ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

ক্রিকেট

কোহলির চেয়েও কেন বেশি বেতন শাস্ত্রীর?

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২০ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ০৬:৫২


প্রিন্ট
কোহলির চেয়েও কেন বেশি বেতন শাস্ত্রীর?

কোহলির চেয়েও কেন বেশি বেতন শাস্ত্রীর?

অনিল কুম্বলের জায়গায় ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেয়ার পরই পেয়েছেন একের পর এক সাফল্য। শ্রীলঙ্কার মাটিতে গিয়ে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয়লাভ করেছেন বিরাট কোহলিরারা। এরপর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজেও ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ভারতীয় দল। বৃষ্টির জন্য একটি ম্যাচ ভণ্ডুল হয়ে যাওয়ায় ১-১ অবস্থায় শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। অর্থাৎ, কোচের পদে বসার পর রবি শাস্ত্রীর মার্কশিট তৈরি করা হলে লেটার মার্কস পেয়েই পাশ করবেন সাবেক এই ক্রিকেটার। দুরন্ত সাফল্যের জন্য বিরাটরা যতটা কৃতিত্ব পেয়েছেন, ততটাই দেয়া হয়েছে শাস্ত্রীকেও। কিন্তু জানেন কি বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে ঠিক কত টাকা মাইনে পান বিরাটদের হেডস্যার?

সম্প্রতি জানা গিয়েছে, বিশ্বের সমস্ত ক্রিকেট কোচেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইনে পান রবি শাস্ত্রীই। তাঁর বার্ষিক আয় ১.১৭ মিলিয়ন ডলার। অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন দুই অজি কোচ ডারেন লেম্যান (০.৫৫ মিলিয়ন ডলার) এবং ট্রেভর বেলিসকে (০.৫২ মিলিয়ন ডলার)। বার্ষিক আয়ের দিক থেকে শাস্ত্রীর আগে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং ভারতের কয়েকজন মাত্র ক্রিকেটার। জানলে হয়তো অবাক হবেন, বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য আয় বাদ দিলে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির মাইনেও কোচের তুলনায় কম। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড বিরাটকে বছরে ১ মিলিয়ন ডলার মাইনে দেয়। যদিও অজি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ (১.২৭ মিলিয়ন ডলার) এবং ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট (১.৪৭ মিলিয়ন ডলার) শাস্ত্রীর তুলনায় কিছুটা বেশি মাইনে পান।

শুধু ভারতে নয়, বাংলাদেশ-পাকিস্তানেও জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের তুলনায় কোচ বেশি মাইনে পান। যেমন, বাংলাদেশের কোচ চাণ্ডিকা হাতুরাসিংঘে প্রায় পাঁচগুণ বেশি মাইনে পান সাকিব আল হাসান-তামিম ইকবালদের তুলনায়। আবার অন্যদিকে, পাক কোচ মিকি আর্থার যেমন সরফরাজ আহমেদদের তুলনায় তিনগুণ বেশি মাইনে পান।


দ্রুততম পাকিস্তানী বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫০ উইকেট দখল করলেন হাসান আলী
চলতি বছর তৃতীয়বারের মত পাঁচ উইকেট দখলের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন পাকিস্তানী পেসার হাসান আলী। আবু ধাবীতে শ্রীলংকার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৩৪ রানে ৫ উইকেট দখল করে ক্যারিয়ারে ৫০ উইকেট দখলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আলী। একইসাথে পাকিস্তানী বোলার হিসেবে দ্রুততম সময়ে ৫০ উইকেটের গর্বিত মালিক এখন আলী।

সাম্প্রতিক সময়ে বদলে যাওয়া পাকিস্তানকে যেমন ব্যাট হাতে ২৩ বছর বয়সী বাবর আজম প্রতি ম্যাচেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, একইভাবে একই বয়সে বল হাতে ওয়ানডে ক্রিকেটে দাপট দেখিয়ে চলেছেন আলী। আলীর গতির কাছে নতি স্বীকার করে লংকাদের ইনিংস ৪৯ ওভারে ২০৯ রানেই গুটিয়ে যায়। গত বছর আগস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হবার পরে ২৪ ম্যাচে তৃতীয়বার আলী ৫ উইকেট দখল করলেন। এর আগে আলী অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ উইকেট দখল করেছিলেন। দ্রুততম সময়ে উইকেটের হাফ সেঞ্চুরি করার তালিকায় ডান-হাতি এই পেসার পিছনে ফেরেছেন পাকিস্তানী গ্রেট ওয়াকার ইউনুস, সাকলাইন মুস্তাক ও শোয়েব আখতারকে।

একইসাথে ২০১৭ সালে আলী নিজেকে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকায় শীর্ষে নিয়ে গেছেন। এ পর্যন্ত তিনি চলতি বছর দখল করেছেন ৪০ উইকেট। ৩৬ উইকেট নিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের লিয়াম প্লানকেট ও রশীদ খান। এক ক্যালেন্ডার বছরে চতুর্থ পাকিস্তানী ও বিশে^র নবম বোলার হিসেবে আলী তিনবার ৫ উইকেট দখল করলেন। এর আগে ২০১১ সালে পাকিস্তানী হিসেবে শহীদ আফ্রিদী এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন। জুনে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ে ৫ ম্যাচে হাসানের ১৩ উইকেট প্রাপ্তি বড় ভূমিকা রেখেছিল।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫