ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

আরো খবর

সরকারকে ৮ বাম দল

গুম অপহরণ খুন সম্পর্কে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ নভেম্বর ২০১৭,বুধবার, ০০:২৮


প্রিন্ট

দেশে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে সিপিবি-বাসদ ও বাম মোর্চা শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ধারাবাহিক গুম-খুন-অপহরণের ঘটনায় জনমনে গভীর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা গুমের জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকেই দায়ী করে আসছেন। তাদের দাবি সত্য হলে তা এক ভয়াবহ বিষয়। তারা গুম-অপহরণ-খুনের ঘটনাবলি সম্পর্কে সরকারের শ্বেতপত্র দাবি করেন।
গতকাল এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোবাশ্বার জামান ও সাংবাদিক উৎপল দাসসহ গুম হওয়া নানা পেশার মানুষ এখনো উদ্ধার হয়নি। সবচেয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার বিষয় হচ্ছে এসব গুমের ঘটনার সাথে সরকারের নানা বাহিনী ও সংস্থার সংশ্লিষ্টতার কথাই বেরিয়ে আসছে। অথচ যাদের দায়িত্ব জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান করা, তারাই যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপহরণ-গুম-খুনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন তাহলে দেশে আইনের সীমা বলে আর কিছু থাকে না। জনগণকে নিরাপদ রাখার পরিবর্তে তারাই যদি জননিরাপত্তা হরণ করে, সন্ত্রাসী ভূমিকায় আবির্ভূত হয় তাহলে বিদ্যমান রাষ্ট্র, সরকার, আইন-আদালত-পুলিশ প্রশাসন প্রভৃতি কোনো কিছুর প্রতিই আর জনগণের আস্থা থাকবে না। কোনো সভ্য, গণতান্ত্রিক ও আইনের সীমার প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেশ ও দেশের মানুষ এই পরিস্থিতি বরদাশত করতে পারে না। তারা বলেন, মাফিয়া-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীও যদি এসব গুম-খুনের সাথে থাকে তাহলে তাদের খুঁজে বের করার দায়িত্বও সরকারেরই।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রচলিত আইনে যেকোনো অপরাধেরই আইনানুগ বিচার, এমনকি সর্বোচ্চ শাস্তিরও বিধান রয়েছে। আইনানুগ পথে না গিয়ে গুম-খুনের এই পন্থা দেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না। নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে মোবাশ্বার জামান ও উৎপল দাসসহ গুম হওয়া সব মানুষকে উদ্ধার ও পরিবারের কাছে ফেরত দিতে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সাথে নেতৃবৃন্দ গুম-খুন-অপহরণ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ জোরদার করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫