ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

আলোচনা

মানুষের প্রতি জীবনের প্রতি

ইশতিয়াক রাশদী

১৯ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৬:২৪


প্রিন্ট

জীবনে আনন্দ চাই। আনন্দের স্ফূরণ চাই। চাই আনন্দের ঘনিষ্ঠ প্রকাশ। যার সাহায্যে জীবন হবে শাণিত। হবে অনুপ্রাণীত। হবে অনুকরণীয় আদর্শের এক প্রতিভূ। জীবনের বাঁকে বাঁকে ছড়ানো আনন্দই মানুষকে রাখে জীবন্ত। শুধু জীবিত থাকার মধ্যে নেই কোনো বিশেষত্ব। নেই কোনো উৎকর্ষের উপমা। বরং জীবন্ত থাকার মধ্যেই রয়েছে জীবনের প্রাণ। জীবন্ত প্রাণই সঞ্চার করে জীবনের স্বর। যে স্বর পৌঁছে যায় জীবন থেকে জীবনে। যে স্বরে কান পাতলে শোনা যাবে জীবনের অন্যরকম স্পন্দন। 

জীবনকে নির্মাণ করতে হয়। গ্রহণও করতে হয়। গ্রহণ করতে হয় সহজভাবে। সাবলীলভাবে পাশে রাখতে হয় জীবনকে। সহজভাবে বলার যেমন আনন্দ আছে। সহজভাবে করারও আনন্দ আছে। সহজভাবে বিশ্বাসের আনন্দও কম নয়। এই সহজীয়া ভাবই মানুষকে জীবনের ঘনিষ্ঠতায় টেনে আনে। মানুষ যেভাবে সাজায় জীবনকে সেভাবে সেজে ওঠে জীবন। সেভাবেই বেড়ে ওঠে। সেভাবেই পরিচালিত হয়। এখানেই জীবন পরিচালনার আনন্দ জাগিয়ে ওঠে। এভাবেই জীবন হয়ে ওঠে আনন্দের প্রতিভূ। জীবনে জেগে ওঠে আনন্দের ধ্বনি। এ ধ্বনি বাজে জীবনের সর্বত্র। বাজে সব কাজের হৃদয়জুড়ে।
প্রকৃত অর্থে মানুষ বসত করে তার অন্তরের গহিনে। তার হৃদয়ের গভীর গহনে। যেখানে লুকায়িত মানুষের সাধ আহলাদ। যেখানে গচ্ছিত মানুষের স্বপ্নের পৃথিবী এবং যেখানে মানুষ বিচরণ করে কল্পনার মতো সীমাহীন উৎসবে। যে উৎসব মানুষকে সীমার বাঁধন ছেড়ার মন্ত্রণা দেয়।
এভাবেই মানুষ সীমাবদ্ধতা থেকে সীমাহীনতার ভেতর প্রবেশ করে। সসীম থেকে অসীমতায় জাগ্রত থাকে। যত বড় করে জীবনকে ভাবা যায় জীবন তত বড় হয়ে জেগে ওঠে। সঙ্কীর্ণতার দেয়াল ভাঙতে পারলেই মিলবে উদারতার উৎসব। উদারতায় মানুষকে আনন্দ জোগায়। উদার জীবনই মানুষের আনন্দময় জীবন।
জীবনকে আনন্দময় উৎসবে জাগিয়ে তোলার সাধনা চাই। চাই দৃষ্টির ঔদার্য। চাই ঘনিষ্ঠভাবে দেখার চোখ। সেই সাথে পজেটিভ দৃষ্টি। যাকে বলা যায় ভালো মানসিকতা। ভালো চিন্তা। ভালো ভাবনা। নেগেটিভ দৃষ্টি এবং নেগেটিভ ভাবনা মানুষকে দুঃখের দিকে ঠেলে দেয়। দুশ্চিন্তার নদীতে নিক্ষেপ করে। অসুখী করে তোলে। সর্বোপরি বুকের ভেতর জ্বালিয়ে দেয় অশান্তির অনল। জীবনে আনন্দ পেতে হলে দুর্ভাবনার দুঃসহতা থেকে দূরে থাকা চাই। দুশ্চিন্তার দহন থেকে বাঁচতেই হবে। বাঁচতেই হবে ক্ষোভের যন্ত্রণা থেকে।
মানুষের প্রতি জীবনের প্রতি সুধারণা জরুরি। সুধারণার সঙ্গী হলে আনন্দে ভরে ওঠে মানুষের জীবন। অন্তত কুধারণার কুৎসিত যন্ত্রণা থেকে বেঁচে থাকার স্বাদ পাওয়া যাবেই। কুধারণা মানুষের মনের সৌন্দর্য নষ্ট করে। সৌন্দর্যের অনুভূতি ধ্বংস করে। সৌন্দর্যের সান্নিধ্য নিঃশেষ করে। সম্পর্ক নষ্ট করার ক্ষেত্রে কুধারণা অস্ত্র হয়ে ওঠে। সম্পর্কের শরীর ফালা ফালা করে দেয়। পরিবেশের প্রশান্তি যায় উচ্ছন্নে। হালকা হয় বন্ধুত্ব। নষ্ট হয় সামাজিকতা। ব্যক্তি মানুষ যেমন অসুখী হয়। তেমনি অসুখ সৃষ্টি হয় পরিবারে সমাজে এবং দেশে। সুতরাং জীবনে আনন্দের জন্য মনের স্বচ্ছতা বেশ জরুরি। সুধারণার সঙ্গে থাকা জরুরি। কুধারণা দূরে রাখা জরুরি। জীবনের কত বাঁক। কত বাঁকে বয়ে যায় জীবনের নদী। দুঃখের ঢেউ ভাঙে জীবনের এসব বাঁক। সুখের প্রবাহমানতা জীবনকে নিয়ে যায় আনন্দের দিকে। জীবনের সাথে যদি থাকে আনন্দের উচ্ছ্বাস, সে জীবন সুখী হবেই। এ সুখ যেমন ব্যক্তি নিজের জন্য। তেমনি অন্যের জন্য। ঠিক তেমনি তার পরিবেশের জন্য।
একজন সুখী মানুষ তার চার পাশে ছড়িয়ে দেয় সুখ। তার চার পাশ সুখের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে। তাকে ঘিরে আয়োজিত হতে থাকে সুখের উৎসব। সে হয় আসরের মধ্যমণি। তার ওপর থাকে সবার দৃষ্টি। সবার চিন্তায় জেগে থাকে সে। তাকে নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে সবার। তার সাহচার্য হয়ে ওঠে আনন্দের। তার কাছাকাছি যাওয়ার ইচ্ছে জাগে। ভাবনার আদান-প্রদানে সে হয়ে ওঠে সবার আকাক্সক্ষার মুখ। তার সুনাম আলোচিত হয় প্রকাশ্যে। তার খ্যাতির জ্যোতি ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। সে যেমন সম্মানিত, তেমনি হয় শ্রদ্ধার পাত্র। কাছে থেকে মানুষ যেমন তার কল্যাণ কামনা করে, দূর থেকেও কামনা করে। কামনা করে তার সুখময় জীবন। এমন মানুষকে আপন করে পেতে চায় সবাই। সবাই প্রত্যাশা করে তার বন্ধুত্ব। তার সুনজরে থাকার আকাক্সক্ষা জাগ্রত হয় অনেকের।
নিজের ভেতর আনন্দ জাগিয়ে রাখেন যিনি তিনি প্রকৃতির স্বচ্ছলতার মতো। তিনি হৃদয়বান। হৃদয়ের সমস্ত আবেগ ফেলে তিনি কুড়িয়ে নেন আনন্দের পাঁপড়ি। তার আনন্দে উদ্ভাসিত তার পরিবেশ। আলোকিত তার বিচরণ ক্ষেত্র। তার পদচারণায় মুখরিত তার অঙ্গন। জীবনকে তিনি দেখেন অন্যভাবে। অন্য সুন্দরে সাজিয়ে তোলেন জীবনের ডালপালা। তিনি যেমন ফুলের সৌন্দর্য থেকে আনন্দ সংগ্রহ করেন। তেমনি পাতার দোলানিও তাকে আনন্দ জোগায়। ছায়ার শীতলতা যেমন পরশ বোলায়। রোদের ঔজ্জ্বল্যও জোগায় আলোকের প্রেরণা। বৃষ্টির শীতলতা থেকে আনন্দ নেন তিনি। আনন্দ নেন রোদের উষ্ণতার উৎসব থেকে। ঘূর্ণির প্রবল শক্তির কাছ থেকে নেয়া জীবনের উদ্যমতা। বাতাসের বহমানতা থেকে নেয়া যায় জীবনের চাঞ্চল্য।
এভাবেই জীবনকে আনন্দে ভরিয়ে দেয়ার আকাক্সক্ষা থাকা চাই। জীবনকে উজ্জ্বল করার, আলোকিত করার প্রেরণা থাকা চাই। তবে জীবনে বেজে উঠবে আনন্দ ধ্বনি। তবেই আনন্দ ধ্বনি হবে জীবনের বাঁশি। যে বাঁশি বেজে যাবে আপনার হৃদয় থেকে। আপনার সান্নিধ্য থেকে।
হঠাৎ সৃষ্টি হয় না আনন্দের গান। একে সৃষ্টির উপযোগী করে নিতে হয়। নিজেকেও হতে হয় আনন্দের উপযোগী। তবেই ছুঁয়ে যায় আনন্দের বাতাস। তবেই বর্ষণ তোলে আনন্দের বৃষ্টি। তবেই জীবনে ফোটে আনন্দের ফুল।
জীবন সীমাবদ্ধ। কিন্তু সে বসত করে সীমাহীনতার ভেতর। তার সময় সংক্ষিপ্ত। কিন্তু সে বিচরণ করে বিস্তৃত সময়ের শরীরে। সুতরাং অসীম হলেও জীবনে থাকে অসীমতার হাতছানি। থাকে মহাকালের স্পর্শ। এই বিশালত্ব ধারণ করার দৃষ্টিই মানুষকে পৌঁছে দেয় আনন্দের কাছে। সে আনন্দে উদ্বেলিত হয় মানুষ। সে আনন্দে আপ্লুত হয় মানুষ এবং সে আনন্দেই পথ চলে মানুষ।
আনন্দের দরোজাগুলো খুলতে হয় নিজেকে। নিজেকে উন্মোচিত করতে হয় তার দিগন্ত। নিজেকে জাগিয়ে রাখতে হয় আনন্দের পক্ষে। যতটা আনন্দ রাখা যায় হৃদয়ের কাছে ততটাই রাখা দরকার। ততটাই বহন করার ক্ষমতা অর্জন করা জরুরি। হৃদয় উন্মুক্ত করে দিতে হয় এর পক্ষে। হৃদয়ের সঙ্কীর্ণতা মানুষকে খাটো করে তোলে। নিচ মানসিকতার জন্ম দেয়। দৃষ্টিভঙ্গি নিচু করে তোলে। যখন এই হয় তখন মানুষের জন্য অপেক্ষা করে অপমান। তখন মানুষ পাশ কাটাতে চায় তাকে। এড়িয়ে চলার নীতি গ্রহণ করে। সম্মানের জায়গা থেকে নড়ে যায় সে। তাকে সম্মান জানাতে কুণ্ঠিত বোধ করে মানুষ।
জীবনে আনন্দের জন্য মনের স্বচ্ছতা জরুরি। স্বচ্ছতার জ্যোতি মনকে উৎফুল্ল করে। স্বপ্নের আকাক্সক্ষা জাগায় এবং জোগায়। তখন আশাবাদী হয়ে ওঠে মন। তখন স্বপ্নবোনার কাজ করে মনের পৃথিবী। মনকে মানিয়ে নেয়ার মান্যবর করার উৎসাহ জাগে। এমন উৎসাহই মানুষকে নিয়ে যায় আগামীর পথে। ভবিষ্যৎ জীবনের দিকে।
জীবনকে ভালোবাসতে হয়। ভালোবাসতে জানতে হয় এবং ভালোবাসার ভেতর দিয়েই আবিষ্কার করে নিতে হয় স্বপ্নমুক্তির দরোজা। নিজেকে ভালোবাসার একটি আনন্দ আছে। এ আনন্দই জীবনের মর্মমূল। যে নিজেকে ভালোবাসে না অন্যকে ভালোবাসার মতো থাকে না তার মন। থাকে না তার হৃদয়বৃত্তি। আনন্দ পেতে চায় যে, তার কাছে আনন্দ ধরা দেবেই। তার কাছে সুখের মন্ত্র হয়ে আসবে আনন্দের গান। তার কাছেই আনন্দ জেগে থাকবে অহরাত্রি। তার সুখে হাসবে সে। তার দুখে ধৈর্য হয়ে জেগে থাকবে তারই বুকের পাশে। তার বেদনায় শান্তি জোগাবে। কষ্টের সময় ভোলাতে চাইবে কষ্ট বেদনা। দহনের সময় জোগাবে প্রশান্তির জল। লোক দেখানো প্রহসনের জঠরে আনন্দ বসত করে না। শঠতার সাথে থাকে না আনন্দের সুখ। পরশ্রীকাতরতার সাথেও তার নেই দোস্তি। ঘৃণার কাছেও থাকে না তার বন্ধুত্ব। হিংসার বিনাশী পথে থাকে না তার অভিযাত্রা। বিদ্বেষকেও সচেতনভাবে দূরে রাখে সে। পারস্পরিক অবিশ্বাসে দূরে সরে দ্রুত। হানাহানির ধারেকাছেও নেই তার ঘর। আনন্দ মানেই এক অহিংস সুন্দরের হাতছানি। এক অনাবিল সুন্দরের জয়োগান। এক দ্বিধাহীন জীবনের সঙ্গী। সংশয় অথবা সন্দেহের সাথে আনন্দ যায় না। তার ঢেউ ছোটে প্রেমের সরোবরে। যে গায় তার গান তারই সুর হয়ে বাজে সে। তারই ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে জীবনের চার দিকে এবং হৃদয়ের চার পাশে। এবং সময়ের শরীরজুড়ে। কাজের আনন্দ কিংবা আনন্দের কাজ দুটোই চমৎকার। কাজের আনন্দ কাজ সমাপ্তিলগ্নে জেগে ওঠে। কাজ শেষ হওয়ার পর এক ধরনের আনন্দ খেলা করে। তখন মনকে মনে হয় ফুরফুরে। মাথা হালকা মনে হয়। মনে হয় একটা কিছু হলো। এই একটা কিছুই জীবনকে প্রাণিত করে। প্রণীত করে। অর্থবহ করে জীবনকে। খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের মানে। কাজের এ আনন্দই মানুষকে জীবনে গভীর থেকে গভীরে নিয়ে যায়। নিয়ে যায় এক কাজ থেকে অন্যকাজের অঙ্গনে। এক আঙিনা থেকে অন্য আঙিনায়। এক পর্ব থেকে আরেক পর্বে।
আনন্দের কাজ খানিকটা আলাদা। কাজের শুরু থেকেই যেখানে আনন্দ মেলে। এমন কাজ যত করা যায় ততই আনন্দ। কাজের দিকে যতটা এগিয়ে যাওয়া যায় আনন্দও ততটা এগোতে থাকে। আনন্দের কাজ কখনো জীবনের ওপর চেপে বসে না। বসে না বলেই এমন কাজে আলস্য নেই মানুষের। ক্লান্তিও নেই। নেই কোনো দুঃখের দহন। আছে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। পরিতৃপ্তির অনুভূতি এবং প্রশান্তির উন্মাদনা। আনন্দের কাজই আকাক্সক্ষা করে মানুষ। আনন্দের কাজই খুঁজে বেড়ায়। আনন্দের কাজেই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চায় সবাই।
জীবনটা আনন্দের হোক এ আকাক্সক্ষা সবার মনেই বাজে। সবাই চায় আনন্দ তার সঙ্গী হয়ে উঠুুক। সুখে ভরে উঠুক জীবনের সমস্ত বাঁক-প্রতিবাঁক। জীবনে আনন্দই পারে সুখের প্রদীপ জ্বালাতে। পারে এগিয়ে চলার প্রেরণা জোগাতে। দেখাতে পারে নতুন স্বপ্নের আকাশ। যে আকাশ আঁকে জীবন ঘনিষ্ঠ সাহিত্যের তুলি।
জীবনে সৌন্দর্যকে বেছে নিতে হয়। বেছে নিতে হয় জীবনের মৌল চেতনা। চেতনার সৌন্দর্যই জীবনকে আনন্দের দিকে ধাবিত করে। নিয়ে যায় আনন্দ সম্ভারের দিকে। এভাবে মানুষ এগিয়ে যায় জীবনের দিকে। যায় ক্রমাগত স্বপ্নের দিকে। মানুষ যেভাবে দেখে জীবনকে জীবন ঠিক তেমনি রূপ ধারণ করে। তেমন হয়েই দাঁড়িয়ে যায় মানুষের সম্মুখে। কখনো কখনো আপন গতিতেই চলে জীবনগাড়ি। কখনো জীবন বোঝা হয়ে ওঠে জীবনের ওপর। তখন কোনোরকম টেনেটুনে নেয়ার পালা। কোনোরকম সময় পার করার কাহিনী। এমন জীবনে আনন্দ থাকে না। স্বপ্নও থাকে না। থাকে না আশার কোনো আকাশ। তখন হতাশা লালন করতে থাকে মানুষ। হতাশা মানুষকে নিঃস্বপ্ন করে তোলে। তারপর অবষণ্নতা জাগতে থাকে। এভাবে বন্ধ হয় জীবনের সমস্ত আনন্দের দরোজা। শেষ হয়ে যায় জীবনের সমস্ত উৎসব।
জীবনকে খাটো করে দেখার কোনো কারণ নেই। জীবন এক বিশাল অনুভূতির বিষয়। অনেক দীর্ঘ দৃষ্টির বিষয়। অতীত এবং আগামীকে আজকে এনে দেখার বিষয়। জীবনের এই বৃহত্তর ক্ষেত্র অনুধাবন করার মতো দৃষ্টি অর্জন করা জরুরি। এমন দৃষ্টিই মানুষকে জীবনের মুখোমুখি করে। মানুষ তখন আত্মসমালোচনা করার এবং নিজের সাথে নিজে কথা বলার অবসর পায়। এই যে অবসর এটি জীবনের জন্য বেশ দরকারী।
জীবনের আনন্দ আসে আত্মার আনন্দ থেকে। আত্মার সাথে সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ। আত্মাই আমিত্বের প্রতিনিধি। আত্মার গৌরব থেকেই জন্মায় আত্মগৌরব। আত্মগৌরব মানুষকে মর্যাদাবান করে। আত্মগৌরব মানেই আত্মসম্মানের তীব্র অনুভূতি।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫