ভারতের নীতিতে কতটা পরিবর্তন আসবে
ভারতের নীতিতে কতটা পরিবর্তন আসবে

ভারতের নীতিতে কতটা পরিবর্তন আসবে

আলফাজ আনাম

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের ঢাকা সফর নিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন ও বিরোধী উভয় দলই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। কূটনৈতিক সাফল্যের বিবেচনায় সুষমা স্বরাজের এটি একটি সফল সফর। এ দেশের দুই বিপরীতমুখী রাজনৈতিক দল ভারতের ব্যাপারে অনেকটা এক কাতারে চলে এসেছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। এটি প্রকাশ্যে সামনে আসে ২০০৭ সালে গঠিত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। সে সময় ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী এক সেমিনারে বলেছিলেন, তার সরকার ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এমন একপর্যায়ে নিতে চায়, যেখান থেকে আর কখনো ফিরে আসা সম্ভব হবে না। এটা অনেকের জানা, ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে কোন দল ক্ষমতায় আসবে তা নির্ধারিত হয় দিল্লিতে। সম্প্রতি প্রকাশিত ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির বইয়ে তার আভাসও পাওয়া গেছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেও আমরা একই অবস্থা দেখেছি। সে প্রসঙ্গে আলোচনার আগে সুষমা স্বরাজের সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরের দিকে আলোকপাত করা যাক। 

সুষমা স্বরাজের এবারের সফরে ভারতের নীতিতে কতটা পরিবর্তন আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জাতিগত নির্মূল অভিযানের মুখে বাংলাদেশে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের অবশ্যই ফেরত নিতে হবে। সন্ত্রাস দমন অভিযানের নামে মিয়ানমার নিরীহ মানুষকে শাস্তি দিতে পারে না। অপর দিকে মিয়ানমার বারবার বলে আসছে, বাংলাদেশে যারা চলে এসেছে তারা মিয়ানমারের নাগরিক নয়। ফলে রোহিঙ্গা সম্পর্কে সুষমার এই বক্তব্য ভারতের অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় না। এবার রোহিঙ্গাদের নির্র্মূল অভিযানের সময়ই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিয়ানমার সফর করেছেন এবং মিয়ানমারের এই নারকীয় অভিযানকে সমর্থন দেন।রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে চীন, ভারত ও রাশিয়ার অবস্থান এখন সমান্তরাল।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিকপর্যায়ে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশ কোনো ধরনের সমর্থন পায়নি। শুধু কূটনৈতিক কৌশল কিংবা লিপ সার্ভিস হিসেবে ভারত বিভিন্ন সময় কিছু বক্তব্য দিয়েছে। সুষমার ঢাকা সফরে একই কৌশলের প্রতিফলন ঘটেছে। মিয়ানমার জাতিগত নির্মূল অভিযান ও গণহত্যার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। একটি অপরাধী রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে ভারতের সমর্থন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থান দুর্বল করে দিয়েছে। এ দেশে মানুষের আরেকটি শঙ্কার দিক হচ্ছে, ভারতে আশ্রয় নেয়া নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার অপপ্রয়াস। ভারতের এই আচরণের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিক বলে মিয়ানমার যে প্রচারণা চালাচ্ছে, তার প্রতি ভারতের সমর্থনের প্রমাণ মেলে। ভারত যদি মনে করে- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত পাঠাতে হবে, তাহলে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে; কিন্তু বাংলাদেশে তাদের ফেরত পাঠানো দুরভিসন্ধিমূলক নিঃসন্দেহে। সুষমা স্বরাজের সফরের পর রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আবারো ফেরত পাঠানো হয় কি না তা দেখার বিষয়।

রোহিঙ্গা ইস্যু ছাড়াও ভারতের সাথে অমীমাংসিত অনেক বিষয় রয়েছে আমাদের। তিস্তার পানি বণ্টনসহ এসব ইস্যু নিয়ে তেমন কোনো অগ্রগতির খবর আমরা দেখছি না। অথচ গত এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লি সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিজেপি সরকারের আমলেই তিস্তা চুক্তি সই হবে। বাস্তবে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হিমাগারে চলে গেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশী পণ্য ভারতে রফতানির ক্ষেত্রে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও সীমান্ত হত্যার মতো বিষয়গুলো তো রয়েছেই। এসব বাদ দিয়ে এই সফরে ভারতের অনুকূলে কানেক্টিভিটি, পেট্রোলিয়াম পণ্য ক্রয়ের মতো কিছু বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলোচনা ততটা গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে হয় না।

২.
সুষমা স্বরাজের এবারের সফরে দেশের রাজনৈতিক মহলে আরেকটি আলোচনার বিষয় ছিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ। এর আগেও বেগম জিয়ার সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। আগামী নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলের নেত্রীর সাথে সাক্ষাতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠকের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী নির্বাচনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। সুষমা স্বরাজ সব শুনেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও যাতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, নির্বাচন কমিশনও যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে; সেটি তারা প্রত্যাশা করেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামীতে সবার অংশগ্রহণে যাতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, সেই অবস্থানের কথাটি তুলে ধরেছেন।’

মির্জা আলমগীর বেগম জিয়ার সাথে বৈঠকের আলোচনার যে বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন তাতে এটা স্পষ্ট, ভারত চায় আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও সব দলের অংশগ্রহণমূলক হোক। তবে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে ভারতের অবস্থান মোটেই সুখকর নয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা সংসদ নির্বাচনে ভারত প্রকাশ্যে কলকাঠি নেড়েছে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে।

দেশটির পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং এসে বিএনপিকে বাইরে রেখে অন্য দলগুলোকে নির্বাচনে আনার জন্য তৎপরতা চালিয়েছিলেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নির্বাচন বর্জন এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ার পরও নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরশাদ প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব নির্বাচনে যাওয়ার জন্য তার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছেন। সে সময় অবশ্য নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সরকার ছিল ক্ষমতায়। ২০১৪ সালের সে নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারত শুধু প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ করেনি, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের এ ধরনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রকাশ্য কলকাঠি নাড়ার এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২০০৭ সাল থেকে। সে সময় বাংলাদেশের রাজনীতি ক্ষমতার প্রধান নিয়ন্ত্রক ছিলেন বিতর্কিত সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ। কিভাবে তিনি দিল্লির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেছেন, সে ব্যাপারে ‘দ্য কোয়ালিশন ইয়ারস ১৯৯৬-২০১২’ বইতে খোলামেলা লিখেছেন ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি। তার বইয়ের একটি অংশের শিরোনাম ‘রেসকিউইং বাংলাদেশজ টু বেগমস’। অর্থাৎ বাংলাদেশের দুই নেত্রীকে উদ্ধার পর্ব। সেখানে তিনি লিখেছেন, ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি। তখন বাংলাদেশে সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ। তিনি ছয় দিনের ভারত সফরে এলেন। আমার সাথেও সাক্ষাৎ করলেন তিনি। অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তাকে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দেয়ার গুরুত্ব তুলে ধরলাম। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে তাকে বরখাস্ত করতে পারেন শেখ হাসিনা, এ নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন তিনি। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব নিলাম। হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ওই জেনারেলকে পদে টিকিয়ে রাখার নিশ্চয়তা দিলাম। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সাথে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট চাইলাম। উদ্দেশ্য, তাকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য অনুরোধ করা, খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা উভয়ের মুক্তি নিশ্চিত করা। আমি তখনকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এম কে নারায়ণনের মাধ্যমে আমার হস্তক্ষেপে সব রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তি নিশ্চিত করলাম এবং দেশটিকে স্থিতিশীলতায় ফিরিয়ে আনলাম। বেশ কয়েক বছর পর জেনারেল মইনের যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার পথ সহজ করে দিই, তখন তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

‘শেখ হাসিনা (আমার) ঘনিষ্ঠ পারিবারিক বন্ধু। যখন আমি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম, তখন ভারত তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ওপর অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করার মাধ্যমে। যখন তিনি জেলে ছিলেন এবং তাকে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতা ত্যাগ করেছিলেন, আমি তাদেরকে তাদের অবস্থানে ফিরে যেতে তাগিদ দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম, তারা এমন একজনকে ত্যাগ করছেন, এটা অনৈতিক। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন হলো। সেই নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হলেন শেখ হাসিনা।’
প্রশ্ন হলো, প্রণব মুখার্জি কিভাবে নির্বাচনের আগে নিশ্চিত হয়েছিলেন শেখ হাসিনা জিতবেন? তিনি নির্বাচনের ফলাফল জানতেন বলে কি মইন ইউ আহমেদকে আশ্বস্ত করেছিলেন? নাকি মইন ইউ আহমেদ শেখ হাসিনাকে জিতিয়ে আনলে তাকে রক্ষার গ্যারান্টি প্রণব মুখার্জি দিয়েছিলেন? সর্বোপরি, ভারতের এমন ভূমিকা কি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ নয়? এমন অনেক প্রশ্ন আসে।

আমরা অনুমান করতে পার- মইন ইউ আহমেদকে দিল্লিতে ডেকে নিয়ে কিভাবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হবে, তার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রণব মুখার্জি এই লেখায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিভাবে ভারত হস্তক্ষেপ করে থাকে, তার অনেক প্রমাণ রেখেছেন। দলের সভানেত্রীর সাথে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরোধ মেটানোর মতো এ দেশের রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়েও হস্তক্ষেপের উদাহরণ তুলে ধরেছেন, কিন্তু কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এ ধরনের হস্তক্ষেপ সে দেশের মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করে না। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের আমলে ভারত একতরফাভাবে সব ধরনের স্বার্থ আদায় করে নিয়েছে, কিন্তু ভারত হারিয়েছে বাংলাদেশের মানুষের আস্থা। এ দেশের তরুণ প্রজন্ম সম্ভবত অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ভারতবিরোধী মনোভাব পোষণ করে এখন। ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ দিকটি কতটা উপলব্ধি করতে পারছেন, তার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি।

এটাই সত্য যে, দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের সাথে ভারত স্থায়ী সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারেনি। নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে এখন সব পক্ষের আস্থা হারাতে বসেছে ভারত। নেপাল এখন চীনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে, বিশেষ করে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করার ক্ষেত্রে ভারত যে প্রকাশ্য ভূমিকা নিয়েছিল, তা থেকে হয়তো দেশটি সরে আসতে চাইছে। এবার বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বৈঠকে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চাওয়ার মাধ্যমে সুষমা স্বরাজ হয়তো সে বার্তাই দিয়ে গেলেন। তবে আগামী নির্বাচনে ভারতের অবস্থান কী হয়, তা এখনই বলার সময় আসেনি। দেশের খ্যাতিমান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তালুকদার মনিরুজ্জামান গত সপ্তাহে নয়া দিগন্তের সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভারত শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাথেই থাকবে। আগামী দিনের ঘটনাপ্রবাহ থেকে স্পষ্ট হবে, জবরদস্তিমূলকভাবে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে ভারতের কংগ্রেস আমলের নীতি থেকে বিজেপি কতটা সরে এসেছে।

alfazanambd@yahoo.com

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.