ঢাকা, শনিবার,১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

নগর মহানগর

কর ফাঁকির অভিযোগ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছে গ্রামীণফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ নভেম্বর ২০১৭,রবিবার, ০০:৫১


প্রিন্ট

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ-ভ্যাট) প্রেরিত একটি অভ্যন্তরীণ পত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে যে কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছে গ্রামীণফোন। ওই চিঠিতে দুই হাজার ১৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার অপরিশোধিত ভ্যাট এবং বিধিবহির্ভূত কর রেয়াত গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়।
এ ব্যাপারে গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি বলেন, ‘গ্রামীণফোন বাংলাদেশের বৃহত্তম করদাতা। গত পাঁচ বছরে আমরা কর এবং বিভিন্ন ফি হিসেবে সরকারি কোষাগারে ৩০ হাজার ৪০ কোটি টাকা জমা দিয়েছি। আমি সংবাদমাধ্যমে দেখেছি এলটিইউ-ভ্যাট, বিএসইসির কাছে লেখা চিঠিতে নির্দিষ্ট কিছু মামলার কথা উল্লেখ করেছে। আমি আবারো উল্লেখ করতে চাই, উক্ত মামলাসমূহ বিভিন্ন বিচারিক আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও আমরা এনবিআর, এলটিইউ ভ্যাট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে এগুলো সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। এ ছাড়া আমরা অব্যাহতভাবে প্রতিটি মামলা পর্যালোচনা করছি এবং আইএফআরএস ও বিএফআরএস-সহ সব আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় হিসাবরণ মান অনুসরণ করে আমাদের অ্যাকাউন্টসে প্রয়োজনীয় প্রভিশন গ্রহণ করি। অন্য যেকোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মতো বিভিন্ন সময়ে কর কর্তৃপরে সাথে আমাদের মতানৈক্য হতে পারে। এসব েেত্র আদালতই মতানৈক্য দূর করার যথাযথ কর্তৃপ এবং আমরা চূড়ান্ত রায় মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি বলেন, ‘এলটিইউ-ভ্যাট যে মামলাগুলোর উল্লেখ করেছে তার মোট অর্থের পরিমাণ গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশ সরকারকে প্রদত্ত অর্থের ৬.৭% মাত্র। কিন্তু এই অর্থের পরিমাণ অল্প নয় এবং আমাদের এসব বিরোধপূর্ণ দাবির বৈধতার বিষয়ে আইনগত সমাধান প্রয়োজন। কারণ, শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রার বিষয়ে আমাদের গভীর দায়িত্ববোধ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি গ্রামীণফোন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা এই মামলাগুলোর ন্যায্য ও স্বচ্ছ সমাধান চাই।’

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫