হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
কমলগঞ্জে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

পূর্বশক্রতার জের ধরে তার স্বামী তাউসেন মিয়াকে হত্যা মামলায় মিথ্যা আসামী করে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন কমলগঞ্জ পৌরসভার কুমড়াকাপন গ্রামের তাউসেন মিয়ার স্ত্রী হাছিনা বেগম। বুধবার ৪ অক্টোবর দুপুরে সাপ্তাহিক কমলগঞ্জের কাগজ পত্রিকা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে মাধ্যমে হাছিনা বেগম এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে হাছিনা বেগম অভিযোগ করেন, কুমড়াকাপন গ্রামের প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা রুবেল গত ১৭ আগস্ট ভোরে চট্রগ্রাম-সিলেটগামী ৭২৩ নম্বর আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে পড়ে নিহত হন। ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু মাহমুদ আলী পূর্ব বিরোধের জের ধরে মূল ঘটনাকে আড়াল করার জন্য আমার স্বামী তাউসেন মিয়াসহ এলাকার কিছু তরুণদের ফাঁসানোর লক্ষ্যে অপমৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে মৌলভীবাজার আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করে। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য কমলগঞ্জ থানাকে নিদের্শ দিয়েছেন। পিটিশনে আমার স্বামীকে হত্যার মামলার ১ নং আসামি করে মিথ্যা হয়রানী অভিযোগ এনে আমাদের গরীব পরিবারটিকে ধ্বংস করার পায়তারা করা হচ্ছে বলে স্ত্রী হাছিনা বেগম অভিযোগ করেন। শুধু আমার স্বামী নয় এলাকার আহমদ মিয়া, বদরুল মিয়া, আসিক মিয়া, রইছ মিয়া, শহিদ মিয়াকে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করছেন মাহমুদ আলী।

 হাছিনা বেগম জানান, ২০১৫ সনের ১৯ নভেম্বর মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে মাসুদ রানা আমার স্বামী তাউসেন মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা করি। দু’টি মামলাই আদালতে বিচারাধীন থাকায় মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। আমার স্বামী এমন অপরাধের সাথে জড়িত নন। আমরা এই চক্রান্তমুলক মিথ্যা মামলা থেকে বাচঁতে চাই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য বের করার দাবী জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিথ্যা মামলার আসামি আহমদ মিয়া, তাউসেন মিয়া, বদরুল মিয়া, আসিক মিয়া, রইছ মিয়া ও শহীদ মিয়া প্রমুখ।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.