ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

বিবিধ

এশিয়া কাপ হকিতে অবস্থানের উন্নতি চায় বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

০৫ অক্টোবর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ২১:২৪


প্রিন্ট

বত্রিশ বছর পর আবার ঢাকার মাঠে এশিয়া কাপ হকি। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের (সাবেক ঢাকা স্টেডিয়াম) বদলে এখন খেলা হবে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে। ঘাসের মাঠ আর নেই। খেলা হবে টার্ফে। এতকিছু পরিবর্তনের মধ্যে বাংলাদেশ কি পারবে এশিয়ান হকিতে নিজেদের অবস্থানের উন্নতি ঘটাতে? এই মুহূর্তে আছে এশিয়ার ৮ নাম্বারে। এর চেয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ হতে পারলে তা হবে পরম কাঙ্খিত। সপ্তম স্থান জুটলে তা হবে মন্দের ভালো। নিজ মাঠে খেলা। তাই অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমির কণ্ঠ থেকে বের হলো ষষ্ঠ হওয়ার লক্ষ্যের বিষয়টি। যদিও এটাকে বেশ কঠিনই বললেন তিনি।

ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম কামালের সুরও তাই। কোচ মাহবুব হারুণের মতে, র‌্যাংকিংয়ের উন্নতিই আমাদের মূল লক্ষ্য। এখনকার অষ্টম স্থানের চেয়ে এগোতে চাই।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ দলের জার্সি উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো বলেন তারা।
জার্সির স্পন্সর ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক।

গ্রুপ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ এশিয়ার তিন শক্তি- ভারত, পাকিস্তান ও জাপান। ষষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা জাগাতে এদের অন্তত একটি দলের বিপক্ষে জিততেই হবে লালসবুজদের। তা বেশ কঠিন। জিমির মতে, প্রথম ম্যাচেই যদি পাকিস্তানের সাথে ভালো কিছু করতে পারি তাহলে পরের খেলাগুলোতে আরো ভালো করার মানসিক শক্তি পাবো। জিমিদের এই আত্মবিশ্বাস দলের নিকটঅতীতের পারফরম্যান্স। তা ছাড়া দল লম্বা সময়ের অনুশীলন পেয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচও খেলা হয়েছে অনেকগুলো। বাংলাদেশ ক্যাপ্টেনের মতে, আমাদের সাথে এশিয়ার বড় দলগুলোর মধ্যে শক্তির তারতম্য কমেছে। প্রধান অস্ত্র পেনাল্টি কর্নারে গোল করার মতো তিন খেলোয়াড়- চয়ন, খোরশেদ ও আশরাফুল আছেন। চীন সফরে আশরাফুল বেশ ভালো করেছেন। সুতরাং আমরা ঠিকমতো পারফরর্ম করলে অসাধারণ কোনো রেজাল্ট আসবেই।

জয়ের জন্য করতে হবে গোল। এই গোল মিস বাংলাদেশ দলের একটি সমস্যা। জিমি চান এশিয়া কাপে যেন গোল মিস কম করে তার দল। সব ইতিবাচক বিষয় এক সুতায় গাঁথা হলে বাংলাদেশ গ্রুপের যেকোনো একটি ম্যাচ জিতেই যেতে পারবে এমন আশাবাদ এই সেন্টার ফরোয়ার্ডের। সে ক্ষেত্রে ক্লাসিফিকেশন ম্যাচে অপর গ্রুপের দুর্বল দলকে পাওয়া যাবে। এরপর সে ম্যাচ জিতলেই ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত, যা খুলে দেবে ভালো টুর্নামেন্টে খেলার রাস্তা। জানান- পঞ্চম এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়া জিমি, যোগ করেন ’৮৫-এর এশিয়া কাপের পর দেশে হকির যে জাগরণ শুরু হয়েছিল আমরাও এবার তেমন কিছু করতে চাই।

শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। নড়বড়ে রক্ষণভাগ থাকলে ম্যাচে থিতু হওয়ারই সুযোগ মিলবে না। গত এক মাস এই রক্ষণপ্রাচীর মেরামতের কাজ করেছেন কোচ, জানান জিমি। আর কোচ হারুণের বক্তব্য, আমরা এখন প্রস্তুত এই আসরের জন্য। গত ২০ দিনে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে চাঙ্গা করার কাজই করেছি। লক্ষ্য এখন একটাই র‌্যাংকিংয়ে অবস্থানের উন্নতি। হারুণও চান প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ সূচনা। এ খেলায় ব্যর্থ হলে এর ভুলত্রুটিগুলোই পরের খেলাগুলোতে শোধরানোর চেষ্টা করব।

জিমি হকির উন্নয়নের জন্য ফেডারেশনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রত্যাশা করেছেন, যা এবার না হোক পরে সাফল্য এনে দেবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫