ঢাকা, বুধবার,২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

শেষের পাতা

সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের চেষ্টা ইসলামী আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মিয়ানমারে গণহত্যা, নারী ধর্ষণ ও জাতিগত নিধনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল ঢাকাস্থ মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। সকালে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে সমাবেশের পর মিছিল নিয়ে ঢাকাস্থ মিয়ানমার দূতাবাস অভিমুখে রওনা দিলে কাকরাইল বিজয়নগর মোড়ে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। বিুব্ধ জনতা পুলিশের বাধা উপো করে মিছিল নিয়ে শান্তিনগর পৌঁছলে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে মিছিলের গতিরোধ করে পুলিশ। এ সময় কর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে নেতৃবৃন্দের হস্তেেপ পরিস্থিতি শান্ত হয়। এখান থেকে প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার দূতাবাসে স্মারকলিপি পেশ করে। দূতাবাসের প্রটোকল অফিসার স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন মহাসচিব অধ্য মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এ টি এম হেমায়েত উদ্দিন, আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান প্রমুখ।
এর আগে সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে দলের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুসলিম গণহত্যা বন্ধে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবরোধ ও সামরিক ব্যবস্থাসহ সব পদপে নিতে হবে। অর্থনৈতিক অবরোধের অংশ হিসেবে মিয়ানমারের সব পণ্য বর্জন করতে হবে এবং মুসলিম বিশ্বকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমার জান্তা রাখাইন রাজ্যে গণহত্যার মাধ্যমে রাখাইন রাজ্যকে মুসলিমশূন্য করার খেলায় মেতে উঠেছে। বর্মী জান্তা এবং অং সান সু চি বিশ্বসন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রাখাইনের ইতিহাসের ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ ও নির্মমতা এবং মানবতা ভূলুণ্ঠিত হলেও জাতিসঙ্ঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখছে না। জাতিসঙ্ঘের এ ভূমিকায় মুসলিম জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার অনিবার্যতা আরো জোরালো হচ্ছে।
চরমোনাই পীর আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকাস্থ জাতিসঙ্ঘ দূতাবাস অভিমুখে গণমিছিল ও স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, মিয়ানমারে গণহত্যা ও বর্বরতা বন্ধ না হলে প্রয়োজনে মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চসহ আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। তিনি বলেন, মুসলিম হত্যাকারী মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দিয়ে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি জাতিসঙ্ঘকে কঠোর হস্তেেপর মাধ্যমে সু চি সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি, নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, মহাসচিব অধ্য মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এ টি এম হেমায়েত উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, ঢাকা দণি সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা উত্তর সভাপতি অধ্য শেখ ফজলে বারী মাসউদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম প্রমুখ।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫