ঢাকা, শুক্রবার,১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা

মোবাইল প্রেম, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) সংবাদদাতা

২০ নভেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৪:১৭


প্রিন্ট
মোবাইল প্রেম, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার

মোবাইল প্রেম, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার

মোবাইল প্রেম। তারপর দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিশোরী শিক্ষার্থী।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানায় রোববার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনার মূল অভিযুক্ত দেবাশীষ বাড়ৈ দেবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে।
গত শনিবার রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটেছে।

ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার কুশলা আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি কুশলা গ্রামে।
মামলার বিবরনে জানগেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার কোনের ভিটা গ্রামের দ্বীপ চাঁন বাড়ৈর ছেলে এক সন্তানের জনক দেবাশীষ বাড়ৈর সাথে মোবাইলে প্রায় এক মাস আগে ওই ছাত্রীর পরিচয় ঘটে। দফায় দফায় ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শনিবার সকাল ১০ টায় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার কথা বলে কুশলা গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়।

পরে মোবাইলে প্রেমিকের আহবানে সাড়া দিয়ে ওই ছাত্রী খুলনার কুশলা থেকে গোপালগঞ্জ শহরে আসে। প্রেমিক দোবাশীষ বাড়ৈর সাথে তার গোপালগঞ্জ শহরে দেখা হয়। তারপর তারা দু’জনে একসাথে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরে যায়। সেখানে ঘোরাফেরার পর তারা সন্ধ্যায় লাটেঙ্গা গ্রামে পৌঁছায়।

রাতে লাটেঙ্গা গ্রামের মনির পাগলের আশ্রমে নিয়ে দেবাশীষ ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ওই ছাত্রীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনা স্থলে পৌঁছে দেবাশীষকে আটক করে। স্থানীয়রা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শনিবার রাতেই গ্রামবাসী দেবাশীষ বাড়ৈকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনাস্থল থেকে দেবাশীষকে হাতেনাতে আটক করা হয়। দেবাশীষের আরো দু’ সহযোগী এ সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

কোটালীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত দেবাশীষকে গ্রেফতারের পর অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেবাশীষ ওই ছাত্রীকে পর্যায়ক্রমে দু'জন মিলে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। মেডিকেল করার জন্য ওই ছাত্রীকে সোমবার সকালে গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ বেড জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


বাসস
নাটোরে মা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে যুবক গ্রেফতার
সদর উপজেলার দস্তানাবাদ ফকিরপাড়া গ্রামে রোববার রাতে নিজের মা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক যুবক। এ সময় সে তার বাবাকেও কুপিয়ে জখম করে। অভিযুক্ত আলম সর্দারকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।

নাটোর থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রাত আটটার দিকে দস্তানাবাদ ফকিরপাড়া গ্রামের শাহাদৎ সর্দারের বাড়িতে হৈ চৈ শুনে গ্রামবাসী সেখানে যায়। এ সময় ওই বাড়িতে আলম সর্দারের ছেলে পিএসসি সমাপনী পরীক্ষার্থী আলিফ সর্দার (১১) ও তার দাদী বিলকিস বেগমকে (৪৮) গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার সময় আলমের বাবা সাহাদৎ সর্দার বাড়ির বাইরে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে ঢোকা মাত্র তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে নিজের ছেলে আলম সর্দার। রক্তাক্ত অবস্থায় গ্রামবাসী তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গ্রামবাসী আলম সর্দারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ কাজী মোহাম্মদ আলী রাসেল জানিয়েছেন, শাহাদৎ সর্দারের আঘাত খুবই গুরুতর হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নাটোর সদর থানার ওসি সিকদার মশিউর রহমান বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের মর্গে রাখা নিহতদের লাশের ময়না তদন্ত আজ সম্পন্ন হবে। এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নাটোরের পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, অভিযুক্ত আলম সর্দার নেশাগ্রস্থ বলে এবং পরিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এ নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫