ঢাকা, সোমবার,১১ ডিসেম্বর ২০১৭

সংগঠন

খাদ্যের মান নিয়মিত পরীক্ষা ও প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি পবার

বিশেষ সংবাদদাতা

০৭ অক্টোবর ২০১৭,শনিবার, ২০:০৪


প্রিন্ট

খাদ্যের মান নিয়মিত পরীক্ষা ও প্রতিবেদন প্রকাশসহ বাজারজাত করা সব খাদ্য পানীয় বিষ ও ভেজালমুক্ত করার দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)।

একই সাথে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে তৎপর হওয়ারও দাবি জানিয়েছে তারা।

আজ শনিবার শাহবাগে এক মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অনেক আন্দোলন-দাবির মুখে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ প্রণীত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়েছে। কিন্তু তারপরও বিষাক্ত ও ভেজাল খাদ্যদ্রব্যে বাজার সয়লাব। আর এর ফলস্বরূপ খাদ্যের বিষাক্ততায় নানা ধরনের জটিল রোগ এখন প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে নিয়মিত সব খাদ্য ও পানীয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ল্যাবে পরীক্ষা করে তার ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। খাদ্যের মান পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থাকার পরও কেন জনগণ তার সুফল পাবে না সেই প্রশ্ন তুলে তারা অবিলম্বে নিয়মিত মান পরীক্ষা ও প্রতিবেদন প্রকাশের আহ্বান জানান।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার, কীটনাশক, প্রিজারভেটিভ, গ্রোথ হরমোন যথা ডিডিটি, ক্যালসিয়াম, কার্বাইড, ইথেফেন, ফরমালিন ইত্যাদি ব্যবহার হচ্ছে। মিষ্টিতে ব্যবহার হচ্ছে কাপড়ের রঙসহ নানা রাসায়নিক, শুটকি সংরক্ষণে ডিডিটি ও হেপ্টাক্লোর। মাছ ও মুরগির খাবার উৎপাদনে ব্যবহার হচ্ছে ট্যানারির মারাত্মক বর্জ্যসহ নানা ধরনের রাসায়নিক। তাছাড়া মাছ ও পশু উৎপাদনে নির্বিচারে গ্রোথ হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিকসহ নানাবিধ রাসায়নিক ব্যবহার হচ্ছে। আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে আশু উদ্যোগ জরুরি।

বক্তারা বলেন, এসডিজির লক্ষ্য ২ ও ৩ মানসম্পন্ন খাদ্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এসডিজির লক্ষ্য অনুসারে খাদ্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে আমাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। এসডিজি অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগ এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনতে হবে। বর্তমান অবস্থায় এটি একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫