ্যে ২০২টি সুপার কম্পিউটার রয়েছে চীনে। ২৫ বছর আগে থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এ বিষয়ে জরিপ চালানো হচ্ছে।

দুই বছরের ব্যবধানে চীনের পেছনে পড়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। দ্রুততম ২০২টি সুপার কম্পিউটার নিয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছে চীন; যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ১৪৩টি। ৩৫টি সুপার কম্পিউটার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান এবং ২০টি নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে জার্মানি।

এর আগের একটি জরিপ প্রকাশ করা হয় গত জুনে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ১৬৯ সুপার কম্পিউটার নিয়ে ছিল প্রথম অবস্থানে। তখন চীনের ছিল ১৬০টি সুপার কম্পিউটার। উল্লেখ্য, ৫০০ সুপার কম্পিউটারের হিসাব করা হয় সর্বশেষ শক্তিশালী কম্পিউটারের ভিত্তিতে।

সম্প্রতি চালানো জরিপ অনুযায়ী, গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে চীন। বিশ্বে এসব খাতে যে পরিমাণ ব্যয় করা হচ্ছে, তার ২০ শতাংশই হয় চীনে। সুপার কম্পিউটার সাধারণত বড় আকারের হয়। এটি বিশেষ হিসাবরক্ষণ, নিবিড় পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয়।

প্রস্তুত চীনের হাইপারসনিক বিমান, যেকোনো স্থানে পরমাণু হামলা সম্ভব

সেকেন্ডে ১২ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারবে চীনের নির্মীয়মান হাইপারসনিক এয়ারক্র্যাফ্টটি। অর্থাৎ শব্দের ৩৫ গুণ বেগে। এই বেগে উড়লে চীন থেকে আমেরিকার উপকূলে পৌঁছতে মাত্র ১৪ মিনিট লাগবে।

মাত্র ১৪ মিনিটে চীনা যুদ্ধবিমান পৌঁছে যাবে মার্কিন উপকূলে, চালাতে পারবে পরমাণু হামলাও। শুধু আমেরিকায় নয়, খুব অল্প সময়েই যুদ্ধবিমানটি পারমাণু বোমা ফেলতে পারবে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে। তেমনই এক হাইপারসনিক জেট তৈরি করছে চীন। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সূত্রের। বছর তিনেকের মধ্যেই এই হাইপারসনিক জেট আকাশে উড়বে বলে হংকং ভিত্তিক সংবাদপত্রটির দাবি।

হাইপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ চলছে বলে এক চীনা বিজ্ঞানীকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। জেটটিকে পরীক্ষা করা হবে একটি উইন্ড টানেলের মধ্যে। সেই বিশেষ উইন্ড টানেলও এখন নির্মীয়মান।

অত্যন্ত গোপনীয় উইন্ড টানেল প্রকল্পটিতে কাজ করছেন যে বিজ্ঞানীরা, তাদেরই এক জনকে উদ্ধৃত করেছে চীনা সংবাদপত্রটি। যে হাইপারসনিক জেট তৈরি হচ্ছে, সেটির পরীক্ষা শুধু নয়, আরো নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে চীন। নির্মীয়মান উইন্ড টানেলটি সে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজেও লাগবে বলে খবর।

২০২০ সালের মধ্যেই টানেলটি তৈরি হয়ে যাবে বলে চীনা বিজ্ঞানী ঝাও ওয়েই সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে জানিয়েছেন। ২০২০ সালের মধ্যেই পরমাণু হামলায় সক্ষম হাপারসনিক জেটটি তৈরি হয়ে যাবে বলেও খবর।

এই প্রকল্প অবশ্য চীনের প্রথম হাইপারসনিক জেট প্রকল্প নয়। ডিএফ-জেএফ নামে একটি হাইপারসনিক জেট ২০১৩ সালেই তৈরি করে ফেলেছে চীন। এ পর্যন্ত অন্তত সাত বার তার পরীক্ষামূলক উড্ডয়নও সফল হয়েছে বলে ডেলি মেইল সূত্রের খবর। এই ডিএফ-জেডএফ শব্দের পাঁচ গুণ এবং ১০ গুণ বেগে উড়তে পারে।

ডিএফ-জেডএফ ব্যবহার করেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চীনের পক্ষে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো বা পরমাণু বোমা ফেলা সম্ভব বলে চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি। কিন্তু তার চেয়েও অনেক শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং প্রায় অপ্রতিরোধ্য জেট তৈরির পথে চীন অনেকটা এগিয়েছে বলে হংকংভিত্তিক সংবাদপত্রটি জানাচ্ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫