ঢাকা, মঙ্গলবার,১২ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা

কেরানীগঞ্জে পানির ট্যাংকিতে পাওয়া গেলো শিশুর লাশ

কেরানীগঞ্জ সংবাদদাতা

১২ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৮:৩৬


প্রিন্ট

কেরানীগঞ্জের কবুতর পাড়ায় একটি বাড়ির নিচ তলায় পানির ট্যাংকি থেকে মাহাদী হাসান নামে আট বছরের এক স্কুল ছাত্রের লাশ পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে পানির ট্যাংকিতে তার লাশ পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ

শিশুটির স্বজনদের দাবি, মাহাদীকে কেউ হত্যা করে বদ্ধ পানির ট্যাংকিতে ফেলে রেখেছে।

তবে সন্ধ্যায় এ খবর লেখা পর্যন্ত শিশুটির হত্যার রহস্য উম্মোচন করতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, শিশুটির বাবা ইমন হোসেন সৌদি প্রবাসী। তিন ভাইয়ের মধ্যে মাহাদী ছিল সবার বড়। সে স্থানীয় স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিহতের মামা পাপ্পু এ প্রতিবেদককে বলেন, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আমরা। হঠাৎ ভাগিনা মাহদীকে দেখছিলাম না। তারপর অনেক খোঁজাখুজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর তথ্যমতে পানির ট্যাংকি থেকে মাহাদীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, সব সময়ই বাড়ির পানির রিজার্ভ ট্যাংকির ঢাকনা আটকানো থাকে। সুতরাং শিশুটি ট্যাংকিতে পড়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি অভিযোগ করেন, যে কেউ তার ভাগিনাকে মেরে পানির ট্যাংকিতে ফেলে ঢাকনা দিয়ে রেখেছে।

তবে নিহত শিশুটির স্বজনদের সন্দেহ বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর দিকে। তাদের অভিযোগ, মাহাদী প্রায়ই পরিবারের অজান্তে রিজার্ভ ট্যাংকি থেকে পানি উপরের ট্যাংকিতে নিতে মটর ছাড়তো। এনিয়ে কয়েকবার নিরাপত্তা কর্মী তাদের অভিযোগও করেছে। তাদের ধারণা, মাহাদী ভোরে মটর ছাড়তে গেলে দারোয়ান তাকে মেরে ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রাখে। তাছাড়া স্বজনদের প্রশ্ন, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী কিভাবে জানলো পানির ট্যাংকির মধ্যে শিশুটির লাশ রয়েছে? তাই শিশুটির স্বজনদের সন্দেহ বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর দিকে।

তবে এ খবর লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীকে আটক করেনি পুলিশ।

কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে জানান, ওই এলাকার ডা. সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থাকতো মাহাদীর পরিবার। বাড়িটির নিচতলা পানির ট্যাংকি থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫