ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

আরো খবর

২৯ ঘণ্টা পর পানির নিচ থেকে উদ্ধার

অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন সোহাগ

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা

১৩ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ০০:২০


প্রিন্ট

‘নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া একটি বালুবাহী বাল্কহেড থেকে ২৯ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এর ইঞ্জিন মিস্ত্রি সোহাগ হাওলাদারকে (৩০)। ডুবে যাওয়ার পর বাল্কহেডটি বাঁকা হয়ে থাকায় ইঞ্জিন রুমের ভেতরে পানি প্রবেশ না করায় তিনি বেঁচে যান।’
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় তাকে উদ্ধারের পর চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগের দিন ১১ অক্টোবর বুধবার বেলা ১১টায় বন্দর উপজেলার ২নং ঢাকেশ্বরী সোনাচড়া এলাকায় বিআইডব্লিউটিসির ডুবন্ত জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বালুবাহী বাল্কহেড ‘এমভি মুছাপুর’ ডুবে যায়। ওই সময়ে বাল্কহেডটিতে ছয়জন শ্রমিক ছিলেন যাদের মধ্যে পাঁচজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ ছিলেন সোহাগ হওলাদার। পরে বন্দর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালালেও সোহাগকে উদ্ধার করতে পারেননি।
সোহাগ হাওলাদার বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ এলাকার বাদল হাওলাদারের ছেলে।
নারায়ণগঞ্জ নৌপুলিশের ওসি আবু তাহের খান জানান, ‘দুই দফা খোঁজাখুঁজির পর যখন পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন সবাই আশা ছেড়ে দেন তিনি আর জীবিত নেই। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে লাশ খোঁজা হয়। তখন সোহাগকে উদ্ধার করা হয়েছে। ৩০ ফুট পানির নিচে ২৯ ঘণ্টা তিনি জীবিত ছিলেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।’
উদ্ধারকারী ডুবুরি মো: জাহাঙ্গীর শিকদার বলেন, বৃহস্পতিবার আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভেতরে মানুষ আছে বলে আলামত পাওয়া যায় এবং তিনি জীবিত বলে নিশ্চিত হই। পরে আরো আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে বাল্কহেডের দরজা বিশেষ পদ্ধতিতে ফাঁকা করে তাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫