তামিমের ইনজুরি ভয়াবহ!
তামিমের ইনজুরি ভয়াবহ!

তামিমের ইনজুরি ভয়াবহ!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ওপেনার তামিম ইকবালকে নিয়ে ইনজুরির ভীতিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বেনোনিতে আজ থেকে শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের বিপক্ষে ম্যাচে মাংশপেশিতে টান খেয়ে মাত্র ৫ রান করে আহত অবসর হয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদ মাধ্যম স্পোর্টস ২৪ এমনই খবর প্রকাশ করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা আমন্ত্রিত একাদশের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। মাত ১৩ বল খেলে আহত অবসর হয়ে মাঠ ছাড়েন তামিম। এরপর তাকে স্ক্যান করার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্ক্যানের রিপোর্ট এলেই পুরোপুরিভাবে অবগত হওয়া যাবে।
বাংলাদেশের হয়ে ৫১টি টেস্ট খেলেছেন তামিম। ৮টি সেঞ্চুরিতে ৫৭৪৩ রান করেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ৭১ ও ৭৮ রান করেন তামিম। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে ২০ রানে জিতেছিলো টাইগাররা।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হবে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম টেস্ট।

আইসিসিকে জবাব দিলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের আউট ফিল্ড নিম্নমানের বলে যে রিপোর্ট দাখিল করেছে ম্যাচ রেফারি তার জবাব আইসিসিকে পাঠিয়ে দিয়েছে বিসিবি। তবে সে ব্যাখ্যা সন্তোষজনক কি না সেটা এখনো জানা যায়নি। কারণ মাঠ বা আউট ফিল্ড নিম্নমানের হলে আইসিসি অনেক ঝামেলায় ফেলে দেয় সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে। ইতঃপূর্বে অমন তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার ভারতকেও পোহাতে হয়েছিল। ফলে বিসিবির রিপোর্টে আইসিসির সন্তুষ্টির একটা ব্যাপার রয়েছে।
বিসিবি বিষয়টি গণমাধ্যমে কিয়ার করে না বললেও রিপোর্টে দেশে বেশ কিছু দিন ধরে বন্যা-বৃষ্টিকে দায়ী করা হয়েছে। সংস্কারের মাধ্যমে নতুন করে তৈরি হওয়া মাঠ কেন ধূসর বর্ণ হবে সেটা নিয়ে প্রশ্নের অবতারণা।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আসলে শেরেবাংলার স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড নিয়ে অনভিজ্ঞতা বা প্রাকটিক্যাল জ্ঞানের অভাবের কারণেই মাঠের ওই অবস্থা। সংস্কারের পর ঘাস লাগানোটা সঠিকভাবে হলে সেটা দ্রুত সজিব হয়ে ওঠার কথা। মিরপুরের আউট ফিল্ডের প্রশংসা করেছিল আইসিসির কর্মকর্তারা। সে সময় সবুজ চাদরে আদৃত বলেই মনে হতো। ক্রমশ যেটা হবে আরো উন্নত। সেখানে সে সবুজ সরে গিয়ে কেন এমন ধূসর বর্ণ হলো- এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।

জানা গেছে, নতুন সংস্কারে অতিরিক্ত রোলিংয়ের কারণে মাঠ শক্ত হয়ে গেছে। একইসাথে সেখানে লাগানো ঘাস সঠিক উপায়ে কাটা হয়নি, পরিচর্যাতেও ছিল ভুল পদ্ধতি। এতেই এত মেঘ, বৃষ্টি পাওয়ার পরও মাঠের ঘাস ধূসর বর্ণ রয়ে গেছে। আইসিসিতে ম্যাচ রেফারি কর্তৃক যে রিপোর্ট দাখিল হয়েছে, সেটাতে মাঠ ধূসর বলে যে অভিযোগ। তার আড়ালে এমন মাঠে খেলোয়াড়রা ইনজুরিতে পরবেন কি না এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে। বিষয়টি এত সহসাই সুরাহা হয়ে যাবে এমনটা মনে হচ্ছে না। আইসিসির পাল্টা সুপারিশও আসতে পারে এবং সেখানে নতুনভাবে আবারো মাঠ সংস্কারের পরামর্শ থাকতে পারে বলেই এক্সপার্টদের অভিমত। এতে করে আরেক দফা খরচ ও সময়ের অপচয়ের মধ্যে পড়ে যেতে পারে বিসিবি। তবে এটা যাতে না করতে হয় সেটা নিয়েও গবেষণা চলছে।

এ দিকে বিসিবির সিইও জানিয়েছেন তারা একটা রিপোর্ট ইতোমধ্যে আইসিসিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘গত ৪-৫ মাস বাংলাদেশে যে বন্য-বৃষ্টি পরিস্থিতি ছিল তাতে মাঠটা প্রস্তুত করা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। তারপরও যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের গ্রাউন্ডস কমিটি খুব কষ্ট করেছেন। বৈরী আবহাওয়া না থাকলে এ অবস্থা হতো না।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.