ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

কম্পিউটার ও আইটি

বাংলাদেশে পেপ্যাল সার্ভিস নিয়ে এতো বিতর্ক কেন?

বিবিসি বাংলা

১৯ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১০:১০ | আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১০:১৪


প্রিন্ট
পেপ্যালের 'ইনওয়ার্ড সার্ভিস'

পেপ্যালের 'ইনওয়ার্ড সার্ভিস'

বাংলাদেশে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট সংস্থা পেপ্যালের 'ইনওয়ার্ড সার্ভিস' - যার মাধ্যমে বাইরে থেকে বাংলাদেশে খুব সহজে টাকা পাঠানো যাবে।
কিন্তু এই সেবা কি আসলেই পেপ্যালের, নাকি 'জুম' নামে আর একটি কোম্পানির? - এ নিয়ে দেশটির সামাজিক মাধ্যমসহ নানা মহলে গত বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে তুমুল বিতর্ক।
বিশেষ করে এটি আসলেই পেপ্যাল সার্ভিস কি-না, কিংবা ফ্রি ল্যান্সাররা এ সার্ভিসের মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের অর্থ দেশে আনতে পারবে কি-না নাকি শুধু ব্যক্তি টু ব্যক্তি লেনদেন হবে এসব নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে ফেসবুক সহ নানা মাধ্যমে।
অনেকেরই অভিযোগ পেপ্যালের নামে নতুন করে যেটি উদ্বোধন করা হচ্ছে সেটি আসলে জুম মানি ট্রান্সফার সার্ভিস যেটি আগে থেকেই চালু রয়েছে।
তবে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলছেন এখন থেকে দেশের বাইরে থেকে কেউ চাইলে যে কোন সময় তার পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা বাংলাদেশে পাঠাতে পারবেন।
তিনি বলেন পেপ্যালের মাধ্যমে টাকাটা বাংলাদেশে আসার উদ্বোধন হচ্ছে আজ। সেবাটি চালু হলে পাঁচ লাখ ফ্রি ল্যান্সার উপকৃত হবে। তবে আউটবাউন্ড এবং পেপ্যাল অ্যাকাউন্ট খোলার মতো আরও যেসব সার্ভিস আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন পেপ্যালের সাথে আগে কোন সংযোগ ছিলোনা। কিন্তু এখন যে কোন সময় মাত্র ৪০ মিনিটে বিদেশ থেকে টাকাটা চলে আসবে আর ১ হাজার ডলার পর্যন্ত পাঠাতে মাত্র ৪.৯৯ ডলার ফি দিতে হবে।
কিন্তুএ সেবা চালু করা নিয়ে এতো বিভ্রান্তি তৈরি হলো কেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান তারা প্রথমে জুমের সাথে সোনালী ব্যাংকের সাথে চুক্তির ব্যবস্থা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু নীতি নিয়ে কাজ করেছেন। এর ফলে ব্যাংক টু ব্যাংক লেনদেন শুরু হয় নবেম্বর থেকে।
"পরে জানতে পারি পেপ্যাল জুমকে কিনে নিচ্ছে। এখন ব্যক্তিরাও ব্যবহার করতে পারবেন। আগে ওয়ার্কিং আওয়ার ছাড়া টাকা পাঠাতে পারতোনা। এখন যে কোন সময় বিদেশ থেকে কেউ চাইলে কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন"।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫