হবিগঞ্জে হামলায় এমপি কেয়া চৌধুরী আহত

এম এ মজিদ, হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুরে হামলায় আহত হয়েছেন সরকার দলীয় সংরক্ষিত মহিলা এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। বাহুবল উপজেলা যুবলীগ সেক্রেটারী ও সদ্য উপ নির্বাচনে উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়া তারা মিয়া ও তার লোকজন এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক পথ সভায় বক্তব্য রাখেন এমপি কেয়া চৌধুরী। প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যের পুরোটা জুড়ে তিনি বক্তব্য দেন। এসময় তিনি যুবলী সেক্রেটারীর নেতৃত্বে হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, তার পিতা মরহুম কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরী সম্পর্কে, তার জন্মযাত্রী মাতা সম্পর্কে যুবলীগ সেক্রেটারীর অশালীন বক্তব্যের তিনি তীব্র নিন্দা জানান।

একই সাথে তিনি বলেন- আমি সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করছি। আমাকে তারা এলাকা ছাড়া করতে চায়। আপনারা সাথে থাকলে আমি বারবার এলাকায় আসব। এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। কান্না জড়িত কন্ঠে বক্তব্য দিতে দিতে তিনি অনেকটা সঙ্গাহীন হয়ে পড়েন। দ্রুত বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর ছড়িয়ে পড়ে এমপি কেয়া চৌধুরী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাহুবল এলাকায়। 

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান রাসেল জানান, মিরপুরের বেদে পল্লীতে সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে সংসদ সদস্যের একটি অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়ার লোকজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে একটি ছেলে মোবাইলে ছবি ধারণ করছিল। এ সময় সংসদ সদস্যের লোকজন তার মোবাইল ফোন নিয়ে নেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ উত্তেজিত হয়ে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
এ ব্যাপারে নারী সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার মিরপুরে সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান ছিল আমার। অনুষ্ঠান চলাকালে ভাইস চেয়ারম্যান তারা মিয়ার লোকজন অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.