ঢাকা, শনিবার,১৮ নভেম্বর ২০১৭

তুরস্ক

সাইপ্রাস জয়ে পশ্চিমাদের এক বাহু বিচ্ছিন্ন করেছে তুরস্ক

গ্রিকরিপোর্টার ডটকম

১০ নভেম্বর ২০১৭,শুক্রবার, ০৬:২৯


প্রিন্ট
সাইপ্রাস জয়ে পশ্চিমাদের এক বাহু বিচ্ছিন্ন করেছে তুরস্ক

সাইপ্রাস জয়ে পশ্চিমাদের এক বাহু বিচ্ছিন্ন করেছে তুরস্ক

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বলেছেন, সাইপ্রাস জয়ের মাধ্যমে আমরা পশ্চিমাদের এক বাহু বিচ্ছিন্ন করে তাদের প্রতারণার জবাব দিয়েছিলাম। বুধবার তুর্কি পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে এরদোগান এ কথা বলেন।


পশ্চিমা শক্তিকে প্রতারণাপূর্ণ ও কপটাচারী বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমা শক্তি প্রতারণায় পরিপূর্ণ এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে তারা ক্রমাগত তুরস্কের ওপর নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং তুরস্কের বিরুদ্ধে বারবার তারা ভুল পদপে নিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘তবে এই সমস্যাগুলো তুরস্ক অবশ্যই কাটিয়ে উঠতে সম হবে।’


লিপানতো বা নফপাকটাস যুদ্ধের দুই বছর পরে ১৫৭৩ সালে ভেনিসের রাষ্ট্রদূতের কাছে লেখা সুকুলো মোহম্মদ পাশার চিঠির এক বাণী উদ্ধৃতি করে এরদোগান বলেন, ‘লিপানতোকে পরাজিত করার মাধ্যমে আমাদের নৌবাহিনী সাইপ্রাস জয় করেছিল। সাইপ্রাস জয়ের মাধ্যমে আমরা পশ্চিমাদের এক বাহু বিচ্ছিন্ন করেছিলাম। পান্তরে তারা কেবল আমাদের একটি লোম কাটতে পেরেছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘যাই হোক, পশ্চিমারা জানে যে, একটি বাহু একবার কাটা হলে তা আর প্রতিস্থাপন করা যাবে না; কিন্তু লোম যত বেশি কাটা হবে তা তত বেশি ঘন হবে।’
নফপাকটাস বা লিপানতোর যুদ্ধ পশ্চিম গ্রিস শহরের ভেনিসীয় নাম ছিল। ১৫৭১ সালের ৭ অক্টোবর এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ভেনিস সাম্রাজ্য ও স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের নৌবহর ওসমানি সালতানাতের নৌবহরের কাছে শোচনীয় পরাজয় বরণ করে। পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে এরদোগান তুরস্কের সব রাজ্য থেকে সন্ত্রাসবাদী ফতহুল্লাহ সংগঠনের (ফেটো) সদস্যদের যাবতীয় প্রতিষ্ঠান নিমূলের অঙ্গীকার করেন।


তিনি বলেন, ‘আইনের সীমার মধ্য থেকে মতাসীন একে পার্টি প্রয়োজনীয় সব কিছুই করবে। এতে আমরা পিছ পা হবো না।’ এরদোগান বলেন, ‘আমরা তাদের রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের প্রক্রিয়া মুছে ফেলব, আমরা এটি পুরোপুরি নির্মূল করব। তাদেরকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া ছাড়া আমাদের রাষ্ট্র ভালোভাবে কাজ করবে না।’

স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট ব্যবস্থা চালু করতে পারে স্পেন

বিবিসি

ভবিষ্যতে আঞ্চলিক স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠান করতে দেয়ার ব্যবস্থা চালু করতে পারে স্পেন। এ ল্েয সাংবিধানিক পরিবর্তন আনার কথা ভেবে দেখা হচ্ছে। এ কথা জানিয়েছেন স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলফনসো দাস্তিস।
তিনি বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী একটি ভোট আয়োজন করা হতে পারে।


কাতালোনিয়া সঙ্কটের প্রোপটে স্পেন সরকার নতুন ওই উদ্যোগ নেয়ার কথা বিবেচনা করে দেখছে। কাতালোনিয়া একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করায় স্পেন সেখানকার আঞ্চলিক সরকারকে বরখাস্ত করে সরাসরি মাদ্রিদের শাসন চালুর পদপে নেয়। স্পেনের সাংবিধানিক আদালত কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণাকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে রায় দিয়ে সেটি বাতিল করে। কাতালান নেতা কার্লোস পুয়েজমন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়। সাবেক আঞ্চলিক নেতাদের আটকের প্রতিবাদে কাতালোনিয়ায় স্বাধীনতাপন্থীদের বিােভও হয়েছে। ঘনীভূত হয়েছে সঙ্কট। এ পরিস্থিতির মধ্যে স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাস্তিস বলেছেন, ‘কাতালোনিয়ার কিছু মানুষের আশা-আকাক্সার মূল্য দেয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে সংবিধান পরিবর্তনের পথ খোঁজার জন্য আমরা একটি পার্লামেন্টারি কমিটি গঠন করেছি।’


তিনি আরো বলেন, ‘এখানে একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যেদিকে দৃষ্টি দেয়া দরকার বলে আমরা স্বীকার করি। কিন্তু যেকোনো কিছুর েেত্রই সিদ্ধান্তটি যেসব স্পেনীয়র কাছ থেকেই আসতে হবে সেটি পরিষ্কার।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ভাষ্য কাতালোনিয়ায় বিােভ করে আসা বিচ্ছিন্নতার পরে মানুষদের প্রতি শান্তি বার্তার নিদর্শন জলপাই শাখা বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি যে কথা বলেছেন তাতে করে স্পেনের সংবিধান পরিবর্তন করতে সম্ভাব্য গণভোটের প্রস্তাবের ইঙ্গিত ছাড়াও এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার জন্য বৈধভাবে গণভোট করার সম্ভাবনাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫