ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

ক্রিকেট

লিগের মাঝপথেই দল বদলাতে পারবেন সাকিব-মোস্তাফিজরা?

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২২ নভেম্বর ২০১৭,বুধবার, ১৭:৫১


প্রিন্ট
লিগের মাঝপথেই দল বদলাতে পারবেন সাকিব-মোস্তাফিজরা?

লিগের মাঝপথেই দল বদলাতে পারবেন সাকিব-মোস্তাফিজরা?

 ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। যা শোনা যাচ্ছে, তা সত্যি হলে এবারের আইপিএল-এ থাকছে ইপিএল-এর ছোঁয়া। হ্যাঁ, অনেকটা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ধাঁচেই আসন্ন আইপিএল-এ সই করানো হতে পারে ক্রিকেটারদের। একটি সর্বভারতীয় ইংরাজি সংবাদমাধ্যমের খবরে অন্তত তেমনটাই জানা যাচ্ছে।

শোনা যাচ্ছে, আগামী বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড় নেয়ার নিয়মে পরিবর্তন ঘটতে পারে। টুর্নামেন্টের মধ্যেই এক ফ্র্যাঞ্চাইজি ছেড়ে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যোগ দিতে পারবেন ক্রিকেটাররা। অর্থাৎ ফুটবলের মতো মিড-টুর্নামেন্ট ট্রান্সফারের নিয়ম চালু হতে পারে বাইশ গজের লড়াইয়েও। আরো একটু খোলসা করে বলা যাক। কোনো ক্রিকেটার যদি মরশুমের প্রথম সাতটি ম্যাচে প্রথম একাদশে জায়গা না পান তাহলে টুর্নামেন্ট চলাকালীনই ইচ্ছা হলে অন্য দল তাকে ডেকে নিতে পারবে। যদিও এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব থাকবে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ওপর। বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, মোস্তাফিজ খেলেন আইপিএলে। তারা কি দল বদলাবেন?

জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার বিসিসিআই-এর কর্মকর্তা, আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য, প্রশাসনিক কমিটি এবং টুর্নামেন্টের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সদস্যরা বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই এই নয়া প্রস্তাব মনে ধরেছে সকলের।

অনেক সময়ই এমন হয়ে থাকে, একটি গোটা মরশুম প্রথম এগারোয় খেলার সুযোগই হয় না দু-একজন ক্রিকেটারের। ডাগআউটে বসেই কাটিয়ে দিতে হয়। ফলে প্রস্তাবিত অর্থ পেলেও পারফর্ম করা হয় না। নিলামে মোটা অঙ্ক খরচ করে কিনেও বিভিন্ন কারণে শেষমেশ সেই ক্রিকেটারকে খেলার জায়গা করে দিতে পারে না ফ্র্যাঞ্চাইজিও। সেক্ষেত্রে এমন নিয়ম চালু হলে ক্রিকেটার ও দল উভয়ই লাভবান হতে পারে।

বিসিসিআই সূত্রে আরো খবর, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলেরই এই প্রস্তাব বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। তবে এ নিয়ে আরো কাটাছেঁড়া হবে। এবং তারপরই ঠিক হবে কোন নিয়ম চালু করলে টুর্নামেন্টের পক্ষে তা লাভজনক হবে। উল্লেখ্য, আগামী মরশুমেই নির্বাসন কাটিয়ে টুর্নামেন্টে ফিরবে চেন্নাই সুপার কিংস এবং রাজস্থান রয়্যালস। তাই নয়া নিয়ম চালু হলে যে আইপিএল-এর আকর্ষণ আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।


মোনাকোর আশা শেষ করে দিল লিপজিগ
ফ্রেঞ্চ ওয়ান লীগ চ্যাম্পিয়ন মোনাকোকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে চ্যাম্পিয়নস লীগের নক আউট পর্বের আশা টিকিয়ে রেখেছে জার্মান ক্লাব আরবি লিপজিগ। তবে এই পরাজয়ে মোনাকোর পরের রাউন্ডে খেলার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে।

৫ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-জি’র শীর্ষ দল হিসেবে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে বেসিকতাস। অন্যদিকে সমান ৭ পয়েন্ট করে সংগ্রহ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পোর্তো ও লিপজিগ। দিনের শুরুতে বেসিকতাসের সাথে পোর্তোর ম্যাচটি গোলশুন্য ড্র হয়। মোনাকো ৫ ম্যাচে সংগ্রহ করেছেন মাত্র দুই পয়েন্ট।

লিপজিগ বস রালফ হাসেনহুয়েটেল বলেছেন, আমরা আজকের ম্যাচের ওপর দারুন গুরুত্ব দিয়েছিলাম। আজ ছেলেরা অসাধারন খেলেছে। ঘরের বাইরে আজকে ছিল চ্যাম্পিয়নস লীগে আমাদের সেরা পারফরমেন্স। টিমো ওয়ার্নার আক্রমনভাগে ছিল অপ্রতিরোধ্য।

এদিকে গত বছর ক্লাবকে ফ্রেঞ্চ লীগ শিরোপা এনে দেয়া মোনাকো কোচ লিওনার্দো জারদিম বলেছেন চলতি বছর গ্রুপের ম্যাচগুলোতে ভুলের মাশুল গুনতে হচ্ছে পুরো দলকে। এই ধরনের প্রতিযোগিতার মানের সাথে আমরা খাপ খাওয়াতে পারিনি। ঘরের মাঠে তিনটি পরাজয় ও এ্যাওয়ে ম্যাচে দুটি ড্র, এই ফলাফলে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী মৌসুমে আমাদের আরো শক্তিশালী দল গঠন করতে হবে।

নক আউট পর্বের জন্য সামান্যতম যে সুযোগটুকু ছিল তার জন্য জয় ভিন্ন বিকল্প কিছুই ছিলনা মোনাকোর সামনে। কিন্তু ম্যাচ শুরুর ৬ মিনিটেই ডিফেন্ডার জেমারসনের আত্মঘাতি গোলে লিপজিগ এগিয়ে গেলে ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই অনুমেয় হয়ে পড়ে। তিন মিনিট পরে জেমারসনের দূর্বল পাস থেকে টিমো ওয়ার্নার বল ছিনিয়ে নিয়ে সহজ গোলের ব্যবধান দ্বিগুন করেন। মোনাকোর হয়ে রাদামেল ফ্যালকাও পোস্টের খুব কাছ থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হলে স্বাগতিকদের ম্যাচে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। ৩১ মিনিটে স্পট কিক থেকে ওয়ার্নার নিজের দ্বিতীয় গোল করেন। বিরতির দুই মিনিট আগে রনি লোপেসের ফ্রি-কিক থেকে অবশ্য ফ্যালকাও স্বাগতিকদের আর হতাশ করেননি। ৪৫ মিনিটে নেবি কেইটা লিপজিগের হয়ে চতুর্থ গোলটি করলে মোনাকোর ইউরোপীয়ান স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫