ঢাকা, শুক্রবার,১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আগডুম বাগডুম

চাঁদের আলো

জিয়াসমিন

০৪ নভেম্বর ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

তোমরা কত্ত বুদ্ধিমান! চাঁদের আলো সম্পর্কে তোমাদের নিশ্চয়ই ধারণা আছে? চাঁদে টাইকো, কপারনিকাস, কেপলারের মতো বড় বড় বেশ কিছু আগ্নেয়গিরির মুখ বা গর্ত আছে। আবার ছোট ছোট কিছু আগ্নেয়গিরির মুখ আছে। এসবের উজ্জ্বল রেখা চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই উজ্জ্বল রেখাগুলোই চাঁদের আলো। টাইকো থেকে যে আলো বের হয় তা এত দীর্ঘ যে এক হাজার মাইলেরও বেশি আলো ছড়ায়। কিছু গর্ত আবার উল্কাপিণ্ডের সংঘর্ষেও সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের দেয়াল কোণাকুণিভাবে খাঁড়া।
চাঁদের আলো কবে, কখন, কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা সঠিকভাবে কেউ নির্ধারণ করতে পারেনি। তবে ধারণা করা হয়, এটি মূলত উল্কাপিণ্ডের ও আগ্নেয়গিরির জন্যই গর্ত হয়েছে। আর এর আলো উল্কাপিণ্ড দিয়েই ছড়ায়।
চাঁদের আলো কিভাবে ছড়ায় তা আমরা একটা পরীক্ষার মাধ্যমে দেখতে পারি। একটু কালো কাগজে কিছু পাউডার স্তূপ করে রেখে তা চামচের গোলাকার দিক দিয়ে ওপরে আঘাত করলে পাউডার চার দিকে ছড়িয়ে পড়বে, যা দেখতে চাঁদের আলোর মতোই দেখায়।
অন্য আরেক তথ্যে পাওয়া যায়, চাঁদের আলো মূলত চাঁদের গ্রহণের সময় চাঁদের নিচের দিকে পৃথিবীর কাছের পাতলা রঙের পদার্থ দিয়ে সৃষ্টি। এই পদার্থ উল্কাপিণ্ডের মাধ্যমে সৃষ্টি ক্রেটার থেকে বিস্ফোরিত হয়েছিল। উল্কাপিণ্ডের সংঘর্ষের তাপে ও বিস্ফোরণের ফলে পদার্থগুলো গলে কাচের মতো আকার ধারণ করে। এই কাচচূর্ণ সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে। এই প্রতিফলিত আলোর চাঁদকে আলোকিত মনে হয়। প্রকৃত অর্থে চাঁদের ওপরে কোনো বাতাস নেই। চাঁদের প্রস্তর চূর্ণ এবং সে চূর্ণের আলো সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে এবং তা চাঁদে আলোরূপে বিকিরণ করে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫