ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদের জননী : পাকিস্তানি দূত

আমরা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার, ওরা সন্ত্রাসী বানায় : সুষমা
ডন

জাতিসঙ্ঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মালিহা লোদি বলেছেন, ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদের জননী। গতকাল পাকিস্তানের রাষ্ট্রপরিচালিত রেডিও সার্ভিস এ কথা জানায়। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ রফতানি করে বলে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন, তার জবাবে এ কথা বলেন মালিহা লোদি। তিনি আরো বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে ব্যবহার করছে। 

জাতিসঙ্ঘের অধিবেশনে পাকিস্তানকে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন ভারতের পররাঘ্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।                   পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাস ছড়ানোর কারখানা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। জাতিসঙ্ঘের ভাষণে সুষমা বলেন, ‘ভারতের পরিচয় এখন তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে প্রথম শ্রেণীর দেশ হিসেবে। পাকিস্তানের রাজনীতিকদের ভাবা উচিত তাদের দেশ কেন সন্ত্রাস ছড়ানোর কারখানা হিসেবে পরিচিত। আমরা (ভারত) আইআইটি, আইআইএম ও ডাক্তার তৈরি করেছি, আর           পাকিস্তান তৈরি করেছে লস্কর, জইশ-ই-মুহম্মদের মতো সন্ত্রাসীদের সৃষ্টি করেছে। আমরা লড়ছি দারিদ্র্যের সাথে। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশীর (পাকিস্তান) লড়াইটা যেন শুধু আমাদের সাথেই।’

সুষমার এসব কথার জবাবে লোদি বলেন, পাকিস্তানের সাথে ভারতীয় নেতারা যে বৈরী আচরণ করে আসছেন, তারই প্রতিফলন ঘটেছে সুষমার মন্তব্যে। ভারতের নেতাদের এ বৈরিতা আমরা ৭০ বছর ধরে সহ্য করে আসছি। ভারতের গুপ্তচর কুলভূষণ যাদব পাকিস্তানে সন্ত্রাস চালানোর কথা স্বীকার করেছেন। বছরের পর বছর ধরে মিথ্যাচারের মাধ্যমে সত্যকে গোপন করা বা চাপা দেয়া যায় না। কিন্তু সুষমা তার ভাষণে কাশ্মির ইস্যু সচেতনভাবে উপেক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মির ভারতের অংশ হিসেবে জাতিসঙ্ঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃত ছিল না; বরং এটি ছিল বিরোধপূর্ণ এলাকা। আমি আপনাদের সবাইকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসঙ্ঘের মানচিত্র দেখার আমন্ত্রণ জানাই। পাকিস্তানের এ কূটনীতিক বলেন, কাশ্মিরে ভারতের সামরিক দখলদারিত্ব অবৈধ। কেননা জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের ডজনের বেশি প্রস্তাবে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে, কাশ্মিরের জনগণকে জাতিসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেয়ার মাধ্যমে কাশ্মির বিরোধের নিরসন করতে হবে।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.