ঢাকা, শনিবার,১৮ নভেম্বর ২০১৭

আমেরিকা

প্লাস্টিক সার্জারির সময়ই ঝাঝরা হয়ে গেলেন তিনি

বিবিসি

০৬ নভেম্বর ২০১৭,সোমবার, ১৫:৫৪


প্রিন্ট
প্লাস্টিক সার্জারির সময়ই ঝাঝরা হয়ে গেলেন তিনি

প্লাস্টিক সার্জারির সময়ই ঝাঝরা হয়ে গেলেন তিনি

প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজের চেহারা পরিবর্তন ও আঙ্গুলের ছাপ মুছে নিজের পরিচয় লুকানোর সময় মেক্সিকোর এক অপরাধ চক্রের দলনেতা নিহত হয়েছেন।

কর্মকর্তারা বলছেন, জেসাস মার্টিন নামের সে অপরাধী যখন শহরের একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের টেবিলে, তখন বন্দুকধারীরা হঠাৎ সেখানে প্রবেশ করে তাকে হত্যা করে।
পুলিশ বলছে, প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর সাথে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
তারা বলছে, মার্টিন বেআইনিভাবে পাইপলাইন থেকে জ্বালানি তেল চুরি করে আসছিল।
মাদক চোরাচালানের পর এ কাজটি মেক্সিকোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সংঘটিত অপরাধে পরিণত হয়েছে।
অপরাধ চক্রের নেতা হিসেবে মৃত্যু বা গ্রেফতার এড়াতে প্লাস্টিক সার্জারির আশ্রয় নেয়ার ক্ষেত্রে জেসাস মার্টিনই প্রথম নন।

এর আগে মাদক চোরাকারবারি দলগুলোর নেতা আমাদো কারিল্লো ১৯৯৭ সালে প্লাস্টিক সার্জারির সময় মারা যায়।

কুখ্যাত জ্যাকম গুজম্যান, যিনি এল চ্যাপো নামে পরিচিত, প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে চেহারায় অনেক পরিবর্তন আনার পরও ২০১৪ সালে পালানোর সময় ধরা পড়ে।
জেসাস মার্টিন পাইপলাইন ছিদ্র করে জ্বালানি তেল বের করে তা স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে আসছিলেন।
জ্বালানি তেল নির্গমন করে তা ব্যস্ত রাস্তায় বাজার মূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে বিক্রি করে দেয়, যার ফলে মেক্সিকোর তেল কোম্পানিগুলো লাখ লাখ ডলার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।
এসব দলের সর্দাররা বিশেষ ছুটির দিনগুলোতে স্থানীয় এলাকাবাসীদের মাঝে জ্বালানি তেল দান করে তাদের কাছ থেকে সমর্থন আদায়ের জন্য।

হাজার হাজার পরিবার এখন এই বেআইনি কাজের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে। নিরাপত্তা এবং উন্নতির জন্য স্থানীয়রা তাদের জন্য আশীর্বাদ করে এবং উপহার প্রদান করে।
এটা প্রধানত সংঘটিত হচ্ছে মধ্য পুবেলা প্রদেশের একটি এলাকায় যেখানকার পাইপলাইনগুলো দেশটির ৪০% জ্বালানি তেল সরবরাহ করে এবং মেক্সিকোর তেল কোম্পানি- পেমেক্স ও স্থানীয় সরকারের ওপর যার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।


মেক্সিকান কংগ্রেস গত এপ্রিল মাসে জ্বালানি চুরির অপরাধের ক্ষেত্রে ২৫ বছর পর্যন্ত জেল দেবার শাস্তির বিধান রেখে একটি বিল পাশ করে।

 

টেক্সাসে চার্চে হামলায় ২৬ জন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি চার্চে বন্দুকধারীর গুলিতে কমপক্ষে ২৬ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় কালো পোশাক পরা এক বন্দুকধারী বর্বর এ হামলা চালায়। খবর এএফপি’র।


কর্তৃপক্ষ এ বন্দুকধারীর নাম উল্লেখ না করে কেবলমাত্র এটুকু বলেছে, সে একজন শ্বেতাঙ্গ যুবক। তার বয়স ২০ বছর হতে পারে। তার পরনে বুলেটপ্রুফ পোশাক ছিল। গুলিবর্ষণ শেষে সে বেরিয়ে এলে স্থানীয় এক অধিবাসী তাকে ধরতে পিছু নেয়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীও যোগ দেয় ধাওয়ায়। পরে পাশের গুয়াদেলুপে কাউন্টিতে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িতে এ হামলাকারীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। হামলাকারী আত্মহত্যা করেছেন, নাকি স্থানীয় কারও গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি।


গভর্ণর গ্রেগ অ্যাবোট আশংকা করছেন, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভয়াবহ গুলিবর্ষণের ঘটনার মাত্র পাঁচ সপ্তাহ পর সর্বশেষ এ ঘটনা ঘটে। এমন মর্মান্তিক ঘটনার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে গভীর শোক ও এ হামলার তীব্র নিন্দা জানান। বিদেশ সফররত ট্রাম্প এ ঘটনা তদন্তে তার প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থনেরও অঙ্গীকার করেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫