ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ অক্টোবর ২০১৭

আরো খবর

কেরানীগঞ্জে পানির ট্যাংকে পাওয়া গেল শিশুর লাশ

কেরানীগঞ্জ সংবাদদাতা

১৩ অক্টোবর ২০১৭,শুক্রবার, ০০:২০


প্রিন্ট

কেরানীগঞ্জের কবুতর পাড়ায় একটি বাড়ির নিচতলায় পানির ট্যাংক থেকে মাহাদী হাসান নামে আট বছরের এক স্কুলছাত্রের লাশ পাওয়া গেছে। গতকাল ভোরে হঠাৎ শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পানির ট্যাংকে তার লাশ দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। শিশুটির স্বজনদের দাবি, মাহাদীকে কেউ হত্যা করে বদ্ধ পানির ট্যাংক ফেলে রেখেছে।
জানা গেছে, শিশুটির বাবা ইমন হোসেন সৌদিপ্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে মাহাদী ছিল সবার বড়। সে স্থানীয় স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছিল।
থনিহতের মামা পাপ্পু এ প্রথতিথবেদকথকে বথলেন, একথটি বিথয়ের অনুষ্ঠাথনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আমরা। হঠাৎ ভাথগিনা মাহদীথকে দেখছিলাম না। তারপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলানো যায়নি। পরে বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর তথ্য মতে পানির ট্যাংক থেকে মাহাদীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, সব সময়ই বাড়ির পানির রিজার্ভ ট্যাংকের ঢাকনা আটকানো থাকে। সুতরাং শিশুটি কোনো রকম পানির ট্যাংকিতে পড়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, যে কেউ তার ভাগিনাকে মেরে পানির ট্যাংকে ফেলে ঢাকনা দিয়ে রেখেছে।
তবে নিহত শিশুটির স্বজনদের সন্দেহের তীর বাড়ির নিরাপত্তা কর্মীর দিকে। তাদের অভিযোগ, মাহাদী প্রায়ই পরিবারের অজান্তে রিজার্ভ ট্যাংকে থেকে পানি উপরের ট্যাংকেতে নিতে মোটর ছাড়ত। এ নিয়ে কয়েকবার নিরাপত্তাকর্মী তাদের অভিযোগও করেছে। তাদের ধারণা, মাহাদী ভোরে মোটর ছাড়তে গেলে দারোয়ান তাকে মেরে ট্যাংকের মধ্যে ফেলে রাখে। তাছাড়া স্বজনদের প্রশ্ন, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী কিভাবে জানলো পানির ট্যাংকে মধ্যে শিশুটির লাশ রয়েছে? তাই শিশুটির স্বজনদের সন্দেহের তীর এখন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর দিকে। তবে এ খবর লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করেনি পুলিশ।
কেরানীগঞ্জ দথণি থানার ওথসি মনিরুল ইসলাম নয়া দিগন্তথকে জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫