ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

ক্রিকেট

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় পাকিস্তানকে হারাল বিশ্ব একাদশ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০৬:০৬


প্রিন্ট
হাশিম আমলা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য

হাশিম আমলা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় পাকিস্তানে চলমান তিন ম্যাচ টি২০ সিরিজে সমতা ফেরাল বিশ্ব একাদশ। বুধবার লাহোরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্ব একাদশ জিতেছে ৭ উইকেটে। হাশিম আমলার অপরাজিত ৭২ রান এবঙ থিসারার অপরাজিত ৪৭ রানে তারা এই জয় পায়। এখন আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ম্যাচের মাধ্যমে সিরিজের ফয়সালা হবে।

বুধবার টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান করেছিল ৬ উইকেটে ১৭৪ রান। বাবর আজম ৪৫, শেহজাদ ৪৩, শোয়েব মালিক ৩৯ রান করেন।
জবাবে বিশ্ব একাদশ ১ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয়। আমলা ৫৫ বলে ৭২ রান করেন। বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ১৯ বলে ২৩ রান করেছিলেন।

প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান জয়ী
পাকিস্তানের কাছে কুপোকাত হয়েছিল বিশ্ব একাদশ। মঙ্গলবার লাহোরে তিন ম্যাচ টি২০ আন্তর্জাতিক সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ২০ রানে জয় পায়। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান করেছিল ৫ উইকেটে ১৯৭। জবাবে বিশ্ব একাদশ নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ৭ উইকেটে ১৭৭ রান।

পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমদ পরে বলেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় জয়।
পাকিস্তানের বাবর আজমের ঝড়ো গতিতে ৮৬ রানই ম্যাচের ফয়সালা করে দিয়েছিল। তিনি ৫২ বলে ১০টি চার আর ২টি ছক্কা দিয়ে ৮৬ রান করেছিলেন। এছাড়া শোয়েব মালিক ২০ বলে ৩৮, ইমাদ ওয়াসিম ৪ বলে ১৫ রান করে স্বাগতিক দলকে বিশাল স্কোর গড়ে দেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিশ্ব একাদশের কেউ বড় কোনো স্কোর করতে পারেননি। ড্যারেন স্যামি এবং অধিনায়ক ডু প্লেসিসের ২৯ রানই ছিল সর্বোচ্চ। এছাড়া হাশিম আমলা করেন ২৬ রান। বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ১৮ রান করে ১৮ বলে।


এই ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরল পাকিস্তানে। বছরের পর বছর এক ঘরে থাকার পর মঙ্গলবার তারকা খচিত বিশ্ব একাদশের বিপক্ষে শুরু হওয়া তিন ম্যাচ টি-২০ সিরিজ দিয়ে পাকিস্তানে পুনরুজ্জীবিত হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। এ উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশটির সরকার।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫