রোহিঙ্গা নির্যাতন ও গণহত্যা নিয়ে রিট শুনানি ১৯ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত ও বিচারের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। গতকাল আংশিক শুনানি শেষে ১৯ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
রিট আবেদনে কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আলামত জব্দের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এ আবেদনে আইন সচিব, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর এবং ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থাকে বিবাদি করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দেলোয়ার হোসেনের করা এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী। এ সময় আদালতে উপস্থিত সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের মতামত জানতে চান আদালত।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত বা বিচার করার এখতিয়ার আমাদের ট্রাইব্যুনালের নেই।
রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু রিট আবেদনের বিরোধিতা করে বলেন, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থে এ রিট আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া এটা হাস্যকর মামলা। কারণ যেসব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তা সংঘটিত হয়েছে মিয়ানমারে। তাই বাংলাদেশের কোনো আদালত ওই দেশে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন না।
অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী বলেন, আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী পৃথিবীর যেখানেই মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হোক না কেন তার তদন্ত ও বিচার করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ আন্তর্জাতিক অপরাধ। তাই পৃথিবীর যেখানেই এ অপরাধ ঘটুক না কেন, তার বিচার অন্য দেশে হতে পারে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.