ঢাকা, রবিবার,১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

প্রিয়জন

বিচিত্র খবর

শ্রাবণী মুকুল

১১ নভেম্বর ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

প্রকৃতিতে কত না অজানা আর অবাক করা বিষয় বিরাজমান। এর কোনোটা শুনে আমরা চোখ কপালে তুলে ফেলি! আবার কোনোটা দেখে হা হয়ে যাই। এরকমই কিছু অবাক করা ও মজার বিষয় থাকছে ঝিঁঝিঁ পোকা আর হ্যাগ ফিশকে নিয়ে।
ঝিঁঝিঁ পোকা
সূর্যের আলোতে প্রাণিকুল বেঁচে থাকার রসদ পায়। আর এই প্রাণিকুলের অনেক প্রাণী আছে যারা সূর্যের আলোতে এসে জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটায়। পাতালপুরির গল্প শুনতে কে না ভালো বাসে। পাতালপুরির এক ঘুমন্ত প্রাণীর গল্প হবে আজ। এমনি এক প্রাণীর নাম সিডাকা। আমরা যাকে ঝিঁঝিঁ পোকা নামে চিনে থাকি। পৃথিবীতে প্রায় ৮০০ প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা আছে। এর মধ্যে ১০০ প্রজাতি ঝিঁঝিঁ পোকা থাকে উত্তর আমেরিকায়। বেশির ভাগ পতঙ্গ গড়ে দুই বছর বাঁচে। এরা বাঁচে প্রায় ১৭ বছর। অবাক করা বিষয় হলো এই ১৭ বছর জীবনে তারা মাটির নিচে নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে কাটায়। মাত্র পাঁচ সপ্তাহের জন্য এরা আনন্দ করতে বাইরে আসে। আর বাইরে এসে সূর্যের আলোতে প্রথমে এরা শরীরের খোলস ছাড়ে এবং পাঁচ সপ্তাহ পরে এরা মারা যায়।
হ্যাগ ফিশ
আমাদের মতো অনেক প্রাণীরই চোয়াল ভর্তি দাঁত থাকে। কিন্তু আশ্চর্য এক সামুদ্রিক প্রাণী হলো হ্যাগ ফিশ। এদের দাঁতগুলো চোয়ালে নয় সাজানো থাকে এদের জিহ্বায়। আদিম প্রজাতির মাছ এটি। দেখতে অনেকটা ইল বা বাইন মাছের মতো। লম্বায় ১৮ থেকে ৩২ ইঞ্চি শরীর ঝিল্লি দ্বারা আবৃত। সহজে মারা যায় না। প্রতিকূল পরিবেশে কোনো প্রকারের খাবার না খেয়েই এরা প্রায় এক মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এদের ঘ্রাণশক্তি এবং অনুভূতি শক্তি খুবই প্রবল। সাগরের ১৮০০ মিটার গভীরে এরা বাস করে। মজার ব্যাপার হলো, এরা শত্রুর উপস্থিতি টের পেলে শরীরের বিশেষ গ্রন্থি থেকে বিশেষ এক আঁঠালো পদার্থ নিজের চার দিকে ছড়িয়ে স্বচ্ছ আবরণ সৃষ্টি করে রাখে। শত্রুপক্ষ তাতে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে ফেরত যায়।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫