ঢাকা, বুধবার,১৮ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা

নারায়ণগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে ‘বন্দুক শাহীন’ নিহত

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

১৩ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ১৯:১৪


প্রিন্ট
নারায়ণগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে ‘বন্দুক শাহীন’ নিহত

নারায়ণগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে ‘বন্দুক শাহীন’ নিহত

নারায়ণগঞ্জের দুর্ধর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয় একটি ৭.৬৫ বোরের পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলি।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় শহরের গলাচিপা এলাকায় বন্দুক শাহীনের মাদক আস্তানায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। শাহীনের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় দুই ডজনের বেশি মামলা রয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের গলাচিপা এলাকায় বন্দুক শাহীনের মাদকের আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে শাহীন তার সহযোগীদের নিয়ে ডিবির উপর হামলা চালায়। মাদক ব্যবসায়ীরা ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পাল্টা গুলি ছুড়া হয়। এ সময় ক্রসফায়ারে পড়ে নিহত হয় শাহীন।

কে এই বন্দুক শাহীন
একসময়ের দুর্দান্ত বেডমিন্টন খেলোয়াড় হিসেবে সুখ্যাতি পাওয়া শাহীন ৯০’এর দশকের শেষ সময়ে স্থানীয় ক্যাডার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পুলিশের কাছে কাটা রাইফেল নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে তার নাম হয়ে যায় ‘বন্দুক শাহীন’। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের তৎকালীন বিএনপিদলীয় এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের শেল্টারে শাহীন বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

এ সময় ওপারেশন ক্লিনহার্ট অভিযানে গ্রেফতার হলেও তদবিরে রক্ষা পায়। ফিরে এসে এলাকায় চাঁদাবাজির সঙ্গে সে ও তার ছোট বোনের স্বামী তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী আসলাম শহরের কলেজ রোড এলাকায় শুরু করে ফেনসিডিলের ব্যবসা।

২০০৪ সালে বিএনপি নেতা তৈমুর আলম খন্দকারের মেজ ভাই ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার খুনের মামলায় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এবং বন্দুক শাহীন আসামি হয়।

সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ৭ খুনের ঘটনার পর নূর হোসেন দেশ ত্যাগ করলে পুরো জেলার ইয়াবা ও ফেনসিডিলের একক আধিপত্য চলে আসে বন্দুক শাহীনের কাছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫