ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

টেলিভিশন

এইচডিতে রূপান্তর

ঊনিশ বছরে চ্যানেল আই

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৯:১১


প্রিন্ট

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই স্ট্যান্ডার্ড ডেডিনেশন (এসডি) থেকে হাই ডেডিনেশনে (এইচডি) রূপান্তর হয়েছে। ঊনিশ বছরে পদার্পন উপলক্ষে প্রযুক্তির উন্নত এ সংস্করণে প্রবেশ করছে চ্যানেলটি। এতে টেলিভিশনটিতে সম্প্রচারিত সংবাদ ও অনুষ্ঠান আরো সুন্দর ও ঝকঝকে দেখতে পারছেন দর্শকরা।

আজ বৃহস্পতিবার নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চ্যানেলটির পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ এ তথ্য জানান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, আতাউর রহমান, রামেন্দু মজুমদার, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, সঙ্গীতশিল্পী মেহরীন, উপস্থাপক আব্দুন নূর তুষার প্রমুখ।

শাইখ সিরাজ বলেন, দেশে ৩০টির মতো চ্যানেলের সম্প্রচার হচ্ছে। এছাড়া বিদেশী চ্যানেলের আগ্রাসন চলছে। অনলাইন মিডিয়া, ইন্টারনেট টেলিভিশনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যেও নতুন নতুন উদ্ভাবনী অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে চ্যানেল আই। আগামীতেও এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সচেষ্ট থাকবে চ্যানেলটি।

সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, শুধু ব্যবসা নয় দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে চ্যানেল আই। চ্যানেলটি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আরো এগিয়ে যাবে এবং আর্ন্তজাতিক মানের চ্যানেলে পরিগণিত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

এ সময় তিনি অনুষ্ঠানে বিজ্ঞাপন কমানোর আহবান জানিয়ে বলেন, দর্শক যাতে চ্যানেলমুখি হয় সে বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের বিজ্ঞাপনের পরিধি নির্ণয় করা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর চ্যানেল আই-এর পথচলা শুরু হয়। এরপর বিগত আঠারো বছরে এদেশের সাহিত্যের সব শাখা, সাংবাদিকতা, নাটক, সঙ্গীত, চিত্রশিল্প থেকে শুরু করে সংস্কৃতির সব অঙ্গনে সবচেয়ে সরব ও সফল একটি প্লাটফরম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে চ্যানেলটি। দিনে দিনে দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে ছড়িয়ে পড়েছে বিশাল বিশাল ইভেন্ট নিয়ে। পৃথিবীর ছয়টি মহাদেশের বাংলা ভাষাভাষীরা দিনে দিনে যুক্ত হয়েছে চ্যানেল আই-এর লাল সবুজ রঙে। যুক্ত হয়েছেন হৃদয়ে বাংলাদেশ চেতনায়।

বাংলাদেশে টেলিভিশন মাধ্যমে গণতন্ত্রচর্চা ও জবাবদিহিতার কার্যক্রম শুরু হয় চ্যানেল আইয়ের তৃতীয় মাত্রার মাধ্যমে। চ্যানেল আই বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সাথে বরাবরই হাঁটছে কল্যাণমুখি উদ্যোগ নিয়ে। উন্নয়ন সাংবাদিকতা তথা দেশের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গী বিবেচনায় সবচেয়ে সামনে আসে শাইখ সিরাজের কৃষি কার্যক্রম হৃদয়ে মাটি ও মানুষ এর নাম। চ্যানেল আই-এর কল্যানমুখি কার্যক্রম হিসেবে সামনে আসে প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে নিয়মিত টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘প্রকৃতি ও জীবন’, দেশের কিশোরী ও মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে অনুষ্ঠান ও জাতীয় নেটওয়ার্ক স্বর্ণকিশোরীসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নাম। বাংলাভাষা নিয়ে প্রথমবারের মতো টেলিভিশন কার্যক্রম হিসেবে সম্প্রতি চ্যানেল আই-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় অনন্য এক আয়োজন ‘ইস্পাহানি বাংলাবিদ’। দেশের সঙ্গীত প্রতিভার কথা উঠলেই আসে চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডের কথা, আসে চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠের কথা, শিশু-শিল্পীর গান মানেই চ্যানেল আই-এর ক্ষুদে গানরাজ অনুষ্ঠান, অভিনয় প্রতিভা আর নতুন মুখ অনুসন্ধান মানেই লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার, ভিট টপ মডেল, ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম, আবৃত্তি শিল্পের প্রশ্নে আবৃত্তি ছন্দে আনন্দে, নাচের শিল্পী গড়তে চ্যানেল আই ‘সেরা নাচিয়ে’ বাংলার পল্লীসঙ্গীত নিয়ে আয়োজন আড়ং ডেইরি বাংলার গান অনুষ্ঠান স্বনামেই খ্যাত হয়ে উঠেছে। এভাবে সত্যিকারেই এক কারিগরের ভূমিকায় থেকে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুনের জয়গান ধরে রাখছে চ্যানেল আই।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫