ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

ফুটবল

রোনালেদোর পেনাল্টিতে আত্মঘাতী গোলের দায় শোধ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৮ অক্টোবর ২০১৭,বুধবার, ০৬:১১ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০১৭,বুধবার, ০৬:১৮


প্রিন্ট
 রোনালেদোর পেনাল্টিতে আত্মঘাতী গোলের দায় শোধ

রোনালেদোর পেনাল্টিতে আত্মঘাতী গোলের দায় শোধ

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পেনাল্টিতে রক্ষা হলো রিয়াল মাদ্রিদের। নয়তো আত্মঘাতী গোলের জেরে তাদেরকে টটেনহামের কাছে হারতেই হতো। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ এইচের এই ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয় ১-১ গোলে।

অথচ শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত রোনালদোরা। কিক অফের পাঁচ মিনিটেই রোনালদোর হেড ফিরে আসল সাইড পোস্টে লেগে। ফিসফাস - ভাগ্য খারাপ! তার মানে তো রিয়াল মাদ্রিদের জন্যও খারাপ বার্তা। ১২ মিনিট পরে ফিসফাসটি জোরালো হলো বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া রোনালদোর শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে গেলে। তাহলে কী ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আজ মাদ্রিদের দুর্ভাগ্যের গল্পই লিখতে হবে? ম্যাচের গতি বাড়ার সঙ্গে ২৮ মিনিটে ভারানের আত্মঘাতী গোলে মাদ্রিদ পিছিয়ে পরলে তাই-ই তো মনে হচ্ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগে ইংলিশ ক্লাব টটেনহামের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রোনালদোর রিয়াল মাদ্রিদ। সমতাসূচক গোলটি এসেছে রোনালদোর পা থেকেই।

৪২ মিনিটে লুকা মডরিচ ও টনি ক্রুসের কল্যাণে ম্যাচের সেরা মুভ বলা যায়। শেষ মুহূর্তে মিডফিল্ডার ক্রসকে ঠেকাতে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন উরের । পেনাল্টি পায় মাদ্রিদ। স্পটকিক থেকে মাদ্রিদকে সমতায় ফেরান রোনালদো। এর মধ্যে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি আসরে পাঁচ গোল হলো রোনালদোর। কিন্তু ৫৪ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটি মিস করেছেন করিম বেনজেমা। ক্যাসিমিরোর ক্রস গোলমুখ থেকে বেনজেমা হেড করলে দুর্দান্ত সেভ করেছেন টটেনহাম গোলরক্ষক হুগো লরেস।

রিয়াল - মাদ্রিদ ও টটেনহামের লড়াইয়ের মধ্যেও একটি বাড়তি লড়াই ছিল পর্তুগিজ রোনালদো ও ইংল্যান্ডের হ্যারি কেনের মধ্যে। কারো দলই না জেতায় , তাদের লড়াইটি থামল সমতায়। এই ড্রয়ের ফলে তিন ম্যাচ শেষে দুই দলের পয়েন্টই সাত।

আর্সেনালে যাবার বিষয়টি কখনই বিবেচনা করেননি স্টার্লিং
আরো দীর্ঘদিন ম্যানচেস্টার সিটিতেই থাকতে চান ক্লাবটির তারকা মিডফিল্ডার রাহিম স্টার্লিং- এমন মন্তব্য করে ইংলিশ এই মিডফিল্ডার জানিয়েছেন কখনই আর্সেনালে যাবার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করেননি বা এই বিষয়ে আগ্রহ দেখাননি।

গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষদিকে সিটি চিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ড এ্যালেক্সিস সানচেজকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তখনই গুজব উঠেছিল স্টার্লিং হয়তবা এমিরেটস স্টেডিয়ামে পাড়ি জমাচ্ছেন। পেপ গার্দিওলার সিটির পক্ষ থেকে সবসময়ই একটা ইঙ্গিত ছিল সানচেজকে দলে নিতে প্রয়োজনে মোটা অঙ্কের অর্থই ক্লাবের পক্ষ থেকে ব্যয় করা হবে। এজন্য অবশ্য ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তির বিষয়টিও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সানচেজ আর্সেনালেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। আর্সেনালও সানচেজকে ছেড়ে দিতে এই চুক্তিতে রাজী ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে মোনাকো থেকে থমাস লেমারকে দলভূক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সানচেজকে আর ছাড়েনি গানার্সরা।

তবে স্টার্লিং জানিয়েছেন সিটি ছাড়ার কোন সম্ভাবনাই তিনি কখনো বিবেচনা করেননি। ২০১৫ সালে জুলাইয়ে ৪৪ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে সিটিতে যোগ দেয়া স্টার্লিংয়ের সাথে এখনো আড়াই বছরের চুক্তি বাকি রয়েছে। ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে থাকার কথা স্পষ্টভাষায় জানিয়ে স্টার্লিং বলেছেন কোচ গার্দিওলার অধীনে তিনি নিজের পারফরমেন্সের আরো উন্নতি করতে চান। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এখানে আমি পাঁচ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এখনো আমার চুক্তি আড়াই বছর বাকি রয়েছে। দারুন একটি দলের সাথে অসাধারণ একজন ম্যানেজারের অধীনে আরো দীর্ঘদিন আমি থাকতে চাই। এখানে পেপের সাথে কথা বলার কিছু নেই। ইতোমধ্যেই প্রাক-মৌসুমে আমি এই বিষয়টি নিয়ে তার সাথে আলোচনা করেছি। এ পর্যন্ত কোন ধরনের নেতিবাচক মনোভাব আমি কারো সাথে দেখাইনি। ম্যানেজারের কাছ থেকে কিছু শোনার আগ পর্যন্ত আমি এই বিষয়ে কখনই কোন সিদ্ধান্ত নিবা না। কোচের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।’

এবারের মৌসুমে সিটির হয়ে স্টার্লিং সব ধরনের প্রতিযোগিতায় সাতটি গোল করেছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫