ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৩ নভেম্বর ২০১৭

আরো খবর

অভিযোগ তদন্ত ও বিচারের জন্য প্রধান বিচারপতিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি শামসুদ্দিন মানিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:২৯


প্রিন্ট

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ১১ অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের সময় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। তিনি বলেন, সংবিধান ও আইন অনুযায়ী, একমাত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতি ছাড়া সবার অপরাধের বিচার হওয়ার বিধান রয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে। এসব অভিযোগের পে যথেষ্ট স্যাপ্রমাণও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গতকাল জাতীয় প্রেস কাবের সামনে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বোয়াফ) নামে একটি সংগঠনের মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান।
আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির দুর্নীতির কারণে বিচার বিভাগের মানমর্যাদা নষ্ট হবে তা হতে পারে না। এই কারণেই তার সহকর্মীরা, অর্থাৎ আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সাথে আদালতে বসতে অসম্মতি জানিয়েছেন।’ ওই পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণেই বিচারপতি সিনহা ‘বাধ্য হয়ে ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া চলে গেছেন।’
তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট এই অভিযোগ নির্বিচারে যেতে পারে না। তার (বিচারপতি সিনহা) বিরুদ্ধে যখন তদন্ত ও বিচার হবে, তখন তাকে দেশে ফরিয়ে আনতে হবে।
ষোড়শ সংশোধনীর রায় প্রসঙ্গে বিচারপতি সিনহা ‘ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন’ মন্তব্য করে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তার (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) সম্পর্কে যে কথাগুলো বলেছেন, সে কারণেই তার বিচার হওয়া উচিত। শুধু দুর্নীতির কারণে নয়, তার ওই উক্তি, আমি মনে করি দেশদ্রোহিতার শামিল। এই জন্য আমি মনে করি, তার বিচার হওয়া বাঞ্ছনীয়।’
‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, প্রধান বিচারপতির অভিযোগেরও যেন বিচার হয়’ এই স্লোগান নিয়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বোয়াফের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান আলম সাজু, ব্যারিস্টার সোহরাব খান, জয়বাংলা মঞ্চের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫