ঢাকা, সোমবার,১১ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

২১ নভেম্বর ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৯:০৯


প্রিন্ট
প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মো. শহীদ সিদ্দিকী

প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মো. শহীদ সিদ্দিকী

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও তার সহযোগিরা এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার তিন দিনেও পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।

মেয়েকে উদ্ধারের জন্য মামলা করায় অপহরনের মুল হোতা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি কাওসার আহমেদের মামা ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সহভাপতি মোতালেব মিয়া ও পৌর যুবলীগের সভাপতি ইয়াসিন মিয়া হিরাসহ একদল সন্ত্রাসী প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে মামলার বাদী মো. শহীদ সিদ্দিকী মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

মামলার বাদী শহীদ সিদ্দিকী আজ মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে জানান, তার কন্যা মির্জাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী এবং এবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী।বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে মির্জাপুর বাজারের আকতার হোসেনের ছেলে কাওসার আহমেদ ও তার সহযোগিরা তাকে উত্যক্ত করে আসছিল।

এ নিয়ে তার পরিবারের কাছে বিচারও চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত বখাটে কাওসার ও তার সহযোগিদের কোন বিচার হয়নি। গত ১৯ নভেম্বর রোববার তার কন্যা বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় বখাটে কাওসার ও তার সহযোগিরা রাস্তায় অবরোধ করে অস্ত্রের মুখে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সোমবার শহীদ সিদ্দিকী বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় অপহরণের মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-২৬।

এ দিকে অপহরণের মুল হোতা কাওসার ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় ঘটনার পর থেকেই তার মামা উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. মোতালেব মিয়া এবং পৌর যুবলীগের সভাপতি মো. ইয়াসিন মিয়া হিরা মামলা প্রত্যাহারসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ঐ ছাত্রীর পিতা শহীদ সিদ্দিকী বলে অভিযোগ করেছেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাদীর অভিযোগ ও মামলার পর থেকে অপহৃতকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ সর্বাত্ত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫