ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

রাজনীতি

স্বাধীন রাষ্ট্র ছাড়া রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় হবে না : খেলাফত আন্দোলন

১৩ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ২০:২৭


প্রিন্ট

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরীর আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেছেন, যে জাতিসংঘ ইন্দোনেশিয়া ভাগ করে পূর্বতিমূর এবং সুদান ভাগ করে খ্রিষ্টানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র দক্ষিণ সুদান তৈরী করে; সেই জাতিসংঘের উচিত শতবছর ধরে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র ‘আরাকান’ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা। স্বাধীন রাষ্ট্র ছাড়া রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায় হবে না।

আজ শুক্রবার শনির আখড়া ব্রিজের উপর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ঢাকা জেলা দক্ষিণের উদ্যোগে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ ও রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার প্রদান করে ফিরিয়ে নেয়ার দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

হাজী আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন খেলাফত আন্দোলনের ঢাকা মহানগরীর নায়েবে আমির মাওলানা ফিরোজ আশরাফী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মুফতি মামুনুর রশীদ, প্রিন্সিপাল শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রব, ফেরদৌস আহমদ কোরাইশী, মাওলানা মাহফুজুর রহমান, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, হাজী মাহবুবুর রহমান, মাস্টার জামাল উদ্দিন, এস আর খান প্রমুখ।

মাওলানা হামিদী বলেন, মিয়ানমার সরকারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, রোহিঙ্গাদের গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, বাড়িঘর, মসজিদ-মাদরাসা জালিয়ে দিয়ে বিতাড়িত করা বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্টতম বর্বরতা। সেখানে মানবতার লেশমাত্রও নেই। মুসলমানদের রক্তের স্রোতে ভাসছে আরাকান। রোহিঙ্গারা এখন বিশ্বের রাষ্ট্রহীন নাগরিক। শরনার্থীদের বার্মায় ফিরিয়ে নেয়ার কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও আইওয়াশ মাত্র। সেখানে হত্যা, অগ্নিসংযোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, মুসলমানদেরকে দেশ ছাড়তে মাইকিং করছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকারের অমানবিক হত্যাকাণ্ড বন্ধ ও তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করতে হবে। জাতিসংঘ, ওআইসিসহ বিশ্ববাসীকে মিয়ানমার সরকারকে বয়কট এবং অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে হবে। তাদের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধে সামরিক অভিযান চালাতে হবে। বিজ্ঞপ্তি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫