ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৩ নভেম্বর ২০১৭

বিবিধ

চারদফা দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছেন হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ নভেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৮:৩৪


প্রিন্ট

চারদফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে আন্দোলনে যাচ্ছেন হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন। দাবির মধ্যে রয়েছে, বেতন স্কেলসহ টেকনিক্যাল পদমর্যাদা, মূল বেতনের ৩০% মাঠ-ভ্রমণ ভাতা ও ঝুকি ভাতা, প্রতি ছয় হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে একজন স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ প্রদানের নিশ্চিত ও ১০% পোষ্য কোটা প্রর্বতন করা।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আজ সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেন, স্বাস্থ্য সহকারীরা শিশু ও মাতৃ মৃত্যু হ্রাস, যক্ষ্মা, ধনুষ্টংকার, ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ, সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ, অন্ধত্ব দূরীকরণসহ তৃণমূল পর্যায়ে সফল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়া গুটি বসন্ত, পোলিও নির্মূল তথা পোলিওমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতের বৃহৎ কর্মসূচি এমআর ক্যাম্পেইন সফলভাবে সমাপ্ত করেছে। তাদের ইপিআই কার্যক্রমের ফলে দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার ১২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন এবং বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালুতে সরকারি নির্দেশে স্থান নির্বাচন, স্থানীয় জনগণ হতে বিনামূল্যে জমিদানে উদ্ধুদ্ধকরণ, নির্মাণ তদারকিসহ স্বাস্থ্য সহকারীরা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে বর্তমান সরকারের সফল ও স্বার্থক উদ্যোগ কমিউনিটি ক্লিনিককে গ্রামীণ জনগণের দোর গোড়ায় সহজলভ্য সেবার মডেল কর্মসূচিতে পরিণত করেছে। যার ফলে কম খরচে অধিক সেবা প্রাপ্তির মডেল দেশে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে।

তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজের সফলতা শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজের ফসল হিসাবে প্রধানমন্ত্রী এমডিজি, সাউথ সাউথ পুরস্কার, গ্যাভি কর্তৃক শ্রেষ্ঠ টিকাদানকারী দেশের স্বীকৃতি অর্জন, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার টিকাদানে শ্রেষ্ঠত্ব এবং পোলিওমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে জাইকা কর্তৃক পুরস্কার প্রাপ্তিতে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও দেশী বিশেষজ্ঞদের মতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজগুলো টেকনিক্যালধর্মী হলেও দীর্ঘদিন থেকে স্বাস্থ্য সহকারীরা টেকনিক্যাল পদমর্যাদার দাবি করে এলেও সরকার তা বাস্তবায়ন না করায় পদমর্যাদাসহ চরম বেতন বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। এজন্য তারা স্বাস্থ্য সহকারীদের বেতন স্কেলসহ টেকনিক্যাল পদমর্যাদা, মূল বেতনের ৩০% মাঠ ভাতা, ঝুকি ভাতা ও ভ্রমণ ভাতা, প্রতি ছয় হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে একজন স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ প্রদানের নিশ্চিত ও ১০% পোষ্য কোটা প্রর্বতন করাসহ চার দফা দাবি চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের দাবি জানান। তা না করা হলে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ইপিআইসহ সব কার্যক্রম বাস্তাবায়ন বন্ধের ঘোষণা দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এনায়েত রাব্বির লিটনসহ সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল ওয়ারেশ পাশা পলাশ, সাধারণ সম্পাদক মো. জাকারিয়া হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর নবীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫