ঢাকা, শুক্রবার,২৪ নভেম্বর ২০১৭

খুলনা

চৌগাছায় স্বাস্থ্য কর্মী খুন

এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর) সংবাদদাতা

১৩ নভেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১১:০৯


প্রিন্ট

যশোরের চৌগাছায় পাওনা টাকা লেনদেনের জেরে ইয়াছির আরাফাত পলাশ (৩৫) নামে এক স্বাস্থ্য কর্মী খুন হয়েছে। পলাশ উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মী ও হাকিমপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। এ হত্যা মামলায় আটক মানিক কুমার দাস ওরফে সন্যাসী আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি প্রদান করেছেন। জবানবন্দিতে তিনি আদালতকে বলেছেন, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিধান নামে এক ব্যক্তি তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন।
রোবাবার আদালত আসামির এই জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। জবানবন্দিতে মানিক কুমার দাস বলেছেন, গত ২ নভেম্বর সকালে বিধান তাকে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে আসেন।

কিন্তু পথে এসে তিনি (বিধান) জানান, ইয়াছির আরাফাত পলাশের কাছে ডিস লাইনের কাজের টাকা পাবেন। এ জন্য তার অফিসে যেতে হবে। এরপর অফিসের কাছাকাছি পৌঁছালে পলাশের সাথে তাদের দেখা হয়। এ সময় পলাশ টাকা নিতে বিধানকে সোমবার আসতে বলে অফিসে চলে যান।
এরই মধ্যে বিধান তাকে (মানিককে) জোর করে পলাশের অফিসে নিয়ে যান। সেখানে বেশ কিছু সময় অবস্থানের পর বিধান কোমর থেকে একটি হাতুড়ি বের করে পলাশের মাথায় আঘাত করেন। এ সময় পলাশ পড়ে গেলে তাকে টেনে অফিসের একটি কক্ষের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন বিধান। পলাশকে হত্যা করে বিধান তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও মোটরসাইকেল নিয়ে চলে আসেন। পরে মানিব্যাগ বিধান তাকে (মানিককে) দেন। আর মোটরসাকেল ও মোবাইল ফোন সেট বিধান নিয়ে যান।

উল্লেখ্য, গত ২ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার যাত্রাপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের ভেতর থেকে মৃত অস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে নিহতের পিতা শাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বিধানসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে চৌগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মানিক কুমারকে আটক করে।

তার স্বীকারোক্তিতে নিহত পলাশের মানিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। রোববার মানিককে আদালতে সোপর্দ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় মানিক কুমার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫