ঢাকা, শুক্রবার,১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আরো খবর

শাম্মী হত্যা : ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ নভেম্বর ২০১৭,বুধবার, ০০:২৮


প্রিন্ট

রাজধানীর কল্যাণপুরে শামিমা লাইলা আরজুমান্না খান শাম্মী হত্যা মামলার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা: সোহেল মাহমুদকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩ ডিসেম্বর তাকে সশরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে। গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মামলার কেস ডকেট পর্যালোচনা করে আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ নভেম্বর শাম্মী হত্যা মামলার তদন্তকর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নওশের আলীকে স্বপ্রণোদিত হয়ে তলব করেন হাইকোর্ট।
আদালতের তলবে গতকাল হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন এসআই নওশের আলী। আদালত তার উদ্দেশে বলেন, যথাযথভাবে তদন্ত করেন না বলেই জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। যার কারণে এ মামলা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এরপর আদালত ৩ ডিসেম্বর এ মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখে নওশের আলীকেও হাইকোর্টে হাজির থাকতে বলেন।
গত ৫ নভেম্বর একটি জাতীয় পত্রিকায় ‘গৃহবধূ শাম্মী হত্যা মামলা মাকে বাবা অনেক কষ্ট দিয়ে মেরেছে : তদন্তকর্মকর্তার গড়িমসির অভিযোগ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। সাথে ছিলেন আইনজীবী মহিউদ্দিন। রাষ্ট্রপে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ। ওই প্রতিবেদনে শাম্মীর ছেলে আরিয়ানের বরাত দিয়ে বলা হয়, শাম্মীর স্বামী অন্য এক নারীকে বিয়ে করে। শাম্মীকে হত্যা করে ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখে।
৭ জুন রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরে ভাড়া বাসায় একটি বায়িং হাউজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মো: আলমগীর হোসেন টিটু তার স্ত্রী শামিমা লাইলা আরজুমান্না খান শাম্মীকে নির্যাতন করে হত্যা করে। পরে চিকিৎসার নামে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ছোট ভাই মো: ফরহাদ হোসেন খান বাবু বাদি হয়ে ৮ জুন মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫