ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৬ এপ্রিল ২০১৮

উপসম্পাদকীয়

‘জেনারেলদের’ জয়

জসিম উদ্দিন

০৮ নভেম্বর ২০১৭,বুধবার, ১৭:৫২


জসিম উদ্দিন

জসিম উদ্দিন

প্রিন্ট

গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাদের আগ্রহ ও সক্রিয়তা বাড়িয়েছে বলে দৃশ্যমান হচ্ছে। তারা দাবি করছে, রোববার পর্যন্ত এই সঙ্কট সমাধানে ৩১ বার উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও জাতিসঙ্ঘে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া ভাষণে রোহিঙ্গা বিষয়ে কোনো বক্তব্য স্থান পায়নি। অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে ট্রাম্পের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলেও তিনি কোনো আগ্রহ দেখাননি। চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের সাথে অংশীদারি সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানাচ্ছেন মিয়ানমারের বিচার নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে হবে। অপরাধীদের যদি বিচার করা না হয়,’ তাহলে এর পরিণতিতে আরো অপরাধ সংঘটিত হয়। বিচার না করে কিভাবে অপরাধের অপনোদন হবে এ বিষয়টি অন্যদের মতো যুক্তরাষ্ট্রও গুরুত্ব দিচ্ছে না। সমস্যা সমাধানের কোনো লক্ষণ আপাতত দৃশ্যমান হচ্ছে না। গণহত্যা ধর্ষণ শরণার্থীদের ঢল এখনো অব্যাহত রয়েছে। 

মানুষ হত্যা ও ধর্ষণের সাথে যারা জড়িত সুনির্দিষ্টভাবে যার প্রমাণ রয়েছে তাদের বিচারের বিষয়টি কোনোভাবে কি পৃথিবীর সভ্য মানুষেরা এড়িয়ে যেতে পারে? এ ধরনের অপরাধের হোতারা যদি নির্দোষ হিসেবে পার পেয়ে যায় পরে অন্য কেউ যদি একই অপরাধ করে বসে তাদের বিচার চাওয়ার কোনো অধিকার কি সভ্য পৃথিবীবাসীর থাকবে? আমরা দেখেছি মানবতা লঙ্ঘনের এমন ভয়াবহ অপরাধ না করেও অনেক জাতি ও তাদের নেতাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তাহলে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালিয়ে মিয়ানমারের কুখ্যাত জেনারেলরা কেন দায়মুক্তি পাবে?
নতুন করে সক্রিয় হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান চীন ভারত ও রাশিয়া থেকে খুব একটা আলাদা কিছু নয়। এই অপরাধীদের মিয়ানমার নিজে বিচার করবে আপাতত তা ধারণা করাও বোকামি। বার্মিজ সেনাবাহিনীর অব্যাহত খুন গুম ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে দেশটির অভ্যন্তর থেকে কোনো ধরনের প্রতিবাদ ওঠেনি। মানবতাবিরোধী এমন নারকীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেখানে বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী কিংবা সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো টুঁ শব্দ নেই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন কোনো জনগোষ্ঠী মিয়ানমারে রয়েছে, তা দৃশ্যমান হয়নি। সংবেদনশীল সভ্য কোনো মানুষ মিয়ানমারে রয়েছে কি না, সে প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক। নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া সবচেয়ে ভালো মানুষটি হচ্ছেন সু চি। তিনি বরং এমন ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে চলেছেন। আগামী কয়েক শতকে এই জেনারেলদের বিরুদ্ধে কোনো বিচারের আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। এই ক্ষেত্রে আশঙ্কা থেকেই যায় এই অসভ্য অন্যায়কারী গোষ্ঠী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অমানবিক যেকোনো আচরণ করতে সামনে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। সে ব্যাপারে বাংলাদেশের কোনো ধরনের সচেতনতা আছে বলে মনে হয় না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চপর্যায়ে কর্মকর্তাদের মিয়ানমারে সফরের মধ্যেই রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে। এর আগে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় প্রায় সব দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক দায়িত্বশীল সংগঠনগুলোর নেতারা দুর্দশাকবলিত এলাকা ও রোহিঙ্গাদের পরিদর্শনের মধ্যেই তাদের জঘন্য পৈশাচিকতা চলছে। এখনো থেমে থেমে তাদের নারকীয় অভিযান চলছে। প্রতিদিন না হলেও কয়েক দিন পর পর হাজার হাজার রোহিঙ্গা প্রাণভয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকছে। যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ ও সক্রিয়তা রোহিঙ্গাদের জন্য কোনো উপকার এনে দেয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

বার্মিজ জেনারেলদের আচরণের সাথে মাস্তান ও সন্ত্রাসীদের আচরণের মিল রয়েছে। মিয়ানমারের জেনারেলদের আচরণ তাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও বিশ্বসম্প্রদায়ের সাথে এক ধরনের মাস্তানি। তবে এই মাস্তানির ভয়াবহ দিকটি হচ্ছে এর মাধ্যমে তারা একটি জাতিগোষ্ঠীকে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে। সে জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের ওপর খুন জখম হত্যা ও ধর্ষণ চালিয়ে তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করে দিচ্ছে।

এটা চলেছে কয়েক দশক ধরে। অর্থাৎ এই মাস্তানি বাংলাদেশের মাস্তানদের একটি প্রতিষ্ঠানে কয়েক মিনিটের কার্যক্রম নয়। এটা বিশ্ববাসীর বিরুদ্ধে করা একটি বড় অপরাধ তারা চালাচ্ছে বছরের পর বছর। এর মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষকে তারা হত্যা করেছে, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ করেছে। এ যাবৎ রাখাইন থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১৫ লাখের কম হবে না। দশ লাখের মতো বাংলাদেশে অবস্থান নিয়েছে, বাকিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদ্বাস্তু হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এরা কারো অনুরোধ আপত্তি চোখ রাঙানিকে পরোয়া করছে না। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যখন বলছে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয় কিংবা কোনো বিচার নয়, সঙ্কটের সমাধান করা হবে। এর ফলাফল কী হবে অনুমান করা যায়। কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার একটা পুরনো নাটক বড়জোর মঞ্চস্থ হতে পারে। এরপর আগের মতো মাস্তানি তারা চালিয়ে যাবে। কারণ এই মাস্তানদের ওপর ওপরওয়ালাদের একধরনের ব্লেসিং রয়েছে।

এমন মাস্তানির ট্রিটমেন্ট সহজে হয়ে যেত, যদি রোহিঙ্গা না হয়ে এই নৃগোষ্ঠীর নাম তিমুর হতো। এর প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া কিংবা যুক্তরাষ্ট্র হতো। আর তারা ইংলিশ বা রাশিয়ান বংশোদ্ভূত হতো। তার ওপর তাদের একটা শক্তিশালী ধর্মীয় পরিচয় থাকত। আমরা দেখেছি পূর্ব তিমুরে জাতিসঙ্ঘ কিভাবে সক্রিয় হয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদে নেয়া তখনকার উদ্যাগে কেউ দ্বিমত করেনি। রাশিয়ার অস্ত্র বিক্রি আর চীনের বাণিজ্যপথ ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের কোনো প্রসঙ্গ সেখানে ছিল না। তার ওপর তাদের ধর্মীয় পরিচয় মুসলিম ছিল না, বরং প্রতিপক্ষে যারা ছিল তারা মুসলিম। ইন্দোনেশীয় মানুষের ধর্মীয় পরিচিতি তাই খ্রিষ্টান পরিচয়ের তিমুরবাসীর জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। ফলে তিমুরীদের স্বাধীনতা পাওয়ার গতি ছিল অত্যন্ত দ্রুত। রোহিঙ্গা নিপীড়নের সাথে ফিলিস্তিনি নিষ্পেষণের মিল পাওয়া যায়। ফিলিস্তিনি নিপীড়ক পক্ষ সরাসরি ইসরাইল। রোহিঙ্গাদের নিপীড়নেও ইসরাইল রয়েছে, তবে পরোক্ষভাবে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে গণহত্যা ও গণউৎখাতের কৌশল শিখিয়েছে তারা। একইভাবে এ ধরনের নারকীয় অপারেশন চালানোর অস্ত্র সরবরাহও তারা করেছে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে।

রোহিঙ্গা নিধন কেইসটি ব্যবসার উপলক্ষ হয়ে গেছে। নেতৃস্থানীয় দেশগুলো ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়া খেতে তৎপর। আলুপোড়া খাওয়ার উৎসবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে থাকতে চায় না। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যা সংগঠনের অপরাধ হিসেবে কেউ এটাকে দেখতে চায় না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাই বিচারের কোনো আয়োজন নেই। আয়োজন আছে কসাইদের সাথে সমঝোতা উদ্যোগের। চীন জোরাজুরি করছে দ্বিপক্ষীয় সমাধানের জন্য। এ জন্য তারা বাংলাদেশের প্রতি বারবার অনুরোধ করে। তারা অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করে। বাস্তবতা হচ্ছে প্রতিদিন অবস্থার অবনতির খবর পাওয়া যায়। চীনের অবস্থান মিয়ানমারের সামরিক জেনারেলদের সমান্তরাল হয়ে যায়।

যুক্তরাষ্ট্র যেই লাইনে অগ্রসর হতে চাইছে সেটা গণতন্ত্র লাইন। অর্থাৎ সু চি না বাঁচলে গণতন্ত্র থাকবে না। সুতরাং শিশু গণতন্ত্র সর্বোচ্চ গুরুত্ব থাকবে। ভারতের পছন্দও একই। যদিও দেশটির সামরিক নেতৃত্বের করুণা পাওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে ভারতকে। মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক নেতাকে ভারত নিজের দেশে লালগালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা চীনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে। নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে ঠিকই চীন মিয়ানমারের সামরিক নেতাদের পিঠ বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সবার আগে ব্যবসায়। সেটা রক্ষা হওয়ার পর রোহিঙ্গা নামক জনগোষ্ঠীর বাঁচার অধিকার যদি সংরক্ষণ করা যায় তবে সেটা হবে। চীন ও রাশিয়া গণহত্যা ধর্ষণকারীদের সরাসরি পক্ষ অবলম্বন করছে। পশ্চিমারা উদ্বিগ্ন তাদের পছন্দের নেত্রী অং সান সু চিকে বাঁচাতে। তারা মনে করে গণতন্ত্রকে বাঁচানোর একটি মাত্র উপায় তাকে ক্ষমতার বৃত্তে প্রাসঙ্গিক করে রাখা। তার বেঁচে থাকার মাধ্যমে দেশটিতে পশ্চিমা অর্থনৈতিক স্বার্থও রক্ষিত হবে।

হালুয়া রুটির ভাগাভাগি কেউ ছাড়তে চায় না। ফলে রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকার অধিকার লুণ্ঠিত হয়েছে। কঠিন এক চিপায় আটক পড়েছে স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ। মাস্তানকে সামাল দেয়ার জন্য শক্তিমত্তা প্রদর্শন করতে হয়। সেরের ওপর সোয়া সের একটা কথা আছে। অথবা যেমন কুকুর তেমন মুগুর। বাংলাদেশ বাইরের রাষ্ট্রের সাথে চরম শান্তির নীতি গ্রহণ করেছে। এই ভাবমর্যাদা গড়ে তুলতে বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের চেষ্টার অন্ত নেই। ঠিক দন্ত নখরহীন একটি দেশ আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের পছন্দ। এর ওপর চেপে বসেছে বাংলাদেশের ওপর দারুণ এক দুর্বলতা। নিজেদের জনগণের মধ্যে ঐক্য নেই। ক্ষমতাসীন সরকার বৈধতার প্রশ্নে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হওয়ায় সবসময় জলাতঙ্করোগীর মতো অবস্থা তাদের। সবসময় পরিচয়ের একটি সঙ্কট তাদের সামনে ঝুলানো থাকে। ফলে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর করুণা প্রাপ্তি তাদের প্রধান টার্গেট হয়।

মার্কিনিদের ভণ্ডামিও নজর কাড়ে। তারা যখন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শাস্তি নয়; এই নমনীয় বক্তব্য প্রচার করছে তখনই আবার বলছে, রাখাইন রাজ্যে যেহারে নিষ্ঠুরতার অভিযোগ পাওয়া গেছে তা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসনের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের এই উদ্বেগ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং ঘটনার অন্যায় শিকার বাংলাদেশের জন্য কী মূল্য রাখে। শুধু এমন মনোভাব প্রকাশের মধ্যে ভুক্তভোগীদের কোনো উপকার আছে কি? তারা সত্যিই যদি মনে করে রোহিঙ্গারা উৎখাত হয়েছে, এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ, তাহলে এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

সবাই চায় মিয়ানমার তাদের আওতার মধ্যে থাক। যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো অবস্থায় অং সান সু চির মাধ্যমে অঙ্কুরিত গণতন্ত্রের বিকাশ চায়। তারা সু চি ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দেশটিতে পা রাখতে চায়। চাপ প্রয়োগ করে তারা সু চিকে বিপাকে ফেলতে চায় না। সম্ভবত তারা মনে করছে ক্ষমতা একচ্ছত্রভাবে সেনাবাহিনীর হাতে চলে গেলে যতটুকু প্রভাব তারা এখন রাখছে সেটুকুও থাকবে না। এটা চীনের জন্য দেশটির ওপর প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করবে। যেই প্রতিযোগিতায় জাপান ভারত ও রাশিয়াও একই নীতি গ্রহণ করছে। এতে করে অপরাধী জেনারেলদের পোয়াবারো। যখন সবাই বলছে অপরাধীদের বিচার নয় সমস্যার সমাধান মুখ্য, তখন গণহত্যা পরিচালনাকারী সেনাবাহিনী কোনো চাপ অনুভব করে না। তারা বরং সফলতার আনন্দে উৎফুল্ল।

অন্যায়ের প্রতিকার পাওয়ার জন্য অবশিষ্ট কাউকে পাওয়া গেল না। রোহিঙ্গাদের আহাজারি বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে- কোথাও গিয়ে সেটা রিসিভ হচ্ছে না। মিয়ানমারের সাথে সমঝোতা করে এই সমস্যার সমাধান করা যে সম্ভব নয় সেটা অনেকটাই প্রমাণিত। দেশটির এই সেনাবাহিনী উচ্চাভিলাষী। তারা দেশটির সব সম্পদ নিজেদের মতো করে ব্যবহার করতে চায়। এর মাধ্যমে ভোগবিলাস বাড়াতে চায়। পরমাণু অস্ত্রের সম্ভার গড়ে তোলার উচ্চবিলাসও তাদের রয়েছে। এই ক্ষেত্রে তাদের আদর্শ উত্তর কোরিয়া। রোহিঙ্গা ইস্যুটি দুষ্ট জেনারেলদের ক্ষমতা কর্তৃত্বকে আরো সংহত করছে। ফলে জয় শুধু তাদের। বাকিরা কেউ পরাস্ত, আর কেউ হালুয়া রুটির ধান্দায় মত্ত।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫