ঢাকা, শুক্রবার,২৪ নভেম্বর ২০১৭

হকি

নারায়ণগঞ্জে খাজা রহমত উল্লাহর দাফন সম্পন্ন

বাসস

২৫ অক্টোবর ২০১৭,বুধবার, ২০:০৩


প্রিন্ট

নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া কবরস্থানে সম্পন্ন হলো জাতীয় হকি দলের সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক খাজা রহমত উল্লাহর দাফন। জাতীয় হকি দলের সাবেক এই তারকা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ জনিত রোগে আক্রান্ত হলে তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই সাবেক খেলোয়াড়। 

খাজা রহমত উল্লাহর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো নারায়ণগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গণে। আজ সকাল ১০টায় তার প্রিয় ক্লাব ঢাকা আবাহনীতে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার লাশ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসা হলে বাদ আসর তার দ্বিতীয় জানাজা হয় নগরীর ডিআইটি জামে মসজিদে। এ সময় তার কফিনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী নেতা মোহাম্মদ আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শিল্পী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজসহ জেলার রাজনৈতিক, ক্রীড়াবিদ, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ।
খাজা রহমত উল্লাহ এক সময়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৭ সালে উদিতি ক্লাবের হয়ে দ্বিতীয় বিভাগে হকির ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে যোগদান করেন সাধারণ বীমায়। পরের বছর তার নৈপুণ্যে সাধারণ বীমা প্রথম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৮৫ সালে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগদানের এক বছর পর চলে যান আবাহনীতে। সেখানে একটানা খেলার পর ১৯৯৫ সালে আবাহনীর হয়েই ক্যারিয়ার শেষ করেন খাজা রহমত উল্লাহ। ১৯৮৬ সালে সিওল অলিম্পিকের পর এশিয়ান একাদশে ডাক পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইনজুরির কারণে খেলা হয়নি তার।
বর্ণাঢ্য খেলোয়াড়ী জীবনে হকির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন সংগঠক হিসেবে। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি হকির সঙ্গেই ছিলেন। দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পর মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বরত ছিলেন রহমত উল্লাহ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫