হালুয়াঘাট স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন : সমস্যা ও সম্ভাবনা

মুহাম্মদ মাসুদ রানা, হালুয়াঘাট থেকে

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কোল ঘেঁষে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা হালুয়াঘাট। এই উপজেলায় রয়েছে পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত দুটি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। প্রতি বছর ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ খনিজ কয়লা দেশের অভ্যন্তরে ইটভাটা, মিল-ইন্ডাস্ট্রিসহ কয়লাভিত্তিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বছরে প্রায় চার-পাঁচ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হয়ে থাকে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার থেকে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা।

এই আমদানিকৃত কয়লা থেকে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে। কিন্তু বন্দরটির প্রায় তিন যুগ অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি উল্লেখযোগ্য ভাবে। স্থাপিত হয়নি অবকাঠামো, রাস্তাঘাটও হয়নি মানসম্মত। প্রয়োজন রয়েছে একটি বাইপাসের।

অনন্ত সম্ভাবনাময় কড়াইতলী ও গোবড়াকুড়া স্থলবন্দর দুটি ঘিরে রয়েছে হাজার হাজার মালিক ও শ্রমিকের ভাগ্য। বর্তমান সরকারের প্রয়াত সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন এমপি তার জীবদ্দশায় পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা ও ইমিগ্রেশন চালুর ব্যবস্থা করে গেছেন।

এ ব্যপারে গোবড়াকুড়া বন্দরের আমদানি ও রফতানিকারক গ্রুপের মহাসচিব আলহাজ্ব আলী আজগর এবং কড়াইতলী বন্দরের সভাপতি আলহাজ্ব এম. সুরুজ মিয়া জানান, আমাদের সমস্যা অনেক। বন্দর উন্নয়নের স্বার্থে অসংখ্য অভাব-অভিযোগ স্থলবন্দরের চেয়ারম্যান ও সরকারের নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপিকে জানানোর পর তারা পৃথক পৃথকভাবে সরেজমিনে বন্দর দুটি পরিদর্শন করেন এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অদ্যাবদী কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

হালুয়াঘাটের ব্যবসায়ী ও অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভারত ছাড়াও নেপাল-ভুটানের মতো দেশের সাথে হালুয়াঘাটের সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে যাতায়াত ও যোগাযোগের জন্য এই স্থলবন্দর দুটির ইমিগ্রেশন পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যাপক উন্নয়নের স্বার্থে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালু করা জরুরি।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.