তুষার সাদা হয় যেভাবে

ইমরুল হাসান  

তুষার হলো জমানো পানি যা বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প জমে সৃষ্টি হয়। জলীয়বাষ্প জমার পর তা স্বচ্ছ কাচের টুকরার মতো মনে হয়। বাতাসের প্রবাহে এই টুকরাগুলো বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। যতই টুকরাগুলো উপর-নিচে প্রবাহিত হয় ততই বেশি টুকরা তৈরি করতে পারে। আর তুষারের টুকরাগুলো যত বড় হয়, তত হালকা হতে থাকে। এক সময় তুলার মতো মাটির দিকে নেমে আসে।
পাখির পালক বা তুলার মতো তুষারের টুকরাগুলো বিভিন্ন আকারের হলেও ষড়ভুজ আকারের তুষারের টুকরাগুলো অনেক মসৃণ হয়। মাঝে মধ্যে সুঁচের আকার, আবার কখনো তারার আকারেরও হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার প্রতিটি তুষার কণার আকার একটা থেকে আরেকটা আলাদা হয়। এগুলো যখন মাটিতে পড়ে তখন সূর্যের আলোর প্রভাবে বিভিন্ন আকারের দেখা যায়। আর সূর্যের আলো বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রতিফলিত হওয়ার জন্য তুষার টুকরাগুলো সাদা দেখায়।
বাজারে যে বরফ বিক্রি হয় তা তৈরি করতে হয় অনেক পানি দিয়ে। যার ফলে এর আলো প্রতিফলনের প্রকৃতি হয় ভিন্ন ধরনের। এ জন্য বাজারের বরফ বর্ণহীন ও স্বচ্ছ মনে হয়।
পাথরের ওপরে বা নদীতে তুষার বেশি দেখা যায়, এ ছাড়া শীতপ্রধান দেশেও দেখা যায়। প্রচণ্ড শীতের মাসগুলোতে তুষার মাটিকে আলাদা করে রাখে। সূর্য তাপের ৯৫ শতাংশ প্রতিফলন তুষারের জন্য শূন্যে মিলে যায়। এ জন্য শীতের সময় রাতের তাপমাত্রা অনেক কম থাকে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.