ঢাকা, বুধবার,১৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অর্থনীতি

গ্রামীন অর্থনীতির মূল অংশে কারো দৃষ্টি নেই : ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

১২ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৭:৩৬ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৭:৪১


প্রিন্ট
অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ (ফাইল ফটো)

অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ (ফাইল ফটো)

গ্রামীন অর্থনীতি বহুমূখীকরণ আজ এদেশের জন্য বড় শক্তি। গ্রামে কৃষি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড বেড়েছে সাত শতাংশ। কৃষি বহির্ভূত প্রতিষ্ঠানে যে ৫০ থেকে শতাধিক শ্রমিক কাজ করছে তাদের ঋণ দেয়ার কেউ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

পরিসংখ্যানগত বিজনেস রেজিস্ট্রারের খসড়া প্রশ্নপত্র নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের বিবিএস ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

পরিসংখ্যান সচিব কেএম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বক্তব্য রাখেন, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, এসডিজির মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য জুয়েনা আজিজ।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের বাণিজ্য যে আকারে পৌঁছেছে তাতে আরো গভীর সমুদ্র বন্দর দরকার। তা না হলে জাহাজ নোঙর করা যাচ্ছে না। দরকার আরো শেড করা।

ড. ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে ৫০ এর কম শ্রমশক্তি নিয়োজিত তারা বিভিন্ন সংস্থা থেকে অর্থায়ন পাচ্ছে। যারা পাচ্ছে না তাদের নিয়ে ভাবতে হবে। শ্রম শক্তি জরীপের তথানুযায়ী কৃষিতে ৫০শতাংশ শ্রমশক্তি কাজ করছে। কৃষিবহির্ভূত অর্থনীতি কর্মকাণ্ড হয় ঘরের ভেতরে। গ্রামের কৃষকরা শুধু কৃষিতে আটকে নেই। এর বাইরেও তারা কাজ করছে।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, এসডিজির অনেক সুচকের ডাটা আমাদের নেই। যা আমাদের দরকার। কারণ আরো অনেক সুচক যুক্ত হবে। এই ডাটা দেয়ার দায়িত্ব পরিসংখ্যান ব্যুরোর।

তিনি বলেন, আমাদের যেখানে যা তথ্য দেয়া দরকার তা দেই না আমরা। তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দরকার জাতীয় পর্যায়ের কমিটি। যা মিছিং হয়েছে।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫