ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

ভারসাম্যহীন ভানুমতির খেলা

সময়-অসময়

তৈমূর আলম খন্দকার

২১ অক্টোবর ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন, পৃথিবীকে আমি ‘ক্রীড়াচ্ছলে’ সৃষ্টি করিনি (সূত্র: আল কুরআন)। আল্লাহ পাক বোঝাতে চেয়েছেন, তার বিনোদনের জন্য তিনি সৃষ্টি করেননি বরং মানুষকে দৈনন্দিন জীবনযাপনের জন্য সময়ে সময়ে কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছেন। তবে এটা আমার আলোচ্য বিষয় না হলেও রাষ্ট্রীয় ‘ক্রীড়া’ সম্পর্কে আলোকপাত করতে চাই। ‘রাষ্ট্র’ নিজেই এক অর্থে একটি ব্যক্তিত্ব (Parsonality) ‘রাষ্ট্র’ খেলে তার কর্ণধারদের মাধ্যমে, আবার কর্ণধারেরাও রাষ্ট্রকে খেলায় যখন ‘রাষ্ট্র’ তার কর্ণধারদের ওপর জিম্মি হয়ে পড়ে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা, প্রেস বিজ্ঞপ্তি, বিবৃতি ইত্যাদি সব মিলিয়ে বুঝে ওঠা যাচ্ছে না রাষ্ট্র খেলছে না রাষ্ট্রকে খেলানো হচ্ছে। ষোড়শ সংশোধনীর রায়কে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের অনেক গোপন তথ্যই দেশবাসী জানলো। যেমনÑ পাকিস্তান সমর্থিত শান্তি কমিটির সিনহা বাবু সদস্য ছিলেন, তার বিরুদ্ধে ১১টি দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে যা রাষ্ট্রপতির হাতে ছিল। দুর্নীতি করলে তার বিচার হতেই হবে। আজরাইল ফেরেস্তা সবাইর মৃত্যু কার্যকর করে নিজের মৃত্যু নিজেই ঘটাবেন। বিচারপতি সিনহার বিচারিক সিদ্ধান্তে দুদকের হাত অনেক শক্তিশালী ও সম্প্রসারিত হয়েছে, তার (সিনহা) প্রভাবে দুদকের অনেক বিধিবদ্ধ অনিয়মকে ব্রাস আউট করে আইনের লেকুনা পূর্ণ করে দুদককে পাকাপোক্ত বানিয়েছেন, ফলে লাভবান হয়েছে দুদক তথা সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিচারপ্রার্থী। এখন তিনি নিজে দুদকের জালে কতটুকু আটকা পড়বেন এটা ভবিষ্যতের বিষয়। মি. সিনহা দুদকের আসামি হতেই পারেন এবং অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় কেরানীগঞ্জ বা কাশিমপুর কারাগারে ডিভিশন সেল তাকে অতিথি হিসেবে বরণ করার জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েও থাকতে পারে। তবে সেটাও এখানে মূখ্য বিষয় নয়। কারণ, যেখানে সেনাবাহিনীর হাতে দেশের দুইজন রাষ্ট্রপতি নিহত হয়েছেন, ডাট সাইটের দুইজন রাষ্ট্রপতি এরশাদ ও খন্দকার মোশতাক ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীগণ কারাবরণ করেছেন, সেখানে সিনহার জেলে যাওয়াটা কোনো আশ্চর্যজনক সংবাদ হবে না। এখানে কৌতূহলী হওয়ার মতো কিছুই নেই। কিন্তু এ খেলায় ‘রাষ্ট্র’ কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় কর্ণধার বা খেলোয়াড়রা জাতির স্বার্থ তথা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ তথা বিচারিক স্বাধীনতার স্বার্থ রক্ষার্থে কতটুকু নিষ্ঠাবান বা সতর্ক থাকছেন এটাও একটা বিবেচ্য বিষয়। এতদিন দেশবাসী জানত যে, প্রধান বিচারপতির অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি এক মাসের ছুটি মঞ্জুর করেছেন। ১৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার প্রাক্কালে প্রধান বিচারপতি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের হাতে সুপ্রিম কোর্টের লগ ব্যবহৃত প্যাডে ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি’ হিসেবেই নিজ হস্তেই প্রদত্ত বিবৃতি বিলি করেছেন। সে বিবৃতিতেও তার বক্তব্য জাতি জানলো যে, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার বিবৃতিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধায় পাঠকদের সুবিধার্থে নিম্নে উল্লেখ করা হলো, যা নিম্নরূপ :
‘আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। কিন্তু ইদানীং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল, আইনজীবী ও বিশেষভাবে সরকারের মাননীয় মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন এতে আমি সত্যিই বিব্রত। আমার দৃঢ়বিশ্বাস, সরকারের একটা মহল আমার রায়কে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে পরিবেশন করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রতি অভিমান করেছেন, যা অচিরেই দূরীভূত হবে বলে আমার বিশ্বাস। সেই সাথে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমি একটু শঙ্কিতও বটে। কারণ গতকাল প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনরত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রবীণতম বিচারপতির উদ্ধৃতি দিয়ে মাননীয় আইনমন্ত্রী প্রকাশ করেছেন যে, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি অচিরেই সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনে পরিবর্তন আনবেন। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কিংবা সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো রেওয়াজ নেই। তিনি শুধু রুটিনমাফিক দৈনন্দিন কাজ করবেন। এটিই হয়ে আসছে। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এটি সহজেই অনুমেয় যে, সরকার উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করছে এবং এর দ্বারা বিচার বিভাগ ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের আরো অবনতি হবে। এটি রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।’
অন্য দিকে রাজনৈতিক দলের মতোই (সরকার খণ্ডন না করে) আপিল বিভাগের পাঁচজন স্বনামধন্য বিচারপতির বরাত দিয়ে মিডিয়ায় ওই দিন রাতেই বিচারপতি সিনহার বিবৃতি খণ্ডন করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ :
‘ছুটি ভোগরত প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ১৩ অক্টোবর বিদেশ যাওয়ার প্রাক্কালে একটি লিখিত বিবৃতি উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। ওই লিখিত বিবৃতিটি সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই লিখিত বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতি নিম্নরূপ। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট (বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি শব্দ ব্যবহার করা হয়) প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ব্যতীত আপিল বিভাগের অপর পাঁচ বিচারপতিকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। বিচারপতি মো: ইমান আলী দেশের বাইরে থাকায় ওই আমন্ত্রণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। অপর চারজন অর্থাৎ বিচারপতি মো: আবদুল ওয়াহ্হাব মিয়া, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার প্রেসিডেন্ট মো: আবদুল হামিদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনার একপর্যায়ে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগসংবলিত দালিলিক তথ্যাদি হস্তান্তর করেন। তার মধ্যে বিদেশে অর্থপাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্থলনসহ আরো সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্যে আরো বলা হয় বিচারপতি মো: ইমান আলী ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের পর ১ অক্টোবর আপিল বিভাগের উল্লিখিত পাঁচ বিচারপতি এক বৈঠকে বসেন। বৈঠকে ওই ১১টি অভিযোগ বিষদভাবে পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন ওই সব গুরুতর অভিযোগগুলো প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে অবহিত করা হবে। তিনি যদি ওই সব অভিযোগের ব্যাপারে কোনো সন্তোষজনক জবাব বা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন তাহলে তার সাথে বিচারালয়ে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। এই সিদ্ধান্তের পর ওই দিন (পয়লা অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অনুমতি নিয়ে পাঁচ বিচারপতি তার হেয়ার রোডের বাসভবনে গিয়ে অভিযোগগুলো নিয়ে বিষদভাবে আলোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর তার কাছ থেকে কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বা সদুত্তর না পেয়ে আপিল বিভাগের উল্লিখিত পাঁচ বিচারপতি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, এমতাবস্থায় ওই অভিযোগগুলোর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তার (এস কে সিনহা) সাথে একই বেঞ্চে বসে তাদের (পাঁচ বিচারপতি) পক্ষে বিচারকাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। এ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সুস্পষ্টভাবে বলেন যে, সেক্ষেত্রে তিনি পদত্যাগ করবেন। তবে এ ব্যাপারে পরদিন ২ অক্টোবর তিনি তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। ২ অক্টোবর তিনি উল্লিখিত বিচারপতিদের কোনো কিছু অবহিত না করে প্রেসিডেন্টের কাছে এক মাসের ছুটির দরখাস্ত প্রদান করলে প্রেসিডেন্ট তা অনুমোদন করেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে (বিবৃতিতে ততপ্রেক্ষিতে) প্রেসিডেন্ট সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি মো: আবদুল ওয়াহ্হাব মিয়াকে দেশের প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির অনুরূপ কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করেন। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রার জেনারেল স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, প্রধান বিচারপতির পদটি একটি প্রতিষ্ঠান। সেই পদের ও বিচার বিভাগের মর্যাদা সমুন্নত রাখার স্বার্থে ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি প্রদান করা হয়নি। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে উপরি উক্ত বিবৃতি প্রদান করা হয়।’
বিবৃতি দু’টি পরস্পরবিরোধী হলেও মি: সিনহার ছুটি অসুস্থতাজনিত নয়, এ কথাটির প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মি: সিনহা বলেছেন, এই রায়কে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী অভিমান করেছেন। পাঁচ বিচারপতির বক্তব্য মতে মি: সিনহার ১১টি দুর্নীতির কারণে তারা সিনহার সাথে ব্যাঞ্চে বসতে চান না। যদি তাই হয় রাষ্ট্রীয় প্রধান সংবিধান সম্মতভাবে বিষয়টি ঐধহফষব না করে ছুটি নিয়ে জাতিকে মিথ্যা তথ্য দেয়ার সুযোগ করেছিলেন কেন?
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আহ্বানে (আওয়ামীপন্থী আইনজীবী ছাড়া) দেশব্যাপী বিচারপতি সিনহার অসুস্থতাজনিত ছুটিকে প্রতারণামূলক বলে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সিনহাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তার ওপর জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। কেউ বলছেন তার ওপর এমন চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে যাতে তিনি বাধ্য হয়ে ছুটির দরখাস্তে স্বাক্ষর করেছেন। যেভাবেই তিনি স্বাক্ষর করেন না কেন বিচারপতি সিনহাও জাতির সাথে প্রতারণা করেছেন বলে আমি মনে করি। কারণ জীবন দিয়ে হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা তিনি রক্ষা করবেন, এ মর্মে জাতির কাছে কমিটমেন্ট করেছিলেন।
প্রধান বিচারপতির পদটি সাংবিধানিক। তাকে কিভাবে সরানো যাবে তাও সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে। সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ১১টি অভিযোগ তিনি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বা জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত না করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আপিল বিভাগের বিচারপতিদের দিয়ে পরিস্থিতির যবনিকা টানতে গেলেন কেন?
মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের শেষ ভরসাস্থল। সংবিধান যা অনুমোদন করে না সে পদ্ধতি অনুসরণের কোনো প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি নিজেকে জড়িত করতে পারেন কি? যা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ নজির হয়ে থাকবে। সিনহার বিরুদ্ধে যদি ১১টি দুর্নীতির অভিযোগ রাষ্ট্রপতির কাছে থেকেই থাকে তবে সংবিধান মোতাবেক সিনহাকে অপসারণের পদক্ষেপ না নিয়ে ব্রিটিশের DIVIDE and Rule পদ্ধতি অনুসরণ করে পাঁচজন বিচারপতিদের রাষ্ট্রীয় এ খেলার খেলোয়াড় বানানোর কী দরকার ছিল?
রাষ্ট্রীয় খেলোয়াড়দের স্মরণ রাখা দরকার যে, ইতিহাস মোছা যায় না। খেলায় যদি স্বচ্ছতা না থাকে তবে সে খেলা হয়ে যায় ভারসাম্যহীন। লোকে যাকে বলে ‘ভানুমতির খেলা’। যে খেলার নীরব দর্শক হচ্ছে রাষ্ট্রের যারা মালিক (অর্থাৎ জনগণ), তারাই এখন নিরুপায় দর্শক মাত্র। বিষয়টি দিনে দিনে জাতির সামনে স্পষ্ট হয়ে আসছে। অভিযোগ ছিল যে, সিনহার এ ছুটি, ছুটি নয় বরং চাপের বহিঃপ্রকাশ, যার প্রমাণ মেলে অ্যাটর্নি জেনারেলের ভাষায়, ‘প্রধান বিচারপতি হিসেবে সিনহার পুনঃযোগদান সুদূরপরাহত।’ ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, সিনহা স্বপদে শিগগিরই যোগ দেবেন। রাষ্ট্রের দুইজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি যখন পরস্পরবিরোধী করা বলে তখন জাতি কোনটা বিশ্বাস করবে? মিথ্যার কাছে জাতি আর কত পরাস্ত হবে। ঘটনা যাই হোক না কেন প্রধানমন্ত্রীর ‘অভিমানই’ এখানে মূখ্য। ‘অভিমান’ কতটুকু গড়ায় এর ওপরই নির্ভর করবে বিচারপতি সিনহার বিদায়ের শেষ খেলা। তবে জাতির কাছে এটাই স্পষ্ট, যত বড় সাংবিধানিক পদ হোক না কেন, প্রধানমন্ত্রীর অভিমানে যেকোনো সময় তা বিধ্বস্ত বিমানের মতো চুরমার হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ এসব কারণে প্রধানমন্ত্রীর অভিমানটাই যথেষ্ট।হ
লেখক : বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা
taimuralamkhandaker@gmail.com

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫