ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৯ অক্টোবর ২০১৭

আফ্রিকা

পার্লামেন্টের ভেতরেই এমপিদের মারপিট (ভিডিও)

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বুধবার, ১৮:২৬


প্রিন্ট
পার্লামেন্টের ভেতরেই এমপিদের মারপিট (ভিডিও)

পার্লামেন্টের ভেতরেই এমপিদের মারপিট (ভিডিও)

চড়, ঘুঁষি থেকে চেয়ার ছোড়াছুড়ি— বাদ গেল না কিছুই। আহত হলেন বেশ কয়েকজন। অবশেষে নিরাপত্তারক্ষীরা আসায় ‘রণে ভঙ্গ’ দিলেন তারা। ঘটনাস্থল উগান্ডার পার্লামেন্ট কক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌজন্যে ভিডিওটি পোস্ট হতেই তা নিয়ে পুরোদস্তুর চর্চা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার উগান্ডার পার্লামেন্টে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল প্রেসিডেন্টের শাসনের মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনি শেষ তিন দশক ওই পদে রয়েছেন। উগান্ডার সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নের জন্য ৭৫ বছরের নিচে বয়স হতে হবে। বর্তমান প্রেসিডেন্টের বয়স ৭৩ বছর। সে ক্ষেত্রে এ বারের পর আর তিনি নির্বাচনে মনোনয়নই পাবেন না। মুসেভেনি তাই চেয়েছিলেন সংবিধান থেকে ওই ধারাটাই তুলে দিতে। পাশাপাশি চেয়েছিলেন পার্লামেন্ট যেন তাকে আরো এক বার প্রেসিডেন্ট পদে রেখে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রেসিডেন্টের এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। বিরোধিতা করেন মুসেভেনির দলের অনেক নেতা। কিন্তু এই বিরোধিতা যে পার্লামেন্টে একেবারে হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছবে, তা বোধহয় আন্দাজ করেননি কেউই।
ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, পার্লামেন্টের স্পিকার বারবার সদস্যদের শান্ত হতে বলছেন। কিন্তু কে কার কথা শোনে! কেউ চেয়ার ছুড়ছেন তো কেউ কলার ধরে ঘুঁষি মারছেন কাউকে। সেই ভিডিওই আপাতত ভাইরাল।

 


গাড়ি চালানোর অনুমতি পাচ্ছেন সৌদি নারীরা
সৌদি বাদশাহ সালমান মঙ্গলবার দেশটিতে প্রথমবারের মতো নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছেন। আগামী জুন থেকে দেশটির নারীরা গাড়ি চালাতে পারবেন।

বিশ্বে সবচেয়ে রক্ষণশীল এ দেশে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত এ আদেশকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। খবর এএফপি’র।
খবরে বলা হয়, বিশ্বে সৌদি আরবই একমাত্র দেশ, যেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি নেই। কিন্তু এখন তারা গাড়ি চালানোর অনুমতি পেতে যাচ্ছেন।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, বাদশাহ সালমান বিন আব্দুলআজিজ আল-সৌদ দেশটির নারীদের গাড়ি চালানোর লাইসেন্স দেয়ার অনুমতি দিয়ে আদেশ জারি করেছেন।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন তৈরি করবে। আদেশটি ২০১৮ সালের জুন থেকে কার্যকর হবে।

সৌদি আরবের বিদ্যমান ব্যবস্থায় পুরুষেরাই কেবল গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পান। কোনো নারী যদি জনসম্মুখে গাড়ি চালান, তাহলে তাকে গ্রেফতার ও জরিমানা করা হয়।
আইন ভেঙ্গে গাড়ি চালানোয় কিছু নারী কারাভোগও করেছেন।
নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দিতে কয়েক বছর ধরে দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রচার চালিয়ে আসছে।

নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত আদেশকে ‘ঐতিহাসিক’ বর্ণনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালেদ বিন সালমান। তিনি বলেছেন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


প্রিন্স খালেদ বিন সালমান বলেন, গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার জন্য নারীদের তাদের পুরুষ অভিভাবকদের অনুমতি নিতে হবে না। নারীরা তাদের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো জায়গায় গাড়ি চালাতে পারবেন।
সৌদি সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্টোনিও গুতেরেসও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫