জাল সনদে চাকরি : বিকেএসপির ৭ কোচের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) কোচ হতে জাল সনদ ব্যবহার করায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার কমিশন সাত কোচের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে তারা হলেন- বিকেএসপির প্রধান শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলী, আরচারির মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, ফুটবলের মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন ওরফে রানা, জুডোর মো. আবু বকর সিদ্দিক, জিমন্যাস্টিকসের কাজী আকরাম আলী এবং বক্সিংয়ের মো. আবু সুফিয়ান ও মো. জহির উদ্দিন।

দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, তারা কোচ হিসেবে যোগদানের সময় বিকেএসপিতে সর্বোচ্চ যে সনদ দাখিল করেছেন দুদকের অনুসন্ধানে সেগুলো জাল হিসেবে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, শ্যুটিং কোচ সৈয়দ আসবাব আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসসি পাসের জাল সনদ খাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে কোচ পদে ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগ দেন। দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তিনি ইস্তফা নেন বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়।

অপরদিকে মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বিএসএস (সম্মান) জাল সনদ দেখিয়ে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি বিকেএসপির আরচারি কোচ হিসেবে যোগ দিয়ে ওই বছরের ১১ মে ইস্তফা নেন।

ফুটবল কোচ মোহাম্মদ মাকসুদুল আমিন ওরফে রানা বিএ পাসের জাল সনদ দিয়ে ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি যোগ দেন। তিনি এখনও চাকরিতে বহাল রয়েছেন।

আবু বকর ছিদ্দিকও বিএ (অনার্স) পাসের জাল সনদ দেখিয়ে ২০১১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর চাকরিতে যোগ দিয়ে এখনও বহাল আছেন।

আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএ (সম্মান) পাসের জাল সনদ ব্যবহার করে ১৯৯৯ সালের ৪ জুলাই চাকরিতে যোগ দেন। তিনি এখনও চাকরিতে বহাল আছেন।

কাজী আকরাম আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জাল বিএসএস সনদ ব্যবহার করে ১৯৯৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যোগ দেন। এরপর দুদকের অনুসন্ধানের সময় গত বছরের ১২ জুন চাকরি থেকে ইস্তফা নেন।

জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিএসসি (সম্মান) জাল সনদ ব্যবহার করে ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি যোগ দিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইস্তফা নেন। তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করা হবে বলে সূত্র জানায়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.