ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৩ নভেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

প্রধান বিচারপতির দেশত্যাগ

মহিউদ্দিন খান মোহন

২১ অক্টোবর ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা এক মাসের ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন গত ১৩ অক্টোবর রাতে। যাওয়ার আগে তিনি মিডিয়াকর্মীদের সঙ্গে সামান্য কথা বলে গেছেন। বলেছেন, ‘সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। স্বেচ্ছায় দেশের বাইরে যাচ্ছি। আমি ফিরে আসব।’ এ সময় তিনি সাংবাদিকদের হাতে কম্পিউটার কম্পোজ করা একটি কাগজ দিয়ে বলেন, ‘এতে আমার বক্তব্য আছে।’ তিনি যে কাগজটি সাংবাদিকদের হাতে দিয়ে গেছেন, তাতে সবুজ কালিতে তার স্বাক্ষর রয়েছে। এ স্বাক্ষর তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে ছুটির যে আবেদনপত্র পাঠিয়েছিলেন এর সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। প্রধান বিচারপতির প্যাডে লেখা ওই বিবৃতিতে এস কে সিনহা বলেছেন, ‘আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। কিন্তু ইদানীং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল বিশেষভাবে কয়েকজন মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন এতে আমি সত্যিই বিব্রত। আমার দৃঢ়বিশ্বাস, সরকারের একটি মহল আমার রায়কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে পরিবেশন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রতি অভিমান করেছেন, যা অচিরেই দূরীভূত হবে বলে আমার বিশ্বাস। সেই সাথে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমি শঙ্কিতও বটে। কারণ, গতকাল প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবীণতম বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে মাননীয় আইনমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন যে, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অচিরেই সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনে পরিবর্তন আনবেন। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কিংবা সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো রেওয়াজ নেই। তিনি শুধু রুটিনমাফিক দৈনন্দিন কাজ করবেন। এটিই হয়ে আসছে। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এটি সহজেই অনুমেয় যে, সরকার উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর দ্বারা বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটবে। এটি রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।’
প্রধান বিচারপতি প্রায় দুই মাস ধরেই দেশে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সরকারি দলের রোষানলে পড়েছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, এমপি, এমনকি মন্ত্রীরাও তার সমালোচনায় মুখর। তাকে দুর্নীতিবাজ, অসৎ, এমনকি স্বাধীনতাবিরোধী বলেও আখ্যায়িত করেছেন শাসকদলের নেতাকর্মীরা। অন্য দিকে সরকারের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি প্রধান বিচারপতিকে সমর্থন দিয়ে আসছে। ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে থাকা কিছু মন্তব্যকে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার ‘একটা ভালো মওকা’ বলে বিরোধী দল মনে করতে থাকে। তবে ওই পর্যবেক্ষণে প্রধান বিচারপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ‘অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। সরকারি মহল থেকে এস কে সিনহাকে পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে, না হলে তার বিরুদ্ধে তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে তিনি ছুটি নিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন, তিনি তার ছুটি হয়তো বর্ধিত করবেন এবং মেয়াদকালের বাকি চার মাস বিদেশেই কাটিয়ে দেবেন। কিন্তু তিনি যথাসময়ে দেশে ফিরে কাজে যোগ দেন। কিন্তু অবকাশকালীন ছুটি শেষে সুপ্রিম কোর্ট খোলার আগের দিন তিনি ‘অসুস্থতাজনিত’ কারণে রাষ্ট্রপতির কাছে এক মাসের ছুটির আবেদন করেন। এরপর বিদেশে যাওয়ার জন্য অনুমতিও চাইলেন রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতি সে অনুমতি দিলে তিনি ১৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেন। দেশ ত্যাগের প্রাক্কালে বিচারপতি সিনহা যে বিবৃতি দিয়ে গেছেন, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কারণ, ওই বিবৃতিতে তিনি এমন কিছু কথা বলেছেন, যা সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে যথেষ্ট। তিনি নিজেকে ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ বলে দাবি করেছেন। অথচ ছুটি চেয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবরে আবেদনপত্রে তিনি অসুস্থ বলে জানিয়েছিলেন। তখন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, প্রধান বিচারপতি ক্যান্সারসহ নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত। অসুস্থ একজন লোক পরে সুস্থ হতেই পারেন। কিন্তু একজন ক্যান্সারের রোগী এগারো দিনে ‘সম্পূর্ণ সুস্থ’ হয়ে উঠতে পারেন কি না সে প্রশ্ন উঠা অসঙ্গত নয়। তা ছাড়া ছুটির আবেদনে প্রধান বিচারপতি যে স্বাক্ষর করেছিলেন, বিবৃতিতে একই স্বাক্ষর করেছেন। ফলে, তার ছুটির আবেদনের স্বাক্ষর নিয়ে যারা সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, তাদের ভুল নিশ্চয় ভেঙেছে।
প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপের আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন তার বিবৃতিতে। তেমন আলামত যে, ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে তা অস্বীকার করা যাবে না। সরকারের কিছু অতি উৎসাহী মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় নেতার বক্তৃতা-বিবৃতি সে সন্দেহকে ক্রমান্বয়ে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাচ্ছে। বিচারপতি সিনহাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার যে প্রাণান্ত চেষ্টা সরকারপক্ষ করেছে, তাতো আর লুকানো থাকেনি। তারা প্রকাশ্যেই সেসব কথা বলেছেন। সদ্য অবসরে যাওয়া এবং ক্ষমতাসীন দলটির অতি উৎসাহী সমর্থকে পরিণত হওয়া একজন সাবেক বিচারপতি তো প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে এমনও বলেছিলেন যে, ‘তুমি পদও ছাড়বা, দেশও ছাড়বা।’ সে সাবেক বিচারপতির হুমকির এমন ত্বরিত বাস্তবায়ন দেশবাসীকে বেশ চমকিতই করেছে বলা যায়। তবে এস কে সিনহা দেশ ছাড়লেও পদ এখনো ছাড়েননি। অবশ্য, অচিরেই যদি তেমন কিছু ঘটে বা তিনি আর ওই পদে ফিরে না আসেন তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কেননা, সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথাবার্তা তেমন ইঙ্গিতই বহন করছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম গত ১৪ অক্টোবর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, তার (এস কে সিনহা) ফিরে এসে পুনরায় দায়িত্বে বসার সম্ভাবনা সুদূরপরাহত। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতির মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে যে,আপিল বিভাগের অপর বিচারপতিরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসতে চান না। সহকর্মীরাই যদি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসে বিচারকাজ পরিচালনা না করেন, তবে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে। তিনি একা বিচারকাজ পরিচালনা করতে পারবেন না। তাই বাস্তবতা বিবেচনা করলে তার ফিরে এসে পুনরায় দায়িত্বে বসা সুদূরপরাহত।’
অন্য দিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গত ১৫ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যে ১১টি অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে অনুসন্ধান চালানো হবে। বিষয়গুলোর সুরাহা না হলে তিনি চেয়ারে (প্রধান বিচারপতি পদে) বসতে পারবেন না। অভিযোগের সত্যতা মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আর পদে ফিরে আসতে পারছেন না। এ দিকে প্রধান বিচারপতি দেশত্যাগের পরদিন তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। ১৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশত্যাগের প্রাক্কালে ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতি যে লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন তা বিভ্রান্তিকর। বিবৃতিতে বলা হয়, ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বিচারপতিদের বঙ্গভবনে ডেকে নিয়ে বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নৈতিক স্খলনসহ ১১টি অভিযোগের দালিলিক তথ্য দিয়েছেন। এ অবস্থায় তার সঙ্গে আদালতের এজলাসে বসতে আপত্তি জানান আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা। তখন তিনি প্রথমে পদত্যাগ করতে চাইলেও পরে রাষ্ট্রপতির কাছে এক মাসের ছুটি চান। সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি যেসব অভিযোগের ‘দালিলিক প্রমাণ’ আপিল বিভাগের বিচারপতিদের কাছে হস্তান্তর করেছেন, সেগুলোর মধ্যে বিদেশে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলন ও আরো সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ নিয়ে। অভিযোগগুলোর বিস্তারিত বিবরণ এখনো পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে অভিযোগ কতটা গুরুতর সেটা বিবেচ্য নয়। কারণ, একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ পাচার, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের অভিযোগ উঠাই গুরুতর ব্যাপার। কারণ, তিনি সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক। তিনি মানুষের অপরাধের বিচার করেন, শাস্তি দেন। মানুষ বিচারপতিদের সম্পূর্ণ সৎ, ন্যায়নিষ্ঠ এবং নির্ভরতার প্রতীক বলে মনে করে। আর প্রধান বিচারপতি তো আরো ঊর্ধ্বে। তিনি রাষ্ট্রের যে তিনটি মূল স্তম্ভ, সেগুলোর একটির প্রধান। সেই প্রধান বিচারপতি যদি মানিলন্ডারিং, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে অভিযুক্ত হন, তাহলে দেশবাসীর ভরসা রাখার জায়গা থাকে কি?
অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যে অভিযোগগুলো বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো কী তিনি প্রধান বিচারপতি হওয়ার আগের ঘটনা, নাকি পরের? যদি অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনাগুলো তিনি প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরের হয়ে থাকে তাহলে এক কথা; আর যদি এসবের একটিও তার প্রধান বিচারপতির আসনে বসার আগের হয়ে থাকে, তাহলে এমন একজন ব্যক্তিকে দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ের সর্বোচ্চ পদে যারা বসিয়েছেন, তারা এর দায় এড়াবেন কিভাবে? সাধারণত রাষ্ট্র বা সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। এটাকে প্রশাসনিক ভাষায় ভেটিং বলে। শুধু তাই নয়, সরকারি প্রশাসনের যেকোনো স্তরে চাকরির ক্ষেত্রে নির্বাচিত ব্যক্তির পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক; যাতে তিনি কোনো অপরাধমূলক কাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার সাথে সম্পৃক্ত কি না তা জানা যায়। এখন প্রশ্ন, তাহলে কি আমরা ধরে নেবো এস কে সিনহাকে বিচারপতি বা প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেয়ার সময় যথাযথ ভেটিং বা অনুসন্ধান হয়নি? যদি না হয়ে থাকে, তাহলে এর কারণ এবং এ জন্য কে দায়ী, দেশবাসীর জানার অধিকার আছে। এটা সরকারকে বা সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে স্পষ্ট করতে হবে।
আরেকটি প্রশ্ন রয়েছে। বিচারপতি এস কে সিনহা অনিয়মগুলো কি ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় দেয়ার আগে করেছেন, নাকি পরে করেছেন? যদি আগেই তিনি এসব অনৈতিক কাজ করে থাকেন, তাহলে আরো আগেই কেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হলো না? তাই অবস্থাদৃষ্টে এটা ধরে নেয়া অমূলক হবে না যে, ষোড়শ সংশোধনীসংক্রান্ত মামলার রায় যদি ক্ষমতাসীনদের মনোপুত হতো, তাহলে সিনহার এসব দুর্নীতি-অনিয়মের খবর কোনো দিন কেউ জানতে পারত না!
লোকজন অবশ্য বলছে যে, সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ক্ষমতাসীন মহলের আস্থাভাজন হিসেবেই প্রধান বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। সে জন্যই হয়তো তার অতীতের ওইসব ‘ছোটখাটো’ দোষ-ত্রুটিকে আমলে নেয়া হয়নি। কিন্তু বিচার বিভাগের স্বার্থ নিয়ে বেশ সোচ্চার হয়ে এবং ক্ষমতাসীনদের প্রত্যাশার বিপরীত রায় দিয়ে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মেরেছেন। বিচারপতি সিনহা কিন্তু দেশের গণতন্ত্র ও সংসদীয় রাজনীতির পক্ষে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে চেষ্টা করেননি। তিনি এবং তার সহকর্মীরা তাদের পেশাগত স্বার্থে রায়টি দিয়েছেন। রায়ের বাইপ্রডাক্ট হিসেবে রাজনীতির প্রসঙ্গ এসেছে, যা নিয়ে সরকারবিরোধীরা বেশ কয়েক দিন উল্লাসে মেতেছিলেন। বিচারপতি এস কে সিনহাকে নিয়ে যা ঘটল বা আগামীতে ঘটবে, তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক বার্তাবহ নয়। এরপর এ দেশে আর কোনো বিচারক সাহস করে সত্য উচ্চারণ করবেন কি না তা নিয়ে অনেকেরই সংশয় রয়েছে। করলে যে ক্ষমতাশালীদের রোষানলে পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকবে, সিনহা তার জ্বলন্ত উদাহরণ হয়েই থাকবেন।
লেখক : মিডিয়া কর্মী এবং রাজনীতিবিষয়ক নিবন্ধকার
mohon91@yahoo.com

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫