ঢাকা, বুধবার,১৮ অক্টোবর ২০১৭

ইউরোপ

শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-গবেষণায় অর্থ ব্যয়ে এগিয়ে ফিনল্যান্ড

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৩ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ১৫:১৭


প্রিন্ট
শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-গবেষণায় অর্থ ব্যয়ে এগিয়ে ফিনল্যান্ড

শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-গবেষণায় অর্থ ব্যয়ে এগিয়ে ফিনল্যান্ড

ফিনল্যান্ড শিক্ষা, প্রশিক্ষণ আর গবেষণার পেছনে প্রচুর অর্থ ব্যয় আর এর ফলশ্রুতিতে সেখান থেকে বিশ্বের সেরা কর্মী-বাহিনী তৈরি হচ্ছে। এর ফলেই ঐতিহ্যবাহী কাঠ ও ধাতু শিল্পের পাশাপাশি টেলিকমিউনিকেশন শিল্পে সাফল্য দেখাতে পেরেছে দেশটি।

শীতপ্রধান দেশ হিসেবে ফিনল্যান্ডের পরিচিতি পৃথিবীব্যাপী। এদেশের মানুষ শীতকে উপভোগ করে। শীতকালে এই দেশের তাপমাত্রা থাকে ০ ডিগ্রি থেকে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কখনও শীতকালে তাপমাত্রা -২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও নেমে যায়।

এ দেশটি বছরের মধ্যে চার মাসই তুষারে ঢাকা থাকে। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও খুব যে সহনীয় মাত্রায় যায় তা কিন্তু নয়। ঘুরেফিরে এ দেশের তাপমাত্রাও থাকে বরফবিন্দুর কাছাকাছি। ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে ঠাণ্ডা অঞ্চল হচ্ছে ল্যাপল্যান্ড। এ অঞ্চলে তাপমাত্রা তো সর্বনিম্ন হয়ই, এর সঙ্গে যুক্ত হয় তীব্র ঠাণ্ডা বাতাস; যা মুহূর্তেই আপনাকে কাঁপিয়ে দিতে পারে। 

‘হাজার হ্রদের দেশ’ খ্যাত ফিনল্যান্ড হচ্ছে ইউরোপের একেবারে উত্তরের দেশ। দেশটির মোট আয়তনের এক দশমাংশই জলাশয় আর দুই তৃতীয়াংশ হচ্ছে বনভূমি। ২০১৪ সালের হিসেব অনুযায়ী ৩,৩৮,১৪৫ বর্গ কিলোমিটারের এ দেশটির জনসংখ্যা ৫৫ লাখের মত। উত্তর মেরুর কাছাকাছি হওয়ায় গ্রীষ্মে ১০ সপ্তাহের মত সূর্য অস্ত যায় না, মধ্যরাতের আকাশেও সূর্য দেখা যায় আর শীতে ৮ সপ্তাহের মত সূর্য দিগন্ত রেখার ওপরে ওঠে না।

দীর্ঘ সময় সুইডেন এবং রাশিয়ার শাসনাধীন থাকায় দেশটির সংস্কৃতিতেও সুইডেন এবং রাশিয়ার প্রভাব দেখা যায়। ১৯৯৫ সালে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হয়। ১৯৫০ এর দশক পর্যন্ত ফিনল্যান্ড কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবেই পরিচিত ছিল। এরপর শিল্পায়নের প্রতি জোর দেয়া হয় এবং নরডিক ঘরানার কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫