ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ অক্টোবর ২০১৭

অর্থনীতি

চাঁদপুরে হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড

বাসস

১১ অক্টোবর ২০১৭,বুধবার, ১৭:৪২


প্রিন্ট

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে চাঁদপুর। গত ৬ এপ্রিল-২০১৭ তারিখে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচালক-১ সামিউল হাসান স্বাক্ষরিত এক পত্রে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবদুস সবুর মন্ডলকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ৩ হাজার ৯শ ৯৯ দশমিক ৬০ একর ভূমি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়। এ ছাড়া ও হাইমচরের ৪ হাজার ৭শ’ একর ভূমি নিয়ে আরেকটি এলাকা অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, মতলব উত্তর উপজেলার নাছিরারকান্দি, নাছিরারকান্দি উত্তর, বাহেরচর, উত্তর বোরোচর, নাপিতমারা, চর-ইদ্রিস, চর-ইলিয়ট, দিয়ারা বোরোচর ও দক্ষিণ বোরোচরের ৩ হাজার ৯৯৯ দশমিক ৬০ একর ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত হবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এ দুটি ইপিজেড কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে জেলার বহু মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নও হবে।

আরও জানায়, ইতিমধ্যে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, শিল্প সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা স্থান পরিদর্শন করেছেন। দেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার উদ্দেশ্যে চাঁদপুরের মতলবে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবদুস সবুর মন্ডল জানান, শুধু মতলবেই নয়, হাইমচরের অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এ দুটি বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুর হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল। তিনি বলেন, ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরকে দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন। তাই আশা করছি, অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরের গুরুত্ব দ্রুত বেড়ে যাবে।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫