ঢাকা, শনিবার,১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

নাটক

তিনি আর নেই

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৯ নভেম্বর ২০১৭,রবিবার, ১৩:২৮ | আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০১৭,রবিবার, ১৩:৪৯


প্রিন্ট
রীতা কয়রাল

রীতা কয়রাল

ক্যানসার ধরা পড়ার মাত্র দুইমাসের মাথায় চলে গেলেন কলকাতার বাংলা চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রীতা কয়রাল ৷দীর্ঘদিন ধরেই লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি ৷বেশ কিছুদিন হাসপাতালে থাকার পর কিছুদিন আগেই তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মাত্র দু মাস আগেই ক্যানসার ধরা পড়র পর চিকিৎসা চলছিল ৷মাঝে কিছুটা অবস্থার উন্নতিও হয়েছিল বলে জানা যায়।
কিন্তু আজ রোববার সকালে ফের তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা ৷
বাংলা ছবির জগত থেকে ছোট পর্দা,অভিনয় থেকে সঞ্চালনা অথবা নৃত্য, সবেতেই তিনি ছিলেন পারদর্শী। তাঁর অভিনয়ই তাঁকে খুব কম সময়ে এনে দিয়েছিল লাইমলাইটে ৷

ঋতুপর্ণ ঘোষ থেকে অঞ্জন দত্তের মতো পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেন তিনি ৷‘অসুখ’ থেকে ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’, এরকম বহু বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন ৷
তাঁর অভিনীত আরও কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘বড় বউ’, ‘অসুখ, ‘গুন্ডা’, ‘জীবন নিয়ে খেলা’, ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ প্রভৃতি। সাম্প্রতিককালে রাখিবন্ধন ধারাবাহিকেও অন্যতম প্রধান চরিত্রে ছিলেন তিনি৷ যে কোন চরিত্রেই তিনি ছিলেন সাবলীল৷ বহু বছর ধরেই তিনি যুক্ত অভিনয় জগতের সঙ্গে৷

লাইফ সাপোর্টে বারী সিদ্দিকী
খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও বংশীবাদক বারী সিদ্দিকীকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন হলে অচেতন অবস্থায় তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
পরে তাঁকে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর দুটি কিডনি অকার্যকর। তিনি বহুমূত্র রোগেও ভুগছেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। বারী সিদ্দিকী মূলত গ্রামীণ লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক ধারার গান করেন।
আজ শনিবার সকালে বারী সিদ্দিকীর ছেলে সাব্বির সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, গতকাল সন্ধ্যায় তিনি শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে যান। সেখান থেকে রাত ১০টা নাগাদ বাসায় ফেরেন। তখনো তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। কোনো অসুস্থতার কথা বলেননি। গভীর রাতে হঠাৎ তিনি গুরুতর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। মুহূর্তেই অচেতন হয়ে পড়েন।

সাব্বির সিদ্দিকী জানান, বছর দুয়েক যাবৎ তার বাবা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। গত বছর থেকে সপ্তাহে তিন দিন কিডনির ডায়ালাইসিস করছেন তিনি। বারী সিদ্দিকীর অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকেরা কোনো আশার কথা বলতে পারছেন না। তিনি বারী সিদ্দিকীর জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
দীর্ঘদিন সংগীতের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সবার কাছে বারী সিদ্দিকী শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান ১৯৯৯ সালে। ওই বছর হ‌ুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি মুক্তি পায়।

এই ছবিতে তিনি ছয়টি গান গেয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয় হওয়া গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘শুয়াচান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘ওলো ভাবিজান নাউ বাওয়া’, ‘মানুষ ধরো মানুষ ভজো’। এরপর তিনি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন। তাঁর গাওয়া গান নিয়ে বেরিয়েছে অডিও অ্যালবাম।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫