সেমিনারে বিশেষজ্ঞদের অভিমত

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না এবং এন্টিবায়োটিক কিনতে হলে ফুল কোর্সই কিনতে হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা বিষয়ক এক সেমিনারে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ সোমবার মহাখালী ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: মোস্তাফিজুর রহমান।

বিশেষজ্ঞ মতামত দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি, আইসিডিডিআরবি, নিপসম, বিএসএমএমইউ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর, বিসিপিএস, বিএমডিসি, স্বাস্থ্য অধিদফতরর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাংলাদেশের জন্য কি পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক বার্ষিক প্রয়োজন হয় এর একটি পরিসংখ্যান প্রয়োজন। সে অনুপাতে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসূহ কি পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন করে এরও একটি পরিসংখ্যান নির্ণয় করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ অনুযায়ী প্যাকেট সাইজ করা এবং এ বিষয়ে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে নির্দেশনা দেয়া উচিত। একই সাথে প্রতিটি ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্রার চালু করা এবং সেটি সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না তাও বিষয়টি মনিটরিং করা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, পূর্ণ কোর্স অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে সচেতনতা সৃষ্টি করা উচিত সংশ্লিষ্টদের।

তারা বলেন, ‘ভেটেরিনারি (পশুর জন্য) প্রিমিক্সে এ অ্যান্টিবায়োটিক মেশানো যাবে না’ এ ব্যাপারে রেগুলেশন জোরদার করা এবং প্রচারণা চালাতে হবে। নিজে নিজে ওষুধ কেনা ও ব্যবহার বন্ধে আইন করতে হবে। এন্টিবায়োটিকের প্যাকেটের গায়ে লিখতে হবে ‘অ্যান্টিবায়োটিকের ফুল কোর্স সম্পন্ন করুন। তা না হলে আপনার ক্ষতি হতে পারে।’ এ ব্যাপারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.