ফ্লোর ফ্যান্টাসি

ঝরনা রহমান

ঘরের আসবাবসহ অন্যান্য জিনিস জমকালো হলে মেঝের সাজ সাধারণ হলেই ভালো মানাবে। তবে শুধু জমকালো মেঝে দিয়ে সহজেই ঘরের সাজে আনা যায় বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব

আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ধারণার প্রচলন হওয়ার অনেক আগে থেকেই মেঝের সাজের বিষয়টি বাড়ির সাজের অংশ ছিল। মোজাইকের মধ্য দিয়েই মূলত মেঝেতে ফুটিয়ে তোলা হতো বিভিন্ন ধরনের নকশা। যারা খুব সাধারণভাবে মেঝে সাজাতে চাইতেন তারাও সিমেন্টের সাথে রঙ ও বালুর সংমিশ্রণে লাল চকচকে মসৃণ করে তৈরি করতেন ঘর ও বারান্দার মেঝে। আধুনিক ইন্টেরিয়রে মেঝেকে টাইলস, মার্বেল, মোজাইক, কাঠ আরো কত না সরঞ্জামের সাহায্যে করে তোলা হয় দৃষ্টিনন্দন, আকর্ষণীয়। কখনো ফুলের নকশা, কখনো জ্যামিতিক নকশা, আবার কখনো একাধিক রঙ ও ডিজাইনের টাইলস ব্যবহার করা হয়। আসলে মেঝের সাজ কেমন হবে সেটি নির্ভর করে একেবারেই ব্যক্তির নিজের রুচির ওপর। তবে মেঝের সাজের সাথে ঘরের আসবাব, রঙ, পর্দা ইত্যাদির সাজও জড়িয়ে থাকে।

ঘরের আসবাবসহ অন্যান্য জিনিস জমকালো হলে মেঝের সাজ সাধারণ হলেই ভালো মানাবে। তবে শুধু জমকালো মেঝে দিয়ে সহজেই ঘরের সাজে আনা যায় বৈচিত্র্য ও নতুনত্ব।
আধুনিক ফ্লোর ডিজাইনিংয়ে মার্বেল বা টাইলসের ব্যবহার হচ্ছে খুবই ইউনিক স্টাইলে। একেবারে নতুন রঙ ব্যবহার হচ্ছে টাইলসের ক্ষেত্রে। যেমন ব্লু, ম্যাজেন্টা, হলুদ, সবুজ এসব কালার যা মেঝের সাজকে করে তুলছে আকর্ষণীয়।

ফ্লোরে ব্যবহার করা হচ্ছে নকশাদার টাইলস ও মার্বেল পাথর। কখনো থাকছে পাঞ্চ করা টাইলস। কাঠের ফ্লোরে থাকছে রঙের বৈচিত্র্য। এমনকি প্লাস্টিক গ্লাস থাকছে মেঝের সাজে বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তুলতে।

তবে ফ্লোর ইন্টেরিয়র যেমনই হোক ব্যবহারিত পণ্যের মান যেন ভালো হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। না হলে প্রতিদিনের ধোয়া-মোছায় ফ্লোর সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.